ঢাকা, বুধবার 4 October 2017, ১৯ আশ্বিন ১৪২8, ১৩ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

দৌলতপুরে ভুয়া পোষ্য কোটায় প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকুরী

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ভূয়া পোষ্য কোটায় প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকুরী নিয়ে মমতাজ হেনা শিক্ষকতায় অপারদর্শী হওয়ায় অভিভাবক মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত শনিবার দুপুরে সরোজমিনে উপজেলার চকদৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে জানাগেছে, ২০১০ সালে মমতাজ হেনা নামে একজন ভূয়া পোষ্য কোটায় চাকুরী নিয়ে শিক্ষকতা করছেন। তার পিতা আবু হানিফ মথুরাপুর ইউনিয়নের সদস্য এবং মাতা শামসুন নাহার একজন গৃহিনী। তারা কেউই কোনদিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী বা শিক্ষকতা করেননি। এমনকি তার পরিবারের কোন সদস্যই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী বা শিক্ষকতা করেননি। অথচ তার মা শামসুন নাহারকে শিক্ষকতার পেশা দেখিয়ে মমতাজ হেনা পোষ্য কোটায় চাকুরী নিয়ে অবৈধভাবে সরকারী বেতন ভাতা আত্মসাত করে চলেছে। এছাড়াও মমতাজ হেনা প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা দিতে গিয়ে সেখানেও অনিয়ম ও দূর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষা তার পরিবর্তে মায়া নামে এক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ করলে আসল রহস্য উদ্ঘাটিত হবে। মমতাজ হেনার নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম ও দূর্নীতি এবং ভূয়া পোষ্য কোটা ব্যবহার করে চাকুরী নিতে দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে চাকুরী পেতে সেসময় সার্বিক সহায়তা করেছেন দৌলতখালী হাটখোলাবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিন। এদিকে ভূয়া পোষ্য কোটায় চাকুরী নিয়ে মমতাজ হেনা শিক্ষকতায় চরম অপারদর্শীতা দেখাচ্ছে। সঠিকভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াতে বা লেখাতে না পারায় এ নিয়ে অভিভাবক মহলে রয়েছে চরম ক্ষোভ। তার সঠিক উচ্চারণ ও শুদ্ধ ভাষা ব্যবহারে ভুল রয়েছে বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রয়েছে। আর ভুল উচ্চারন ও অশুদ্ধ ভাষা শিখে শিক্ষার্থীরা সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন জানান, ভূয়া পোষ্য কোটা ব্যবহার করে চাকুরী নিয়ে থাকলে তা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তে দোষী প্রমানিত হলে সমুদয় অর্থ ফেরত ও জেল-জরিমানা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন মমতাজ হেনা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ