ঢাকা, শনিবার 18 November 2017, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২8, ২৮ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মা ইলিশ ধরায় ৬৭ জেলের কারাদণ্ড

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মা ইলিশ ধরায় মুন্সীগঞ্জে ৫০ ও সিরাজগঞ্জে ১৭ জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল রোববার থেকে আজ সোমবার পর্যন্ত সময়ে ওই জেলেদের সাজা দেওয়া হয়।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪৫০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব ইলিশ শিকারের দায়ে আদালত ৫০ জেলের প্রত্যেককে সাত দিন করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

গতকাল রোববার রাত ১০টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত চালানো এ অভিযানে দুই লাখ মিটার কারেন্ট জালও জব্দ করা হয়।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনির হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল হাসান, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ইদ্রিস তালুকদার, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাসেল মোল্লা, মৎস্য অফিসের অফিস সহকারী সেলিম ইসলামসহ কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

অভিযানের বিষয়ে জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, পদ্মা নদীতে ১০ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে ইলিশগুলো জব্দ ও জেলেদের আটক করা হয়। অভিযান শেষে জব্দকৃত জাল পদ্মা নদীর পাড়ে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। এ ছাড়া মা ইলিশগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে  মা ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জেলের প্রত্যেককে সাত দিন করে কারাদণ্ডাদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁদের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ২৪ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

যমুনা নদীর উমারপুর, খাষকাউলিয়া, খাষপুকুরিয়া, ঘোরজান, বাঘুটিয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন চৌহালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তথা এসি (ল্যান্ড) আনিসুর রহমান।

ভ্রাম্যমাণ  আদালতের  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান জানান,  স্পিডবোট ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে যমুনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার্থে অভিযান চালানো হয়। এতে চার মণ মাছ জব্দ করা হয়। আর ১৭ জেলেকে গ্রেপ্তার করে মৎস্য আইন অনুযায়ী সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আনিসুর আরো জানান, জব্দ করা মাছগুলো বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত ১৭ জেলেকে সোমবার সকালে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।-এনটিভি নিউজ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ