ঢাকা, বুধবার 4 October 2017, ১৯ আশ্বিন ১৪২8, ১৩ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সন্ধানে পদার্থে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সন্ধানের জন্য ২০১৭ সালের পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন রেইনার ওয়েইস, ব্যারি ব্যারিস ও কিপস থ্রোন। মঙ্গলবার দ্য রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স এই নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

মহাকর্ষীয় তরঙ্গের এই ধারণা সর্বপ্রথম দেন অ্যালবার্টআইনস্টাইন। পুরস্কারের অর্ধেক সম্মানি পাবেন রেইনার উইস। বাকি অর্ধেক পাবেন ব্যারি বারিস ও কিপ থ্রোন। বিবিসি।

থ্রোন ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির তত্ত্বীয় পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক। তিনি মহকর্ষীয় তরঙ্গ দেখতে কেমন ও সেটা কিভাবে শনাক্ত করা যাবে সেই বিষয়ে একটি তত্ত্ব দিয়েছিলেন।

ব্যারি বারিশ একই ইনস্টিটিউটের পার্টিকেল পদার্থবিজ্ঞানী। এখন সেখানকার এমিরেটাস অধ্যাপক তিনি। ১৯৯৪ সালে লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েব অবজারভেটরি বা লাইগোর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। তবে সে সময় ঝুঁকির কারণে তার পরীক্ষা বাতিল করে দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালে নতুন করে গবেষণা শুরু করেন তিনি এবং তিন বছর পরে প্রথম পরিমাণ ঘোষণা করতে সক্ষম হন।

লাইগো নিয়ে তার সঙ্গে কাজ করেছেন স্কটিশ পদার্থবিজ্ঞানী রোনাল্ড ড্রেভার। তবে এই তরঙ্গ আবিষ্কারের ১৮ মাস পূর্বেই মারা যান তিনি। মৃত্যুর পর নোবেল পুরস্কার দেওয়ার কোনও নিয়ম নেই।

২০১৬ সালেই তাদের আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়ে সারাবিশ্বে সাড়া ফেলে দেন বিজ্ঞানীরা। ২৫ বছর ধরে গবেষণার ফল বেরিয়ে আসে। সূর্যের থেকে প্রায় ৩৫ গুণ ভারী দুটি কৃষ্ণ গহ্বরের সংঘর্ষ থেকে উৎপন্ন এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ (গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ) শনাক্ত করা হয়েছে। পৃথিবী থেকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে ওই দুটি ব্ল্যাক হোল একে অন্যের চারপাশে চক্রাকারে ঘুরতে ঘুরতে এক পর্যায়ে একসঙ্গে মিশে যায়।

গত বছর তত্ত্বের মধ্য দিয়ে পদার্থের টপোলজিক্যাল দশার দিশা দেখিয়ে পদার্থে নোবেল জিতেছিলেন তিন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ