ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 October 2017, ২০ আশ্বিন ১৪২8, ১৪ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

টাকা দিয়েও বিদ্যুৎ পাচ্ছে না তাড়াশের তিন শতাধিক গ্রাহক

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : তড়িঘড়ি করে বিদ্যুৎ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে জেলার তাড়াশ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের খেটে খাওয়া সাধারণ লোকজনের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। গ্রামটিতে মাস খানেকের মধ্যে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিলো। তবে আট মাস পাড় হয়ে গেলেও বিদ্যুৎ বঞ্চিত রয়ে গেছেন ঐ গ্রামের তিন শতাধিক গ্রাহক। উপজেলার তালম ইউনিয়নের গোন্তা গ্রামের এ ঘটনা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ তাড়াশ জোনাল অফিসের যোগসাজশে ইলেকট্রিশিয়ান শামিম হোসেন এবং ঐ গ্রামের নেতৃস্থানীয় মোতালেব বিএসসি, আমীর হোসেন, হায়দার আলী ও আব্দুল মালেক তিন শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে বিদ্যুৎ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কয়েক লাখ টাকা উত্তোলন করেন।
আদিবাসী বয়োবৃদ্ধ রাজকুমারী, বিধবা মমেন জান, দিনমজুর ছোবাহান আলী, শফিকুল ইসলাম, হাজেল আলীসহ আরও অনেকে জানান, অভাবের কারণে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তাদের। এর পরেও ধান দেনা করে সবাই পঁচিশ শ-তিন হাজার টাকা বিদ্যুতের জন্য দিয়েছেন। টাকা দেওয়ার এক মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ পায়নি তারা।
অভিযুক্ত আমীর হোসেন, হায়দার আলী ও আব্দুল মালেক বলেন, মিটারের জামানত ও ওয়ারিং রিপোর্ট বাবদ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এসব টাকা সব ইলেকট্রিশিয়ান শামিমকে দেয়া হয়েছে। যাদের টাকা পরিশোধ তাদের বাড়িতে মিটার লাগানো হয়েছে। তবে মোতালেব বিএসসি বলেন, তিনি একটি টাকাও হাতে নেননি। একইসঙ্গে এও বলেন, বিদ্যুৎ নিতে টাকা লাগে না, আবার টাকা ছাড়া বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না।
ইলেকট্রিশিয়ান শামিম হোসেন জানান, আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ তাড়াশ জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, টাকা উত্তোলনের বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ