ঢাকা, শনিবার 7 October 2017, ২২ আশ্বিন ১৪২8, ১৬ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নার্স নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : “১ ঘণ্টার পরীক্ষা। অথচ পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট পরেই খাতা জমা দিচ্ছেন অনেকেই। তা দেখেই বুঝতে পারলাম প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। তা না হলে ১০০টি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্ন মার্ক করে শেষ করা যায় না। পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নেয়া পরীক্ষারও প্রশ্নপত্র যদি ফাঁস হয় তাহলে কোন প্রতিষ্ঠানের ওপর বিশ্বাস রাখব। যাই হোক, কপালে যা আছে তাই হবে। চাকরি হলে হবে না হলে নাই। রাতে হাসপাতালে ডিউটি আছে, এখন গিয়ে ঘুমাবো।” পরীক্ষা শেষে হল থেকে বেরিয়ে এভাবেই সাংবাদিকদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ করে কথা বলেন বেসরকারি একটি হাসপাতালে কর্মরত নার্স।

রাজধানীর ১০টি কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ৬শ সিনিয়র স্টাফ নার্স (ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাযেন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ৩৬০০ ও মিডওয়াইফ ১০০০) বিপরীতে ১৬ হাজার ৯শ’ জন নার্স গতকাল শুক্রবার এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি অধিদফতরের অধীনে পিএসসির মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় পরীক্ষাটি।

একাধিক নার্স অভিযোগ করেন, বিভিন্ন নার্সিং হোস্টেলে গিয়ে সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে ৫০/৬০ হাজার টাকায় ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র বিক্রি হয়েছে। 

তবে এ বিষয়ে পিএসসি চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি গুজব বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি গুজব। পিএসপির কোনো পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের সম্ভাবনা নেই। অভিযোগকারী হয়তো কোনো সন্দেহের বশবর্তী হয়ে বলে থাকতে পারেন। তবে কোনো প্রশ্ন ফাঁস হয়নি।

২০ মিনিটে উত্তরপত্র জমা নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, পরীক্ষা এক ঘণ্টার। এর আগে উত্তরপত্র জমা নেয়ার কথা নয়, তবে যদি কেউ নিয়ে থাকেন তাহলে বিষয়টি দেখা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ