ঢাকা, সোমবার 9 October 2017, ২৪ আশ্বিন ১৪২8, ১৮ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কলারোয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা-ঘাটের সংস্কার নেই

বর্ষায় কলারোয়ার সড়কগুলো ভেঙ্গে বড় বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা: বর্ষায় কলারোয়ার গ্রামগজ্ঞে সড়ক গুলো ভেঙ্গেচুরে বড় বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে টানা এক সপ্তাহের বষর্ণে যানবাহন চলাচলে রাস্তা ভেঙ্গে পিচ উঠে বড় বড় খানা খন্দকে পরিণত হয়েছে। প্রায় ৪ মাস আগে বর্ষার প্রারম্ভে কার্পেটিং ২ কিলোমিটর বাদে কলারোয়া- সরসকাটি সড়কের ১১ কিলোমিটার মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সমস্ত রাস্তা নিরবচ্ছিন্ন বড় বড় গর্তে ভরা। সন্ধার পরে তো দূরের কথা দিনের আলোয় এই রাস্তায় চলার সময় একটু অমনোযোগি হলে নিশ্চিত ভাবে গর্তে পড়ে আহত হতে হয়। এছাড়া কলারোয়া-চান্দুড়িয়া সড়কের কলারোয়া থেকে দমদম পর্যন্ত; কলারোয়া-ধানদিয়া সড়ক; কলারোয়া-বালিয়াডাঙ্গা সড়ক ভায়া লাঙ্গলঝাড়া; সোনাবাড়িয়া-বালিয়াডাঙ্গা সড়ক; সোনাবাড়িয়া-কেড়াগাছি ভায়া মাদ্রা সীমান্ত ফাঁড়ি সড়ক; গয়ড়া বাজার-সিংগা বাজার সড়ক; সোনাবাড়িয়া-বাগআঁচড়া সড়ক; কলারোয়া-কুশোডাঙ্গা সড়ক; সরসকাটি-তালুন্দিয়া সড়কের বিস্তীর্ণ অংশ বিধ্বস্থ হয়ে গেছে। রাতে তো দূরের কথা দিনের বেলা  চলতে পথচারী সাধারণ মানুষকে হোঁচট খেতে হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তর জানায়, গ্রামগঞ্জের এসব রাস্তায় লোড ক্যাপাসিটির চেয়ে বেশী ভারবাহি যানবাহন চলাচল করায় রাস্তাগুলো দ্রুত ভেঙ্গেচুরে খানাখন্দকে পরিণত হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা সড়কগুলো মাছের ঘেরের বাঁধ হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। মাছের ঘেরে কানায় কানায় পানি থাকায় এবং ঘেরে রাসায়নিক সার ব্যবহার করায় ঘেরের বাঁধ হিসাবে ব্যবহৃত রাস্তার মাটি নরম হয়ে ধসে পড়ছে। অথচ সরকারী রাস্তা ঘেরের বাঁধ হিসাবে ব্যবহারে আইনে সাজা শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে আইনের প্রয়োগ না থাকায় রাস্তা মাছ ঘেরের বাঁধ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। জমির মালিকদের রাস্তার পাশে এসে বসবাস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার হিড়িক পড়েছে। পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না রেখে রাস্তার চেয়ে উঁচু করে বাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভিটা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে বাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পানি রাস্তায় জমে থাকছে। ফলে রাস্তাগুলো দ্রুত খানা গর্তে পরিণত হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ