ঢাকা, রোববার 15 October 2017, ৩০ আশ্বিন ১৪২8, ২৪ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কুয়াকাটা-পটুয়াখালী পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হলেও পৌরসভার প্যানেল মেয়রের স্থাপনা উচ্ছেদ হয়নি

এইচ. এম. হুমায়ুনকবির কলাপাড়া (পটুয়াখালী): কুয়াকাটা থেকে পটুয়াখালী পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ পটুয়াখালী।
২৪ সেপ্টেম্বর প্রথম দিনে কুয়াকাটা থেকে আলীপুর পর্যন্ত পাঁচ কিমি অংশের দুই পাশের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে কুয়াকাটা পৌরসভার প্যানেল মেয়র পান্না মাঝিসহ আরেক কাউন্সিলরের একটি স্থাপনা অপসারণ করা হয়নি। এছাড়া একটি আবাসিক হোটেলের দেয়ালও অপসারণ করা হয়নি। এনিয়ে উচ্ছেদ হওয়া শতাধিক ব্যবসায়ীসহ ক্ষুদে দোকানিরা ক্ষুব্ধ মনোভাব পোষন করেছেন। তাদের অভিযোগ তারা দরিদ্র বিধায় কোন ছাড় দেয়া হয়নি। ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। আবার কেউ কেউ স্বেচ্ছায় অপসারণ করেছেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে কুয়াকাটার প্রবেশদ্বার কালভাটের পাশে সওজের জায়গায় প্যানেল মেয়রসহ অপর দুইটি স্থাপনা রহস্যজনক কারণে অপসারিত হয়নি।
এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজামউদ্দিন আহম্মেদ  জানান, কোন স্থাপনা থাকতে পারবে না সড়ক ও জনপথের জমির মধ্যে। পর্যায়ে ক্রমে সব উচ্ছেদ করা হবে। প্যানেল মেয়র পান্না মাঝি  বলেন, স্থাপনাটি ভেঙ্গে ফেলা হবে। কিন্তু উচ্ছেদ হওয়া অপর ব্যবসায়ীদের মন্তব্য আদৌ কি এই স্থাপনা অপসারণ করা হবে।
উচ্ছেদের আগে সওজ কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের আওতার স্থাপনা শণাক্ত করতে লাল রঙের ক্রস চিহ্ন দিয়ে দেয়। কিন্তু লাল ক্রস চিহ্নিত ওই স্থাপনাটি অপসারণ না করায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। পাশাপাশি সওজের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
গাড়ি চাপায় পুত্রের মৃত্যু
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা লতাচাপলী ইউনিয়নে নয়ামিশ্রিপাড়া গ্রামের বাবা ইউসুফ গাজীর টমটম গাড়ির নিচে চাপা পড়ে শিশুপুত্র মো. ইব্রাহীম (৪) মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকাল সারে ৫টার সময় লতাচাপলী লক্ষ্মীর হাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার বিকালে ইউসুফ গাজী তার শিশুপুত্রকে টমটমে বসিয়ে ইঞ্জিন স্টার্ট করে টমটমটি রাস্তায় ঘুরাতে যায়। এসময় টমটমের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে সিটকে পড়ে। তাৎক্ষণিক শিশু ইব্রাহীম টমটমের নিচে চাপা পড়ে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে কুয়াকাটা ২০শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাঃ মনিরুজ্জামান বলেন,  দুর্ঘটনায় আহত শিশুটি হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ