ঢাকা, বুধবার 11 October 2017, ২৬ আশ্বিন ১৪২8, ২০ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মাওলানা সুবহান আজহার ও কায়সারের আপিল শুনানি ২১ নবেম্বর

স্টাফ রিপোর্টার : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুস সুবহান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের আপিল শুনানির জন্য ২১ নবেম্বর দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

গতকাল মঙ্গলবার আসামী ও প্রসিকিউশন (সরকার) পক্ষের সময় চেয়ে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন-বিচারাপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

আদালতে আসামী পক্ষের ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান, এডভোকেট জয়নুল আবেদীন তুহিন ও শিশির মুহাম্মদ মনির। সরকার পক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

গত ১৬ আগস্ট মাওলানা আবদুস সুবহানের খালাস চেয়ে দায়ের করা আপিল আবেদনের শুনানির জন্য ১৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। অন্যদিকে গত ১৩ আগস্ট এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের আপিল শুনানির জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। এর ধারাবাহিকতায় এ তিনটি আপিল আবেদন গতকাল মঙ্গলবারের কার্যতালিকায় ১৫, ১৬ ও ১৭ নম্বরে ছিল।

আইনজীবী শিশির মুহাম্মদ মনির সাংবাদিকদের জানান, মামলার সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন দেশের বাইরে থাকা এবং এ মামলার প্রস্তুতির জন্য সময় চেয়ে আবেদন করলে আদালত সেটি আমলে নিয়ে ছয় সপ্তাহ সময় মঞ্জুর করেন।

২০১৫ সালের ১৮ মার্চ মাওলানা আবদুস সুবহান খালাস চেয়ে আপিল আবেদন দায়ের করেন। ট্রাইব্যুনাল মাওলানা সুবহানকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে যে রায় দিয়েছে, ওই রায়ে ৯২টি ত্রুটি সনাক্ত করে আপিল আবেদন দায়ের করা হয়।

অন্যদিকে এ টি এম আজহারুল ইসলাম খালাস চেয়ে ২০১৫ সালের ২৯ জানুয়ারি আপিল করেন। ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদন্ডের রায় ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে জাতীয় পার্টির নেতা সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার খালাস চেয়ে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। আপিলে ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিলের পাশাপাশি তাকে খালাসের আবেদন জানানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ