ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 October 2017, ২০ আশ্বিন ১৪২8, ১৪ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হতে হবে

চট্টগ্রাম অফিস: ১লা অক্টোবর থেকে ২২শে অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ইলিশ ধরা ও বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ইলিশ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ সংরক্ষণ করার তারিগদে মৎস্য গবেষকরা আশ্বিন মাসের ভরা পূর্ণিমাকে ইলিশ প্রজনন এর উত্তম সময় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এরই উপর ভিত্তি করে মৎস্য অধিদপ্তর ২২দিন পর্যন্ত ইলিশ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞার্পো করেন। পুরাতন ফিশারিঘাটে সোনালী যান্ত্রিক মৎস্য শিল্প সমবায় সমিতির সভাপতি শামসুল আলমের সভাপতিত্বে ও মৎস্য কর্মকর্তা মো: কামাল উদ্দিনের পরিচালনায় পুরাতন ফিশারীঘাটস্থ স্থানীয় কমিউনিটি সেন্টারে গত ১লা অক্টোবর দুপুর ১২টায় ইলিশ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: মমিনুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোস্ট গার্ড প্রতিনিধি কাজী আবুল কালাম। বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা মো: আবুল কালাম, মৎস্য ব্যবসায়ী ও আড়তদার মো: মহসীন, আজগর আলী প্রমুখঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ। এ মাছ আমাদের সৃষ্টি, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রতীক। ইলিশকে সংরক্ষন ও অধিক প্রজনন আমাদের সকলের দায়িত্ব। ইলিশ প্রজননের সুবিধার্থে সরকার ও মৎস্য অধিদপ্তর ঘোষিত ১লা অক্টোবর থেকে ২২শে অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরার উপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে তা মেনে চলার জন্য সকল জেলেভাইদের প্রতি উদাত্ত আজবান জানান। সাথে সাথে আড়তদার ও ব্যবসায়ীদেরকেও তিনি এ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার অনরোধ করেন। তিনি বলেন এ বছর যে পরিমান ইলিশ আমরা পেয়েছি অতীতে কোন সময় তা পাওয়া যায়নি।সভপতির বক্তব্যে শামসুল আলম বলেন, ইলিশকে সংরক্ষন ও প্রজনন করা জেলেসহ সারাদেশের মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। এই মাছ আমাদের দেশের জন্য বড় সম্পদ। ইলিশ প্রজনন মুহুর্তে আমাদেরকে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে আড়তদার, ব্যবসায়ীসহ জেলেরা সচেতনতার সাথে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি জেলে ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করে মৎস্য অধিদপ্তরের যুগপাত সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য আহবান জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ