ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 October 2017, ২০ আশ্বিন ১৪২8, ১৪ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এনায়েতপুরের ৫টি আঞ্চলিক সড়ক খানাখন্দে ভরা ॥ জনদুর্ভোগ চরমে

সেলিম রেজা, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) : সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানাধীন এনায়েতপুর-বেলকুচি, বেতিল-গাবতলা, ফুটানী মার্কেট-মেঘুল্লা, গোপিনাথপুর-রুপনাই ও দ্বাদশপট্টি মোড়-পাচিল সড়কের বেহাল অবস্থা যেন দেখার কেউ নেই। অল্প বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমে ও সড়কে যত্রতত্র খানাখন্দের ফলে একদিকে যানচলাচল বিঘœ হচ্ছে অন্যদিকে জনজীবনে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিন  দেখা গেছে, দেশের সর্ববৃহৎ এনায়েতপুর কাপড়ের হাট, খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, বিশ্বাবিদ্যালয় ও খাজা এনায়েতপুরী (রহ:) মাজারে যাতায়াতের জন্য বঙ্গবন্ধু  সেতু পশ্চিম সায়দাবাদ থেকে বেলকুচি সড়ক হয়ে এনায়েতপুরে আসতে হয়। এছাড়া তাঁত পল্লী অধ্যুষিত বেতিল-গাবতলা,  ফুটানী মার্কেট-মেঘুল্লা, গোপিনাথপুর-রুপনাই সড়ক দিয়ে এলাকার অন্তত সাড়ে তিনশতাধিক তাঁত কারখানার হাজার হাজার শ্রমিকদের যাতায়াত করতে হয়। আর ব্যবসায়িক কাজে শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ি বন্দরে যাতায়াতের অন্যতম সড়ক হচ্ছে এনায়েতপুর-দ্বাদশপট্টি-পাচিল সড়ক। এদিকে শিক্ষা, চিকিৎসা ও তাঁতপণ্য উৎপাদন ও বিপণনের জন্য জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক গুলো ব্যবহার করতে হয় নিত্যদিন। কিন্তু রাস্তার খানাখন্দের কারণে সব সময়  বেকায়দায় পড়তে হয় সবাইকে। এছাড়া রাস্তার যত্রতত্র ভেঙ্গে গিয়ে কাদা-মাটির কারণে এলাকার স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের প্রায়ই দুর্ভোগ পোহাতে হয়।    স্থানীয়রা জানায়, বন্যা ও বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতাসহ ভারি যানবাহন চলাচলের কারণে চার-পাঁচ বছর ধরেই এ রাস্তার যেখানে সেখানে বড় বড় গর্ত ও খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদাসীনতার কারণে এ রাস্তায় তেমন কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি দীর্ঘ দিনেও। অথচ এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন তাঁত শ্রমিক, শিক্ষার্থীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষকে জেলা-উপজেলা ও থানা সদরে যাতায়াত করতে হয় প্রয়োজনীয় কাজে। সড়কে নিয়মিত যাতায়াতকালী শিক্ষক আব্দুল আব্দুল জলিল তালুকদার, পল্লী চিকিৎসক ডা. আইয়ুব আলী, স্বর্নব্যবাসীয় স্বপন কর্মকার ও শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম মনি জানায়, ছোট ছোট রাস্তায় ভারি যানবাহন চলাচল করা এবং সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকায় রাস্তার পিচ উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এরপর দীর্ঘ দিনেও সরকারিভাবে এখানে রাস্তা মেরামতের কোন উদ্যোগ না থাকায় এলাকাবাসীসহ পথচারীদের চরম দুর্ভোগে পড়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। রাস্তাগুলো মেরামতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজর দেয়ার দাবি জানাই।

 তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ডল গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ মন্ডল বলেন, বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কিছু সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে 'ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে রাস্তা মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল এলাকায়ই কাজ করা হবে।'

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ