ঢাকা, সোমবার 9 October 2017, ২৪ আশ্বিন ১৪২8, ১৮ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শাহজাদপুরে গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট ॥ বিপাকে খামারীরা

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : বন্যা কবলিত শাহজাদপুর উপজেলায় বন্যাপরবর্তী সময়গুলোতে গো-চারণভূমি ও গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। খাদ্য সংকট ও দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকায় গবাদি পশুর রোগবালাইয়ের প্রকোপও বেড়েছে। বন্যায় সম্পদ ও জীবিকা হারানো দুস্থ মানুষ গরু-বাছুর বাঁচাতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এছাড়াও সম্প্রতি কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে উপজেলার শুকিয়ে যাওয়া নিম্নাঞ্চলের ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি ডুবে গেছে গো-চারণভূমিও। কাঁচাঘাস চাষের জমি তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলার অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে গো-খাদ্য সংকট। সংশ্লিষ্টরা জানান, গো-চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় খাদ্য সংকটে পড়েছেন অনেক খামারিরা। আগে থেকে সংরক্ষণ করা খড়ও নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে বেড়ে গেছে গো-খাদ্যের দাম। দুগ্ধ গরু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন শাহজাদপুর উপজেলার অধিকাংশ খামারী। খামারীরা বলেন, কাঁচাঘাস খেতে না পাওয়ায় গরুর দুধ উৎপাদন কমে গেছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদের প্রধান কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ বলেন, খাদ্য ঘাস সংকটের কারণে বিপদে পড়েছেন শাহজাদপুর উপজেলার কয়েক হাজার খামারি। জানা যায়, ১৫ দিন আগে ৫০ কেজির এক বস্তা গমের ভুসি ১ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হ"েছ ১ হাজার ২০০ টাকায়। আগে ২৫ টাকা কেজিদরে বিক্রি হওয়া খৈল এখন বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা কেজিদরে। ৫০০ টাকার খড় এখন ক্রয় করতে হচ্ছে ৮০০ টাকায়। বেশি দাম দিয়েও প্রয়োজন মতো খড় পাওয়া যাচ্ছেনা। বন্যার কারণে গো-খাদ্যের প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বাজারে সরবরাহ সংকটও সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে বেশি দামেও প্রয়োজন মতো গো-খাদ্য পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক খামারি গো খাদ্য সংকটে শুধু কচুরিপানা খাইয়ে গরু-বাছুর বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। খাদ্য সংকটের কারণে অনেকে অল্প দামে গরু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ