ঢাকা, শনিবার 7 October 2017, ২২ আশ্বিন ১৪২8, ১৬ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যান্ডে কোস্টগার্ড পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষ

খুলনা অফিস : খুলনার রূপসায় কোস্টগার্ড, পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যান্ডের পাবলিক টয়লেট এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে বলে কোস্টগার্ডের সূত্র নিশ্চিত করেছেন। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন রূপসা স্টেশনের আরওজি-১ সাজু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যান্ডের পাবলিক টয়লেট এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) তরিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল কামরুজ্জামান সাদা পোশাকে এসে অভিযানে বাঁধা দেয়। এ সময় কোস্ট গার্ডের আরওজি-১ তাদের পরিচয় জানতে চাইলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তরিকুল কোস্টগার্ডের আরওজি-১ সাজু’র পরিচয় পত্র ভেঙ্গে ফেলে বলে অভিযোগ করেছে কোস্টগার্ড। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের রূপসা স্টেশনের কনটিনজেন্ট কমান্ডার মুজিবুর রহমান সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন এবং এএসআই তরিকুল ইসলামকে জোরপূর্বক কোস্টগার্ড ভ্যানে ওঠান। এএসআই তরিকুলকে কোস্টগার্ড রূপসা স্টেশনে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কিছু লোকজন বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কনস্টেবল কামরুজ্জামান ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় কোস্টগার্ড স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। এ সময় আহত তরিকুলকে পুলিশ লাইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কনটিনজেন্ট কমান্ডার মুজিবুর রহমান বলেন, রূপসা স্টেশনের আরওজি-১ সাজু রূপসা বাসস্ট্যান্ডের পাবলিক টয়লেট এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। ফাঁড়ির এএসআই তরিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল কামরুজ্জামান সিভিল পোশাকে এসে অভিযানে বাধা দেয়। তখন আরওজি-১ সাজু তাদের পরিচয় জানতে চাইলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তরিকুল ইসলাম আরওজি-১ সাজু’র পরিচয় পত্রটি ভেঙ্গে ফেলে। সাজু বিষয়টি রূপসা স্টেশনে জানালে কনটিনজেন্ট কমান্ডার ঘটনাস্থলে আসেন এবং বিষয়টি সমাধানের জন্য তরিকুলকে রূপসা স্টেশনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ভ্যানে ওঠানো হয়। স্থানীয় লোকজন তরিকুলকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। তিনি আরো বলেন, খবর পেয়ে কোস্টগার্ড মংলা জোনের লে. হায়াত মাহমুদ এবং রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে আসেন। বিষয়টি পরবর্তীতে তদন্ত করা হবে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই তরিকুল ইসলামের সাথে ব্যবহৃত মোবাইলে যোগাযোগ করলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলামের সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ