ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 October 2017, ২০ আশ্বিন ১৪২8, ১৪ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রাজৈরে বিভিন্ন সড়কের বেহাল দশা জনদুর্ভোগ চরমে

রাজৈর মাদারীপুর সংবাদদাতা : রাজৈর উপজেলার অধিকাংশ সড়কেরই বেহাল দশা। প্রায় প্রত্যেকটি সড়কেই মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এলাকার রাস্তাগুলো বর্ষায় ভেঙ্গে চুড়ে জরা জীর্ণ অবস্থায় রুপ নিয়েছে। সড়কে বিভিন্ন স্থানে খানা-খন্দ সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ সব খানা খন্দে কারণে  প্রতিদিনই  ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। উপজেলার টেকেরহাট-কবিরাজপুর ফিডার সড়কটি ভেঙ্গেচুড়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত ১৬ কি.মি রাস্তা টমটম, নছিমন,মাহিন্দ্র,ইজিবাইকের মত থ্রি হুইলারে করে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্কুল-কলেজগামী ছাত্র, ছাত্রী, শিক্ষক, বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা ও সাধারণ জনগণের। ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। এ সড়কের নাগরদী নামক স্থানে এমন ভাবে খানাখন্দক সৃষ্টি হয়েছে, যাতে রাস্তা অতিক্রম করার সময় প্রতিদিনই দু, একটি গাড়ি রাস্তার পাশে পড়তে দেখা যায়। রাস্তায় এতটাই গর্ত সৃষ্টি হয়েছে যা ছোট ছোট যানবাহনগুলো ঠেলে পার করতে হয়। এছাড়াও কবিরাজপুর ইউনিয়নে শ্রীকৃষ্ণদী নামক স্থানে রাস্তাটিরও বেহাল দশা। একটু বৃষ্টি হলেই যানবাহন চলাচলত দূরের কথা মানুষের হেঁটে যেতেও কষ্ট হয়। এভাবেই প্রতিনিয়তই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করছে। অপর দিকে উপজেলার শানের পাড় থেকে শ্রীনদী পর্যন্ত ১২ কি.মি রাস্তাটিও ভেঙ্গেচুড়ে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। টেকেরহাট থেকে কদমবাড়ি পর্যন্ত ১২ কি.মি রাস্তাটির কিছু অংশের অবস্থাও করুন। ফুলতলা থেকে বৈরাগীর বাজার পর্যন্ত ২ কি.মি রাস্তার বেহাল অবস্থা। হোসেনপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, আমি নিজস্ব উদ্যোগে কয়েকবার ভাঙ্গাচুড়া স্থানগুলোতে বালি এবং ইট দিয়েছি। কয়েকদিন পর আগের মত হয়ে যায়। স্থায়ী সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। রাজৈর উপজেলা প্রকৌশলী কাজী মাহমুদউল্লাহ জানান, আমরা এ রাস্তাগুলোর ইস্টিমেট পাঠিয়েছি। আশা করা যায় খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হয়ে যাবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ