ঢাকা, শনিবার 14 October 2017, ২৯ আশ্বিন ১৪২8, ২৩ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ইসলামী মূল্যবোধ ধ্বংস করতেই সরকার জামায়াতকে টার্গেট করেছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মকবুল আহমাদসহ গ্রেফতারকৃত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি কামনায় গতকাল শুক্রবার (১) ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম ও (২) জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও মহানগরী দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত আমীর এডভোকেট হেলাল উদ্দিন -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর, সেক্রেটারি জেনারেলসহ আটক শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তি, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় রাজধানীসহ সারা দেশে দোয়া দিবস পালন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার আয়োজিত দোয়া মাহফিলে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহা. রেজাউল করিম বলেছেন, সরকার দেশ থেকে ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ ধ্বংস করতেই জামায়াতে ইসলামীকে বিশেষভাবে টার্গেট করেছে। সেই গভীর ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় আমীর জামায়াত ও বয়োবৃদ্ধ জাতীয় নেতা মকবুল আহমাদ, নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে হয়রানি করা হচ্ছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে অতীতে কখনো ইসলামের অগ্রযাত্রা রোধ করা যায়নি। তিনি আমীরে জামায়তসহ আটক নেতৃবৃন্দের মুক্তি, সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। 

রাজধানীর একটি মিলনায়তনে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচী ‘দোয়া দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য নাজিম উদ্দীন মোল্লা ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য ডা. ফখরুদ্দীন মানিক প্রমুখ।

ড. এম আর করিম বলেন, সরকার দেশকে বিরোধী দলমুক্ত ও একদলীয় বাকশালী শাসন কায়েম করতেই ফরমায়েসী বাদী, সাজানো সাক্ষী, কাল্পনিক অভিযোগে সাজানো মামলায় সাবেক আমীরে জামায়াত ও বিশ^বরেণ্য আলেমে দ্বীন মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আব্দুল কাদের মোল্লা এবং সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে। সরকারের বিরাজনীতিকরণের অংশ হিসেবেই জনপ্রিয় বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের নামে হাজার হাজার মিথ্যা, বানোয়াট ও যোগসাজশী মামলা দিয়ে তাদেরকে বছরের পর বছর ধরে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। রিমান্ডের নামে এসব নেতাকর্মীদের ওপর চালানো হয়েছে লোমহর্ষক ও অবর্ণনীয় নির্যাতন। কিন্তু সরকার বিরোধী দল নির্মূলের জন্য যতই জুলুম-নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে, জনতার প্রতিরোধও ততই শানিত হচ্ছে। তাই জামায়াতের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র সফল হবে না বরং তা সরকারের জন্যই বুমেরাং হবে-ইনশা আল্লাহ।

তিনি বলেন, সরকার দেশ পরিচালনায় সার্বিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। দেশের মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নেই। সরকারের জুলম-নির্যাতন, হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড, গুম, অপহরণ ও গুপ্তহত্যায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে অবৈধ সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে ক্ষমতা হারানোর প্রহর গুণছে। তারা জনগণের শক্তির ওপর আস্থা হারিয়ে দেশকে পুলিশী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়ার পরিবর্তে নিজেরাই জননিরাপত্তায় বিঘœ সৃষ্টি করছে। তারা রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করতেই রাষ্ট্রের সকল অঙ্গকে দলীয়করণ করে ফেলেছে। ধবংস করা হয়েছে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ। দেশের বিচারবিভাগকে সরকারের আজ্ঞাবাহী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। প্রধান বিচারপতির সাথে সরকারের ঘৃণ্য আচরণ সে কথায় স্মরণ করিয়ে দেয়। কিন্তু এসব করে জুলুমবাজ ও স্বৈরাচারী সরকারের শেষ রক্ষা হবে না বরং ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় সরকারকে লজ্জাজনকভাবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের দোয়া মাহফিল: জামায়াতে ইসলামীর আমীর মকবুল আহমাদ, নায়েবে আমীর সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিনের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুলসহ সকল কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তি কামনায় কেন্দ্র ঘোষিত দোআ দিবসের অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে এবং মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে নগরীর একটি মিলনায়তনে দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোআ মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য আ.জ.ম রুহুল কুদ্দুস। আরো উপস্থিত ছিলেন ডেমরা থানা আমীর হাফিজুর রহমান, ডেমরা থানা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী, মাকসুদুর রহমান, আলী হোসেন সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে ড. হেলাল বলেন, সরকার রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার হীন উদ্দেশ্যেই অন্যায়ভাবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করেছে। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের একটি বৈধ, আইনানুগ ও জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল। অথচ সরকার জামায়াতকে কোন ধরণের সাংগঠনিক তৎপরতা চালাতে দিচ্ছে না, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের অফিসগুলো বেআইনীভাবে বন্ধ করে রেখেছে এমনকি ঘরোয়া বৈঠক গুলোতেও হানা দিয়ে গ্রেফতার ও হয়রানি করছে। জামায়াতে ইসলামীকে সাংগঠনিক তৎপরতা এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে না দিয়ে সরকার এ দেশের মানুষের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক মৌলিক অধিকার হরণ করছে এবং জনগনের কন্ঠরোধ করার বে-আইনি প্রচেষ্ঠা চালাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সরকার জনগণকে দেওয়া ১০ টাকার চাল, ঘরে ঘরে চাকরিসহ অন্যান্য প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয়ে জনগনের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানোর জন্যই জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করেছে। তিনি অবিলম্বে জামায়াতের আমীর ডায়েবেটিকসসহ জটিল রোগে আক্রান্ত ৯০ বছরের বর্ষীয়ান জননেতা মকবুল আহমাদ এবং সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান, মহানগরী দক্ষিণের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুলসহ সকল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন।

 দোআ অনুষ্ঠানে মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে অশ্রুসিক্ত নয়নে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে দোআ করা হয়। এসময় এক আবেগময় পরিবেশের অবতারণা হয়। এছাড়াও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের বিভিন্ন থানার উদ্যোগে রাজধানীতে দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের বিভিন্ন থানায় দোয়া মাহফিল

আদাবর থানা: আদাবর থানার উদ্যোগে স্থানীয় একটি মিলনায়তে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর ডা. শফিউর রহমানের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা। উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রটারি আব্দুল হান্নানসহ স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা বলেন, সরকার নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেই বিরোধী দলের ওপর দলন-পীড়ন চালাচেছ সে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই বর্ষীয়ান জননেতা ও আমীরে জামায়াত মকবুল আহমদ সহ শীর্ষনেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। কিন্তু সরকারের সে স্বপ্নবিলাস কখনোই সফল হবে না। তিনি সরকারকে টালবাহানা পরিহার করে অবিলম্বে আমীরে জামায়ত সহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় সরকারকে গণরোষের মুখোমুখি হতে হবে।

 মোহাম্মদপুর থানা: মোহাম্মদপুর থানার উদ্যোগে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা এডভোকেট আজহার মুন্সী, আ স ম ফারুক ও ছাত্রনেতা আব্দুর রহীম প্রমূখ। পরে আমীরে জামায়তসহ আটক নেতৃবৃন্দের মুক্তি, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামানায় দোওয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

 দোয়া পূর্ব বক্তব্যে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন বলেন, সরকার বিরোধী দল নির্মূলের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই আমীরে জামায়াত ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক মকবুল আহমদসহ শীর্ষনেতৃবৃন্দকে আটক করে রিমান্ডের নামে নাজেহাল করছে। কিন্তু দেশপ্রেমী জনতা সরকারের সে ষড়যন্ত্র কখনো মেনে নেবে না। তিনি সরকারকে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি পরিহার করে অবিলম্বে আমীরে জামায়াত সহ শীর্ষ নেতৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। 

রমনা থানা: রমনা থানার উদ্যোগে মগবাজারে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর ড. আহসান হাবিবের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর এম জে রহমান, সেক্রেটারি এম এ রহমান, জামায়াত নেতা সুলতান মাহমুদ ও ছাত্রনেতা নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

কাফরুল থানা: কাফরুল থানার উদ্যোগে নগরীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জামায়ত-শিবির নেতৃবৃন্দ।

রামপুরা থানা: রামপুরা থানার উদ্যোগে থানা আমীরের পরিচালনায় স্থানীয় একটি মিলনায়তনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা এস ইসলাম, এ এম পাটোয়ারী, এফ এইচ ফজলু, ইঞ্জিনিয়ার এ রশিদ, অধ্যাপক আব্দুল হালিম, এ হাদী, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, এম শামীম ও এস এম মনির প্রমুখ।

মিরপুর পূর্ব: মিরপুর পূর্ব থানার উদ্যোগে নগরীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আব্দুল্লাহ জোবায়েরের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা ফিরোজ, মোবারক, মনোয়ার ও রাকিব প্রমূখ।

 তেজগাঁও থানা: তেজাগাঁও থানার উদ্যোগে থানা আমীরের পরিচালনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর, সেক্রেটারিসহ স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতৃবৃন্দ।

তুরাগ থানা: তুরাগ থানার উদ্যোগে ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য ও ওলামা বিভাগের সভাপতি হাফেজ মাওলানা ফারুক পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন থানা আমীর মেসবাহ উদ্দীন নাঈম, থানা সেক্রেটারি গাজী মনির হোসাইনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। 

বিমানবন্দর থানা: কাওলা বাজারে কলোনী ওয়ার্ডের উদ্যোগে উত্তরা জোনের সহকারি পরিচালক আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারি এনামূল হক শিপন, জামায়াত নেতা হামিদ হোসাইন আযাদ ও মাহবুবুল ইসলাম দিদার সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। 

হাজীক্যাম্প ওয়ার্ডের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন থানা এডভোকেট ইব্রাহিম খলিল, থানা সেক্রেটারি এনামুল হক শিপন, জামায়াত নেতা আবুল হাসেম ও সুজাউল হক সুজন সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

আসকোনা ওয়ার্ডের উদ্যোগে থানা আমীর এডভোকেট ইব্রাহীম খলিলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা মনিরুল হক, একরামুল হক ও ইঞ্জিনিয়ার রুহুল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

উত্তরা পশ্চিম থানা: উত্তরা পশ্চিম থানার উদ্যোগে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও থানা আমীর এডভোকেট বেলায়েত হোসেন সুজার সভাপতিতে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা জোনের সহকারি পরিচালক মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ, থানা সেক্রেটারি শাহজাহান, জামায়াত নেতা এ কে এম নূর, মো. ইসহাক, মাওলানা হারুন অর রশীদ ও তারেক প্রমূখ। মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট প্রকৌশলী শফি উদ্দীন আহমদ। 

উত্তরা পূর্ব থানা: ৬ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে থানা সেক্রেটারি এভোকেট মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা আনোয়ার হোসেন মোল্লা সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। 

দক্ষিণখান: জামায়াত নেতা কামাল উদ্দীনের পরিচালনায় দক্ষিণখান থানার উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম ও মাওলানা মো. আব্দুস সাত্তার প্রমূখ।

এছাড়াও গুলশান, ভাষানটেক ও বানানী থানার উদ্যোগে আমীরে জামায়াত সহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মু্িক্ত, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের বিভিন্ন থানায় দোয়া

খিলগাঁও থানা: খিলগাঁও থানায় দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। খিলগাঁও থানা জামায়াতের সুরা সদস্য আব্দুর রহমান সাজুর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিনের মজলিসে শূরা সদস্য বর্ষীয়ান মোঃ সালেহ আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ ইলিয়াস মৃধা, থানা সুরা সদস্য মোহাম্মদ নাসিরুল্লাহ, ছাত্রশিবিরের সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক আশরাফুল আলম ইমনসহ খিলগাঁও থানার বিভিন্ন ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারিবৃন্দ।

মতিঝিল থানা: মতিঝিল থানা আমীর ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে সকালে দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোআ মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর সিরাজুল ইসলাম, থানা সেক্রেটারি মুতাসিম বিল্লাহ, শামসুল বারী, জসিমুল হক পাটোয়ারী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

পল্টন থানা: পল্টন থানা সেক্রেটারি নুর মোহাম্মদ মন্ডলের সভাপতিত্বে সকালে দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোআ মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন কর্মপরিষদ সদস্য ওমর ফারুক, মামুনুর রশিদ, ইউনুস আলীসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

রমনা থানা দক্ষিণ: রমনা থানা দক্ষিনে সকালে দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা সেক্রেটারি আবদুস সাত্তার সুমনের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মাহানগরী দক্ষিণের মজলিশ ই শূরা সদস্য ও থানা আমির মাহাবুবুর রহমান। বক্তব্য রাখেন থানা শূরা ও কর্মপরিষদ আতিকুর রহমান, আমিরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা মোকতাদুল হক, নূরে আলম প্রমুখ।

শাজহানপুর থানা: থানা আমীর ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য শামসুর রহমানের সভাপতিত্বে সকালে দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোআ মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন সরোয়ার হোসেন, হাসান মাহফুজ, শহিদুল ইসলাম সহ থানার বিভিন্ন ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারি বৃন্দ।

 কোতয়ালি থানা: কোতয়ালি থানার উদ্যোগে স্থানীয় একটি মসজিদে জুমার নামাজের পর আমীরে জামায়াতসহ সকল নেতা-কর্মীর মুক্তির দাবীতে এক দোয়া অনুষ্ঠান থানা আমীর আবু আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারি এ কে নাঈম, জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, নূরে আলম, আলাউদ্দিন, ইসমাইল, শাহজাহান, বেলাল, মাসুম, আমীর হোসেন, ছাত্রনেতা তানভীর আহমেদ, তাসলিম আলম, মুহিব্বুল্লাহ মুহিব, সাইদুল ইসলাম প্রমুখ।

সিলেট ব্যুরোঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সিলেট মহানগরীর আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন- বাংলাদেশে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন ও ইসলামী নেতৃত্ব চরম ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করছে। ইসলামী আন্দোলনকে বাধাগ্রস্থ করতেই আমীরে জামায়াত মকবুল আহমদ, সেক্রেটারি জেনারেল ডা: শফিকুর রহমান সহ জাতীয় নেতৃবৃন্দকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও রিমান্ডের নামে নির্যাতন চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতাসীন ইসলাম বিদ্বেষী অবৈধ সরকারের সীমাহীন জুলুমের শিকার। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন মজলুমদের দোয়া ফিরিয়ে দেন না। তাই মজলুমদের বেশী বেশী করে আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে হবে। যে মাটিতে নিরপরাধ শীর্ষ জামায়াত নেতৃবৃন্দের রক্ত ঝরেছে সে মাটিতে ইসলামী আন্দোলন সফল হবেই, ইনশাআল্লাহ। ওলী আউলিয়ার এদেশ ইসলামের জন্য উর্বর ভুমি। আমীরে জামায়াত-সেক্রেটারি জেনারেলসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার নির্যাতন চালিয়ে এদেশে ইসলামী আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না। সময়ের ব্যাবধানে সকল জুলুম, অন্যায় ও অবিচারের বিচার বাংলার মাটিতে হবেই। শত শত মজলুম মানুষের মোনাজাত ও চোখের পানিতে জালিম সরকারের মসনদ ভেসে যাবে ইনশাআল্লাহ। 

তিনি গতকাল শুক্রবার জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী দোয়া দিবস কর্মসুচীর অংশ হিসেবে আমীরে জামায়াত মকবুল আহমদ ও সেক্রেটারি জেনারেল ডা: শফিকুর রহমান সহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত দোয়া মাহফিল পুর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। সিলেট মহানগর জাময়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সোহেল আহমদের পরিচালনায় বাদ আসর নগরীর একটি মসজিদে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মহানগর জামায়াত নেতা মো: আব্দুর রব, মুফতী আলী হায়দার, ক্বারী আলা উদ্দিন, মু. আজিজুল ইসলাম, মাহমুদুর রহমান দিলোয়ার ও ইসলামী ছাত্র শিবির সিলেট মহানগর সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

মাহফিলে-আমীরে জামায়াত মকবুল আহমদ, নায়েবে আমীর মিয়া গোলাম পারওয়ার, সেক্রেটারি জেনারেল ডা: শফিকুর রহমান সহ কারান্তরীন জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি, এদেশের ইসলামী আন্দোলনের সফলতা ও দেশ-জাতির কল্যান-শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ।

চট্টগ্রাম : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীরে জামায়াত মকবুল আহমদ,নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার,সেক্রেটারি জেনারেল ডাক্তার মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ জাফর সাদেকসহ গ্রেফতারকৃত কেন্দ্রীয় এবং সারাদেশের নেতা-কর্মীদের নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত তিনিদিন ব্যাপী কর্মসূচীর তৃতীয় দিনে দোয়া দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিভিন্ন থানায় থানায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

 দোয়া মাহফিলে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার জামায়াতকে নেতৃত্ব শূন্য করে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার ষড়যন্ত্র করে নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। জেল,জুলুম ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হত্যা করে ইসলামী আন্দোলনকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। সরকার সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে জামায়াত আমীর মকবুল আহমদসহ চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান,সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আমীরে জামায়াত মকবুল আহমদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ,চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ সারাদেশে গ্রেফতারকৃত নেতা-কর্মীদের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানান।

জামায়াতে ইসলামী সদরঘাট থানার উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন,চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ্। থানা জামায়াতের সেক্রেটারি এম.এ.গফুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামায়াত নেতা ফজলে এলাহি শাহীন, আব্দুল মতিন, আক্তার হোসেন,সরওয়ার জাহান সিরাজী ও মোহাম্মদ ইব্রাহীম প্রমুখ।

জামায়াতের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে ডবলমুরিং থানা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, নগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ডা: মুহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান। থানা আমীর এম.এফ. আযমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন, থানা জামায়াত নেতা মোহাম্মাদ লোকমান, রায়হান মাহমুদ, আমিনুল ইসলাম ও ময়েজ উদ্দীন প্রমুখ। 

 দেওয়ান বাজারস্থ বাংলাদেশ ইসলামিক একাডেমি জামে মসজিদের জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া প্রার্থনা করা হয়। উক্ত দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মসজিদের মুহতারাম খতিব সাহেব। এতে মসজিদের মুসল্লীগণসহ উপস্থিত ছিলেন, জনাব মো: এ.বি.ছিদ্দিক, এম. নাজিম উদ্দিন, এড্যাডভোট এহতেশামুল হক, আব্দুল মতিন ও ইউসুফ খান প্রমুখ। 

পাহাড়তলী থানা জামায়াতের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় থানা আমীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে। উক্ত দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন, হযরত মাওলানা ড: এ.বি.এম মফিজুল হক।

 কোতোয়ালী উত্তর থানা শাখার উদ্যোগে জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তির জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় থানা আমীর মোহাম্মদ আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে। উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, থানা সেক্রেটারি আমির হোসাইন, মাসুম, আব্দুজ জাহের ও মোহাম্মদ শাহ আলম প্রমুখ।

পতেঙ্গা থানা জামায়াতের উদ্যোগে মাওলানা আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে,ইপিজেড থানায় আলহাজ¦ এম. এস.হকের, বন্দর থানায় মুহাম্মদ জোবায়ের, হালিশহর থানায় আবু শাফায়াত, আকবরশাহ থানায় এম. এ. হান্নানের,খুলশী থানায় এম.এ.কাদেরের, চান্দগাঁও থানায় আবু জাওয়াদ,বায়েজিদ থানায় এম.জাকির হোসেন ও পাঁচলাইশ থানায় অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, জামায়াত নেতৃবৃন্দকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি,চরম মানবাধিকার লংঘন করেছে সরকার। জামায়াত নেতৃবৃন্দ বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ। কোন গণতান্ত্রিক দেশে এ ধরণের আচরণ কোন মতেই কাম্য নয়। সরকার কোন ব্যক্তি বা দলকে তাদের গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক এবং নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না। জামায়াত নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ সকল কেন্দ্রীয় ও সারাদেশে গ্রেফতারকৃত নেতা-কর্মীদের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জনান।

রাজশাহী অফিস : আমীরে জামায়াত মকবুল আহমেদ, নায়েবে আমীর সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার, সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানসহ ৯ জাময়াত নেতাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও রিমান্ডে নেয়ার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর দেশব্যাপী কর্মসূচীর তৃতীয় দিনে জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরী শাখা ও নগরীর রাজপাড়া, বোয়ালিয়া, শাহমখদুম, মতিহার ও পবা থানার উদ্যোগে মসজিদে মসজিদে দোয়ার কর্মসূচী পালন করা হয়।

মহানগরীর দোয়া মাহফিলে নগর নেতৃবৃন্দ বলেন, কোন অভিযোগ ছাড়াই উস্কানীমূলকভাবে জমায়াতে ইসলামীর শীর্ষ ৯ জন নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অথচ ক্ষমতাসীন দল আ’লীগ চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে। প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়াসহ অসংখ্য ঘটনা পুলিশের সামনেই ঘটছে। এমনকি তারা পুলিশ সদস্যদের পর্যন্ত ছুরি মেরে আহত, কান ধরে উঠবস করাচ্ছে। তারপরেও সরকারী দলের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার না করে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর নেতা কর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুলসহ মহানগরীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও গত ৯ তারিখ আমীরে জামায়াত, সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর এতে পুলিশ প্রশাসনের কতিপয় সদস্য আ’লীগের দলীয় কর্মীর মত কাজ করছে। প্রশাসনের এসব সদস্যের প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড দেশের পরিবেশকে কেবল অশান্তই করে তুলবে।

 নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জামায়াতে ইসলামীর গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে বাধা প্রদান থেকে দুরে থাকার ও গ্রেফতারকৃত সকল নেতা-কর্মীর মুক্তির জোর দাবি জানান।

বরিশাল অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসমীর কেন্দ্র ঘোষিত দোয়া দিবস বরিশালে পালিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোঃ মকবুল আহমেদ, নায়েবে আমীর অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার ও সেক্রেটারি জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমানসহ আটক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সুস্থতা কামনায় দোয়া এই দোয়া দিবস ঘোষণা করা হয়। বরিশাল মহানগরী জামায়াতের ৯টি সাংগঠনিক থানায় এই দোয়ার কর্মসূচী পালন করা হয়। 

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বরিশাল মহানগরীর দোয়ার কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওঃ মতিউর রহমান। দোয়া পূর্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমীর জননেতা মকবুল আহমেদ অত্যন্ত বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ। জালিম সরকার বিনাকারণে তাকেসহ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে অমানবিক নির্যাতন করছে। বিনা অপরাধে আটক করে সরকারের নির্দেশে মিথ্যা মামলা দিয়ে নেতৃবৃন্দের উপর যে জুলুম অত্যাচার চালানো হচ্ছে তা মধ্যযুগীয় বর্বরতার চেয়েও ভয়ানক। আমরা জালিম শাহির এই সিমাহীন অত্যাচার থেকে বাঁচতে মহান আল্লাহর দরবারে সাহায্য কামনা করবো। কারণ জালিম রা যতই যতই নির্যাতন করুক মহান আল্লাহর সাহায্য ও রহমত বিদ্যমান থাকলে সকল অত্যাচার নিস্ফল হবে ইনশাআল্লাহ। 

এসময় তিনি আরো বলেন, নিরাপরাধ নেতাকর্মীদের বিনা করণে আটক করে তাদের উপর জুলুম নির্যাতন করা হচ্ছে। আমরা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি চাই। তাদের মুক্তি দেওয়া না হলে এই জুলুমবাজ সরকারকে ভয়াবহ পরিনতি ভোগ করতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ এই জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ, সময় হলে আপনাদের সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। আলোচনা শেষে আটক নেতৃবৃন্দসহ সকলের সুস্থতা ও মুক্তির জন্য দোয়া করা হয়।

নীলফামারী সংবাদদাতা ঃ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি কামনায় এবং কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শুত্রবার বিকেলে নীলফামারীতে দোয়া দিবস পালিত হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী শহর শাখার উদ্যোগে শহরের বাঁশিহারা মসজিদে দোয়া দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। শহর আমীর এ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মনিরুজ্জামান মন্টু, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান আযাদ, জেলা জামায়াত নেতা এ্যাডভোকেট আমানউল্লাহ, নায়েবে আমীর অধ্যাপক মোহাম্মদ মুসা প্রমুখ।

কুমিল্লা অফিস : ঊাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মকবুল আহম্মেদ ও সেক্রেটারি জেনারেল ডা.শফিকুর রহমানসহ শীর্ষ নেতৃবৃদের মুক্তি কামনায় দোয়ার মাহফিল করেছে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী।

গতকাল সকাল ৬ টার দিকে স্থানীয় এক অডিটরিয়ামে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবর রহমানসহ আরো অনেকে।

জয়পুরহাট সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে জয়পুরহাট শহর ও সদর উপজলো শাখার যৌথ উদ্যোগে আমীরে জামায়াত ও সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় সকল নেতৃবুন্দদের আশু মুক্তি কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বাদ জুম্মাহ এ দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের আমীর ডা: ফজলুর রহমান সাঈদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন শহর জামায়াত আমীর,সদর উপজেলা আমীর ও সেক্রেটারি, জেলা ছাত্রশিবিরি নেতাকর্মীসহ অন্যান্য জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা ।

 দোয়া পূর্ব সমাবেশে জেলা জামায়াত আমীর অন্যায় ভাবে সারাদেশে জামায়াত নেতাকর্মী গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান, সেই সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অবিলম্বে জামায়াত নেতাকর্মীদের মুক্তিরও দাবি জানান।

নোয়াখালী সংবাদদাতা: আমীরে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেলসহ গ্রেপ্তারকৃত সকল নেতৃবৃন্দের মুক্তি কামনায় দোয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নোয়াখালীর সোনাইমড়ী উপজেলা জামায়াত।

উপজেলা আমীর হানিফ মোল্লার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ মাও:সাইয়েদ আহমদ। অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ও শিবির নেতৃবৃন্দ আলোচনা রাখেন।

টাংগাইল সংবাদদাতাঃ গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীরসহ নেতৃবৃন্দের মুক্তির লক্ষ্যে স্হানীয় এক মিলনায়তনে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। টাংগাইল শহর জামায়াতের 

উদ্যোগে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন শহর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন জেলা আমীর জনাব আহসান হাবীব মাসুদ।অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর পূর্ব আমীর শহিদুল ইসলাম,জহির উদ্দিন বাবর প্রমুখ।

কক্সবাজার সংবাদদাতা : কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার কক্সবাজারে পাঁচ শতাধিক স্থানে দোয়া কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আমীর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মকবুল আহমাদ, নায়েবে আমীর সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানসহ আটককৃত শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তি কামনায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে কক্সবাজার শহর, সদর, সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়া, চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, কুতুবদিয়াসহ জেলার বিভিন্নস্থানে শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তি কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে জামায়াতে ইসলামী ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মুসল্লিগণ দোয়া মুনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

রংপুর : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর জননেতা মকবুল আহমেদ সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের অন্যায়ভাবে ভাবে গ্রেফতার ও রিমান্ডের নামে নির্যাতনের সরকারী ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে রংপুর মহানগর জামায়াতের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

কোতয়ালী সাংগঠনিক থানার দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগরের ভারপ্রাপ্ত আমীর শাহ মুহাঃ নূর হোসাইন ও কোতয়ালী থানা আমীর এ্যাডঃ কাওছার আলী।

মাহিগঞ্জ সাংগঠনিক থানার দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগরের সেক্রেটারী অধ্যাঃ আনোয়ারুল ইসলাম ও মাহীগঞ্জ থানা আমীর কে এম আনোয়ারুল হক কাজল।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মহান আল্লাহ পাকের দরবারে জালিম সরকারের রোষানলের হাত থেকে আমীরে জামায়াত সহ সকল নেতা কর্মীদের হেফাজতের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করেন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি কামনা করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ