ঢাকা, বুধবার 4 October 2017, ১৯ আশ্বিন ১৪২8, ১৩ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

খুলনার আবাসিক হোটেলগুলোতে অসামাজিক কর্মকাণ্ড

খুলনা অফিস: খুলনা মহানগরীর আবাসিক হোটেলগুলোতে অসামাজিক কর্মকাণ্ড-বৃদ্ধি পাচ্ছে। দিনে বা রাতে হোটেলগুলোতে নির্বিঘ্নে চলছে যৌনাচার। বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা দিন দুপুরেই এ সব হোটেলে ঘণ্টা চুক্তিতে কক্ষ ভাড়া নিয়ে বিনোদন করছে।
হোটেলগুলো এখন এক প্রকার প্রমশালা ও যৌনাচারের নিরাপদ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এর ফলে পেশাদার ও অপেশাদার সবমিলিয়ে নগরীর যৌনকর্মীর সংখ্যাও দিনদিন বেড়েই চলেছে। প্রশাসনের চোখের সামনে এ ধরনের অসামাজিক কর্মকান্ডে অনেকটা হতাশা প্রকাশ করছেন নগরবাসী। জানা গেছে, দারিদ্রতা ও কর্মসংস্থানের অভাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নারীরা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকা-ে লিপ্ত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা গত ২০১৬ সালের ২ জানুয়ারি ২০, সোলাইমান নগর শের-এ বাংলা রোড এলাকার একটি বাড়ির নিচতলা থেকে ২ জন নারাী ও ২ জন পুরুষ, ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর হোটেল সাউদিয়া, হোটেল আরাফাত এবং হোটেল সোসাইটি থেকে ১১ জন নারী ও ১৫ জন পুরুষ, গত ২৯ মার্চ গগণ বাবু রোডস্থ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বাড়ির ৫ম তলা থেকে ১ জন নারী ও ১ জন পুরুষ, ২৭ জুলাই দি সিটি নাইট গেস্ট হাউজ আবাসিক হোটেল থেকে ২ জন নারী ও ৭ জন পুরুষ, ২৯ জুলাই হোটেল আরাফাত থেকে ২ জন নারাী ও ৩ জন পুরুষকে অসামাজিক কর্মকান্ডের দায়ে গ্রেফতার করে।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুর্জয় নারী সংঘ’র মতে যারা জীবিকা নির্বাহের জন্য দেহ বিক্রিকে একমাত্র অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছে তাদেরকে পেশাদার যৌনকর্মী বলে। ২০১২ সালে তাদের হিসেব অনুযায়ী নগরীতে পেশাদার যৌনকর্মী রয়েছে ৫ হাজার ৮শ’।
একই সালে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ওয়ার্ল্ড ভিশন’র তথ্য অনুযায়ী নগরীতে অপেশাদার যৌনকর্মী বলতে বোঝায়, যারা একটি নির্দিষ্ট পেশায় যুক্ত থেকে বিশেষ চাহিদা পূরণে দেহ বিক্রি করে। এছাড়াও নগরীতে রয়েছে বেশ কিছু ভ্রাম্যমাণ যৌনকর্মী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ