ঢাকা, শনিবার 14 October 2017, ২৯ আশ্বিন ১৪২8, ২৩ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ঘড়ি মেরামতকারী সেই ছেলেটি

হাফিজ ইকবাল : ইসলাম শুধুমাত্র আচার-অনুষ্ঠান সর্বস্ব কোন ধর্ম নয়, বরং পরিপূর্ণ জীবন বিধান। একথা উদাত্ব কণ্ঠে যিনি সারাটি জীবন ঘোষণা করেছিলেন তিনি হলেন আমাদের প্রিয় মানুষ ও ব্যক্তিত্ব শহীদ শায়খ হাসানুল বান্না।
মিসরের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও মুসলিম ব্রাদারহুড বা ইখওয়ানুল মুসলিমিন আন্দোলনের নেতা হাসানুল বান্না ১৯০৬ সালের ১৪ই অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আব্বা আবদুর রাহমান আল বান্না একজন উঁচু মাপের ইসলামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন যিনি জীবিকার তাগিদে ঘড়ি মেরামত করতেন। হাসানুল বান্নাও পড়াশুনার পাশাপাশি ঘড়ি মেরামতের কাজ করতেন। বিদূষা ও পরহেজগার ফাওজিয়েহ আমিন বাইক ছিলেন এই প্রিয় ব্যক্তিত্বের জননী। তাঁর পুরো নাম ছিল শেখ হাসান আহমদ আবদুর রহমান মুহাম্মাদ হাসানুল বান্না।
আট বছর বয়সে শহীদ শায়খ হাসানুল বান্নার আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন শুরু হয় মাদ্রাসা আর রাশাদ আদ দীনিয়াহ নামক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। একই সাথে তিনি আল কুরআন হিফয করতে থাকেন ও মাত্র ১৪ বছর বয়সে সমগ্র কুরআন হিফয করেন।
কিছুকাল পর তিনি মাহমুদিয়ার মাধ্যমিক স্কুলের ছাত্র হন। বছর খানেকের মধ্যেই শহীদ হাসানুল বান্না দামানহুর টিচার্স ট্রেনিং স্কুলে ভর্তি হবার সুযোগ পান। এই স্কুলে লেখাপড়া কালে তিনি দামানহুরের বিশিষ্ট ইসলামী ব্যক্তিদের নিকট যাতায়াত করতেন। তাঁদের কাছ থেকে তিনি দীনের তালিম হাছিল করেন। এই সময় ব্যাপকভাবে ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়নের দিকেও তিনি মনোযোগ দেন।
টিচার্স ট্রেনিং ডিপ্লোমা পরীক্ষায় তিনি তাঁর স্কুলে প্রথম ও সারাদেশে পঞ্চম স্থান অধিকার করেন।
অতঃপর তিনি কায়রো যান এবং আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দারুল উলুমে ভর্তি হন। এই সময় তাঁর আব্বা সপরিবারে মাহমুদিয়া থেকে কায়রোতে স্থানন্তরিত হন।
কায়রোতে অবস্থানকালে শহীদ শায়খ হাসানুল বান্না মিসরের অন্যতম সেরা ইসলামী ব্যক্তিত্ব শায়খ মাহমুদ কর্তৃক পরিচালিত জামিয়াতুল মাকারিমিল আখলাক আল ইসলামিয়াহ নামক সংস্থার সদস্য হন। এখানে তার আমর বিল মা’রূফ ওয়া নাহি আনিল মুনকার (সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ) তৎপরতার হাতেখড়ি।
১৯২৭ সনের জুলাই মাসে দারুল উলুম থেকে তিনি ডিপ্লোমা লাভ করেন। এখানেই তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষা জীবনের সমাপ্তি ঘটে।
সাংসারিক জীবনে তিনি ছয়কন্যা ও দুই পুত্রের জনক ছিলেন। তাঁর কন্যাগণ হলেন ওয়াফা, সানায়া, রেজায়া, হেলা, ইস্তিশহাদ ও সাফা। তিনি জীবিত অবস্থায় সাফা মৃত্যুবরণ করেন। আহমেদ সাইফ আল-ইসলাম ও মুহাম্মদ হুসাম আদ্-দ্বীন তাঁর দুই পুত্র। তবে ছোট ছেলে মুহাম্মদ হুসাম আদ্-দ্বীনও তাঁর জীবতকালে মৃত্যুবরণ করেন।
কর্মজীবনে তিনি শিক্ষকতার পেশাকেই বেছে নিয়েছিলেন। ইমাম খোমেনী ও অন্যান্য নেতাগণও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ছিলেন। মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো যারা ছড়াতে থাকতেন তারাই সমাজকে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতেন। শহীদ হাসানুল বান্না ইসমাইলিয়াতে সরকারী শিক্ষক হিশেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। একসময় তিনি ইসমাইলিয়া থেকে কায়রোতে বদলী হন।
হাসানুল বান্নার ইসমাইলিয়া থেকে কায়রোয় স্থানান্তরিত হওয়ায় দাওয়াতী তৎপরতা এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করে। কিছু কিছু লোক ইখওয়ানুল মুসলেমুনকে রাজনৈতিক দল আখ্যা দিয়ে তার দাওয়াতী কাজের বিরোধিতা করেন। তাদেরকে লক্ষ্য করে হাসানুল বান্না বলেন, ‘‘কিছু লোক বলে থাকে, ইখওয়ানুল মুসলেমুন একটি রাজনৈতিক দল এবং তাদের আহবান রাজনৈতিক আহ্বান আর তাদের এই আহবানের পেছনে অন্য কিছু লুকিয়ে আছে। আমরা বুঝতে পারিনা যে, আমাদের সম্প্রদায় কোন ভিত্তিতে এই অপবাদ প্রচারে লিপ্ত। তারা কল্পনা ও অনুমান নির্ভর হয়ে এসব বলে এবং সত্য পথ পরিহার করে সংশয় ও সন্দেহপূর্ণ পথ অবলম্বন করে।’’
শহীদ হাসানুল বান্নার জীবনের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা:
* বান্না ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ শাসন-বিরোধী বিপ্লব ও বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন।
* যৌবনের প্রথমদিকে তিনি একটি সূফী ধারার অনুসারী হয়েছিলেন।
* ১৯২৮ সালে তিনি গঠন করেন সংগ্রামী দল মুসলিম ভ্রাতৃসংঘ বা ব্রাদারহুড আন্দোলন। এই মিটিংয়ে আগত ছয়জন ব্যক্তি হচ্ছেন-
১. হাফিয আবদুল হামীদ, ২. আহমাদ আল হাসরী, ৩. ফুয়াদ ইবরাহীম, ৪. আবদুর রাহমান হাসবুল্লাহ, ৫. ইসমাইল ইযয ও ৬. যাকী আল মাগরিবী।
* ১৯৩৩ সনে শায়খ হাসানুল বান্নার আহ্বানে কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয় আল ইখওয়ানের প্রথম সাধারণ সম্মেলন।
* ১৯৩৯ সনের জানুয়ারী মাসে শায়খ হাসানুল বান্নার আহ্বানে আল ইখওয়ানের পঞ্চম সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কায়রোতে।
* ইসলামকে সবার নিকট উপস্থাপনের জন্য তিনি মহিলাদেরকে নিয়ে আখওয়াত আল মুসলিমাত নামক সংগঠন গড়ে তোলেন।
* ১৯৪১ সনে শায়খ হাসানুল বান্না আল ইখওয়ানের ষষ্ঠ সাধারণ সম্মেলন আহ্বান করেন। এই সম্মেলন কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়।
উপযুক্ত ঘটনাবলী ছাড়াও সে সময়কার শাসকগণের সাথে সাক্ষাৎ, ইখওয়ানের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে অবহিতকরণ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ, নানা নিষেধাজ্ঞা, মামলা, গ্রেফতারী পরোয়ানা, প্রধান কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ইত্যাদি ঘটনাগুলো ঘটেছিল। প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ সাইয়্যেদ কুতুদ তাঁর আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন।
মুসলিমদের দুশমন ব্রিটিশরা জাতিসংঘের মাধ্যমে ফিলিস্তিনে ইহুদি বসতি স্থাপন করে। ইখওয়ান যেহেতু সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে এক করে দেখতো তাই ফিলিস্তিনিদের এ রকম চরম দুর্দিনে তারা হাত গুটিয়ে বসে থাকল না। ইখওয়ানের স্কাউট সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় বিশেষ টিম। যে টিম বা বাহিনীতে ছিল প্রাক্তন সেনা অফিসার। মুসলিম ভাইদের বাঁচাতে ও ইহুদিদের হঠাতে সেই টিমকে পাঠানো হয়েছিল ফিলিস্তিনে।
১৫ই মে ১৯৪৮ সালে ইখওয়ানের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী আরব সেনাবাহিনীর সাথে ফিলিস্তিনে সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করেন। ফলে আমেরিকা ও বৃটেনের ইহুদী পত্রিকাগুলো সোচ্চার হয়ে ওঠে এবং কতিপয় দূতাবাস কনফারেন্স করে নাকাশী পাশা কর্তৃক ইখওয়ানকে অবৈধ ঘোষণা করার দাবি উত্থাপন করে। নাকাশী পাশা প্রভুদের সন্তুষ্টি অর্জনের খাতিরে ৮ ডিসেম্বর ১৯৪৮ সালে ইখওয়ানকে অবৈধ ঘোষণা করেন। ইখওয়ান নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পর এর হাজার হাজার কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। জেল-যুলমের মাধ্যমে ইখওয়ানকে রোধ করা যাবে না বলে শাসকগোষ্ঠী শঙ্কিত হয়। যালিমরা ইখওয়ানের প্রাণশক্তি বিপ্লবী নেতাকে গ্রেফতার না করে হত্যার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। মিসর ত্যাগ করতে তাকে প্রশাসনিকভাবে বাধা দেয়া হয়, এমনকি দেশের ভিতরেও সরকারের অনুমতি ছাড়া তার চলাফেরার উপর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। এই প্রখ্যাত নেতাকে আখ ক্ষেতে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছিল।
কোনো আদর্শিক আন্দোলন সাহিত্য ও পত্রিকা ছাড়া টিকে থাকতে পারে না। সেই আদর্শের কর্মী বাহিনীর মধ্যে আদর্শকে উত্তমরূপে প্রথিত ও চর্চা অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজন আন্দোলনের প্রবক্তার চিন্তা ও ভাবনাগুলোকে কর্মীদের মধ্যে ব্যাপকহারে পঠন।
আমরা হাসানুল বান্নার থেকে তিন বছরে জ্যেষ্ঠ ভারতীয় উপমহাদেশর প্রখ্যাত মুজাদ্দিদ আল্লামা মওদূদী (রহ:) এর জীবনী এবং ইরানের মহান নেতা খোমেনী (রহ:) এর জীবনী যদি লক্ষ্য করি তবে দেখি যে তাঁরা উভয়ই আন্দোলনের কর্মীদের ভিতরে আন্দোলনের সঠিক বুঝ ও আদর্শকে উত্তম জানার এবং প্রচারের জন্য কালজয়ী অসংখ্য ইসলামী সাহিত্য রচনা করেছেন। নামসর্বস্ব যে সকল দল পার্থিব কোনো আদর্শকে বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করে তারা তাদের কর্মীদের ভিতরে সাহিত্য পাঠের প্রচলন না থাকায় কালের অতল গহ্বরে হারিয়ে গেছে। শহীদ হাসানুল বান্না যে আদর্শ লালন ও প্রচার করতেন তা ছিল কুরআন ও হাদিস অনুসৃত। তাইতো তিনি কুরআন, হাদিস ও সমসাময়িক জ্ঞানের ভা-ার দিয়ে মূল্যবান কিছু ইসলামী সাহিত্য রচনা করেছেন। যা তার কর্মীবাহিনীকে জোগাতো আদর্শের ফুয়েল। আজও বিভিন্ন ভাষায় অমর সেই ইসলামী সাহিত্যগুলো অনূদিত হচ্ছে। হচ্ছে পঠন পাঠন। তাঁর সেই মূল্যবান সাহিত্যগুলো হচ্ছেঃ
১. ধর্মপ্রচার ও প্রচারকের স্মৃতি (মোখাভ্ভেরাত আল-দাওয়া ওয়া আল-দায়ী);
২. মুসলিম রমনণীগণ (আল মারআল মুসলিম);
৩. জন্মনিয়ন্ত্রণ (তাহদিদ আল নাসিল);
৪. হাদিস বিজ্ঞানের গবেষণা (মাবাহেত ফি উলুম আল হাদীস);
৫. ইসলামে শান্তি (আস-সালাম ফিল ইসলাম);
৬. আমাদের লক্ষ্য (কাযিয়্যাতুনা);
৭. পত্রাবলী (আর-রাসাইল);
৮. সান্নিধ্যের বার্তা (রিসালাত আল মানহাজ);
৯. নির্বাচন বার্তা (রিসালাত আল ইনতেখাবাত);
১০. পবিত্র কুরআনের লক্ষ্যসমূহ(মাকাসিদ আল কুরআনুল কারিম) ও
১১. শেখার বার্তা (রিসালাত আল-তা’লীম)।
উল্লেখ্য যে সকল সাহিত্যই আরবি ভাষায় রচিত হয়েছে। তিনি তাঁর সাংগঠনিক কার্যালয়গুলোর সাথেই মসজিদ ও বিদ্যালয় গড়ে তুলতেন।
তিনি যে গোটাবিশ্বে ইসলামী সমাজ কায়েম করতে চেয়েছিলেন এজন্য তিনি কিছু লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছিলেন। তৈরী করেছিলেন কর্মপন্থা। তাঁর প্রণিত ছয়টি ধারা ও নীতি হচ্ছে:
১. কুরআন অধ্যয়ন করা। কুরআনে সকল বিজ্ঞান ও জ্ঞান আছে বলে তিনি মনে করেন। এমনকি কুরআন ছাড়া ধর্মের কোনো ভিত্তি নেই।
২. এই নীতির উপর মুসলিমদের একত্রিত করা এবং কুরআন ভিত্তিক জাতি গঠন করা।
৩. দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ আবিষ্কার করা, সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করা ও মুসলিম শ্রমিকদের মানোন্নয়ন করা।
৪. হিতৈষীমূলক কর্মকা- করা এবং অজ্ঞতা ও নৈতিক পাপাচারের বিরুদ্ধে লড়া।
৫. নীল উপত্যকার দেশগুলি, আরব দেশগুলি এবং সকল মুসলিম দেশগুলোকে উপনিবেশবাদের নিগড় থেকে মুক্তকরণ;
সারাবিশ্বের মুসলিম সংখ্যালঘুদের সহযোগিতা করা; একটি ইসলামিক সরকার কায়েম করা, সেই নীতি ও লক্ষ্য নিয়ে যাতে সমগ্র পৃথিবীতে মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
৬. ইসলামি নীতির অনুসারে সমগ্র পৃথিবীতে শান্তি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
তাঁর অন্যান্য সহযোগিদের গ্রেফতার করা হলো। কিন্তু তাঁকে গ্রেফতার করা হলোনা। তিনিও বুঝতে পেরেছিলেন যে মহান রব তাঁকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করবেন। তাই বীরদর্পে তিনি কায়রোতে চলাচল করতেন। ১৯৪৯ সনের ১২ই ফেব্রুয়ারী। এই দিন কায়রোতে ইয়াং মুসলিমস এসোসিয়েশানের একটি মিটিংয়ে শহীদ হাসানুল বান্না মেহমান বক্তা হিসেবে আসেন। মিটিং শেষে তিনি উক্ত সংস্থার কার্যালয় থেকে বের হন। রাস্তায় নেমে তিনি ট্যাকসীতে উঠতে যাচ্ছিলেন এমন সময় আততায়ীর গুলি এসে বিঁধে তাঁর বুকে। রক্ত রঞ্জিত দেহ নিয়ে শহীদ হাসানুল বান্না ঢলে পড়েন। সংগীরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন। আল্লাহর দীনের সৈনিক আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্যে চলে যান।
লাশ পাঠানো হয় তাঁর বাসায়। পুলিশ এসে বাড়ির চারদিক ঘেরাও করে ফেলে। নিকট আত্মীয় ছাড়া আর কাউকে ঢুকতে দেয়া হলোনা তাঁর বাড়িতে। ট্যাংক বাহিনী ও সাঁজোয়া বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীসহকারে তাঁর লাশ কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষ দূরে অবস্থান করে অশ্রু বিসর্জন করতে থাকে। সরকার তাদেরকে তাঁর জানাযা ও দাফন কাজে অংশগ্রহণ করতে দিলোনা। ঘড়ি মেরামতকারী সেই ছেলেটি আজ সারাবিশ্বের কাছে একজন অনুসরণীয় নেতা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ব্রাদারহুড আন্দোলন মিশর ছাড়াও আরব বিশ্বের প্রায় সর্বত্র ও তুরস্কে ছড়িয়ে পড়েছিল একই নামে বা প্রায় একই আদর্শের ছায়াতলে ভিন্ন ভিন্ন নামে।
উৎস:
১. Ikhwan Web, The official English website of Muslim Brotherhood;
২. Wikipedia;
৩. www.oxfordbibliographies.com;
৪. Encyclopædia Britannica;
৫. www.jadaliyya.com;
৬. The Columbia Encyclopedia, 6th ed.
The Columbia University Press;
৭. ইসলামী আন্দোলনের তিন পথিকৃৎ;
৮. মিসরে ইসলামী আন্দোলন ও ইখওয়ানুল মুসলিমুন, ড. মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম ও
৯. শায়খ হাসানুল বান্না-মনসুর আহমদ।
লেখক : গবেষক ও কলামিস্ট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ