ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 October 2017, ২০ আশ্বিন ১৪২8, ১৪ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আশুরা উপলক্ষে শ্রমিক কল্যাণ মুন্সীগঞ্জ জেলার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ মুন্সীগঞ্জ জেলার উদ্যাগে আশুরা উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা সভাপতি শামীম মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ উল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী সভাপতি ডক্টর আজগর আলী।
আশুরার তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধান অতিথি বলেন, কারবালার মরুপ্রান্তরে ইমাম হোসেইন (আঃ) ও তার ৭২ জন সাথী যে বীরত্বগাঁথা সৃষ্টি করেছিলেন, তা ইতিহাসের একটি নির্দিষ্ট ক্ষণে শুধুমাত্র একটি যুদ্ধ ছিলো না। ঐ বীরত্বগাথার ব্যাপ্তি এত বিস্তৃত ছিলো যে, তা স্থান ও কালকে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। যে সব কারণে ইমাম হোসাইন (আ:) এর আন্দোলন এত বিশাল প্রভাব বিস্তার করেছে তার মধ্যে এর মহান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং এর নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ অন্যতম। বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (আ:) অত্যাচারী শাসক এজিদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেছেন, ‘আমি সৎকাজের আদেশ দান ও অসৎ কাজে বাধা প্রদানের উদ্দেশ্যে সংগ্রামে নেমেছি’।
কাজেই বলা যায়, ইমাম হোসেইন (আঃ) নৈতিক ও মানবীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। কারবালার ময়দানে হোসেইন বিন আলী (আঃ) এর সাথে যেসব মহান শহীদ আত্মত্যাগ করেছিলেন, তাদের সবার প্রতিটি পদক্ষেপে এসব মূল্যবোধ অক্ষুন্ন রাখার প্রচেষ্টা ছিলো লক্ষ্যণীয়। নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি সাহসিকতা ও বীরত্ব ছিলো কারবালা আন্দোলনের প্রধান আকর্ষণ।
তিনি আরো বলেন, ইমাম হোসাইন (আ) হলেন জুলুম-অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রতীক, মুক্তি ও স্বাধীনতার ডাক প্রদানকারী এবং ন্যায়নীতির পতাকা বহনকারীদের প্রতীক। আশুরা ঘটনা বা ইতিহাস তাই নির্যাতিত, লাঞ্ছিত, বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে অত্যাচারী ও বলদর্পী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে নিজেদের মুক্তি ও স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের প্রেরণা জোগায়। কেননা বিশ্বের স্বাধীনতাকামীদের মহান নেতার ওপর জুলুমের সেই ইতিহাস যতোই উচ্চারিত হবে ততোই মজলুমদের ন্যায়কামী আওয়াজ তীব্র থেকে তীব্রতরো হবে,যার পরিণতিতে বলদর্পীদের প্রাসাদের ভিত্তিতে কম্পন সৃষ্টি হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ