ঢাকা, শনিবার 7 October 2017, ২২ আশ্বিন ১৪২8, ১৬ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চারঘাটের পদ্মায় বন্ধ নেই ইলিশ শিকার অভিযানের নামে নাটকের অভিযোগ

চারঘাট (রাজশাহী) সংবাদদাতা : প্রজনন মৌসুম পর্যন্ত ইলিশ সুরক্ষায় শাসনের কঠোর অভিযান থাকলেও থামছে না ‘মা ইলিশ’ ধরা। গত বুধবারও চারঘাটের বেশ কয়েকটি স্থানে অসাধু জেলেরা ইলিশ শিকার করতে দেখা গেছে। তবে চারঘাট উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানের নামে নাটক করার অভিযোগ উঠেছে।
মা ইলিশ নিধন প্রতিরোধে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত মৎস্য অভিযান চলবে। মৎস্য অধিপ্তরের লোকবল কম থাকার কারণে যথাযথ অভিযান করা সম্ভব হয় না। তদুপরি কিছু অসাধু জেলে সময় সুযোগ বুঝে মাছ শিকার করার চেষ্টা চলাচ্ছে বলে জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্ত সুভাষ চন্দ্র সাহা। চারঘাট উপজেলার মৎস্য লাইসেন্স প্রাপ্ত জেলে ১১৭৫ জন, পুকুর ৪ হাজার ৮টি, এবং শাহাপুর থেকে রাওথা পযর্ন্ত প্রায় ১৭ কি: মি: পদ্মা নদী মৎস্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু মা ইলিশ নিধন নিয়ন্ত্রণে চারঘাট মৎস্য অধিদপ্তরের অক্ষমতা প্রকাশ পেয়েছে। এ দপ্তরের দৈনন্দিন কার্য দিবস দিনের আলোর মত পরিস্কার। কিন্তু মা ইলিশ নিধন হচ্ছে বারংবার। উপজেলা মুক্তারপুরের আলাউদ্দিন, নন্দনগাছীর সুমন, মনি, রিপন, মায়েনসহ আরো অনেক জেলে এবং মৎস্য চাষীরা জানান, মৎস্য অধীদপ্তরের অনিয়মের কারনে ধ্বংস হচ্ছে ইলিস মৎস্য উৎপাদন। সংশ্লিষ্ট দপ্তর লিয়াজু মারফতে কিছু চাষিরা সুবিদা পাচ্ছে। তবে পদ্মা নদীর উপরে নির্ভরশীল লাইসেন্সপ্রাপ্ত কিছু জেলে এবং সাধারনরা রাতের অন্ধকারে মা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ শিকার করছে। যারফলে ভাবিষ্যৎ জাতীয় ইলিস মাছ উৎপাদনে ব্যহত হচ্ছে। এবিষয়ে মৎস্য সিনিয়র কর্মকর্তা সেলিম আক্তার বলেন, তাদের অভিযান তৎপরতা জোরাল আছে। থানা পুলিশ অথবা বিজিবি সহযোগিতায় গভীর রাতে মৎস্য দপ্তর কতৃর্ক অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রসঙ্গত, চারঘাট মডেল থানা ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মন বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা পুলিশের ধর্ম তবে মৎস্য রক্ষায় কেনা তা পালন হবে না। একইভাবে সীমান্ত রক্ষী বিওপি ক্যাম্প শাহাপুর, ইউসুপপুর, চারঘাট এবং গোপালপুর কমান্ডার বলেছেন, দায়িত্ব পালনে সর্বদা তারা অটল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ