ঢাকা, শনিবার 7 October 2017, ২২ আশ্বিন ১৪২8, ১৬ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

খুলনায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন

খুলনা অফিস : খুলনার দাকোপ উপজেলার লাউডোব বানিশান্তা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার স্বামী-স্ত্রীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড, প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল’র বিচারক এম এ রব হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন।
দন্ডাদেশ প্রাপ্তরা হলো-দাকোপের ঝড়খালি গ্রামের আলমগীর এবং তার স্ত্রী রানী বেগম। তারা দুই জনই পলাতক রয়েছেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাশ পাওয়া সাতজন হলো-জগদীশ মৃধা, তন্ময় মন্ডল, পিয়াস রায়, লক্ষ্মী মৃধা ওরফে অমল মৃধা, কার্তিক গাইন, মনো মন্ডল এবং বিকাশ মন্ডল। এরা রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে জানা গেছে, ২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি গভীর রাতে ধীরাজ নামে এক যুবকের সাথে ভিকটিমকে আপত্তিকর অবস্থায় পাকড়াও করে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় পুলিশ ধীরাজকে আসামী করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। কিন্তু পরবর্তীতে নির্যাতিতা জগদীশ নামের একজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে জবানবন্দি প্রদান করেন। ধর্ষণে সহযোগি অন্য আসামীরা ধীরাজকে জোর করে ওই ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে তাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করান বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তদন্ত কর্মকর্তা মামলার দায় থেকে ধীরাজকে অব্যাহতি দিয়ে নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি এনামুল হক। আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)’র ওপর দায়িত্বভার ন্যস্ত করেন। তদন্ত কমকর্তা অধিকতর তদন্তের পূর্বের রিপোর্টে থাকা আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালতের বিভিন্ন কার্যদিবসে ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জন সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ