ঢাকা, মঙ্গলবার 17 October 2017, ২ কার্তিক ১৪২8, ২৬ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদকসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

খুলনা অফিস : খুলনা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েদের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। গত শনিবার রাতে রুবায়েদের বড় ভাই বাদি হয়ে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগরসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জনকে আসামী করে এ মামলা দায়ের করেন (নং-২২)। 
মামলার অন্য আসামীরা হলেন-সালাউদ্দিন মোল্লা জুয়েল (৩৬), মাহমুদ হাসান বিপ্লব (৩৬), জিহাদুল হক (৪০), তরিকুল ইসলাম (৩২), মহিউদ্দিন দোলন (৩২), রফিক (২৮), হেলাল হোসেন (২৬), বেলাল হোসেন (২৮), মিজানুর রহমান বাবু (৩০), মঞ্জুরুল আলম (৪০), তৌহিদ (৩৫), নাজমুল হাসান নাসিম(৩৮), জহিরুল ইসলাম বাপ্পি (২৮), মফিজুল ইসলাম মফিজ (৩০), নাসির হোসেন (৩৮), কামরুজ্জামান টুকু (৩৬) ও সাইদুজ্জামান খোকনসহ ১৫/২০ জন অজ্ঞাতনামা। 
খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এম এম মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় গত শনিবার রাতে রুবায়েদের বড় ভাই শেখ ইমদাদুল হক বাদি হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
গত রোববার দলীয় কার্যালয়ে মহানগর যুবদলের সভাপতি মাহাবুব হাসান পিয়ারুর সভাপতিত্বে জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় তীব্র নিন্দা ও অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়। অপরদিকে গতকাল সোমবার খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় মামলা
খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানাধীন উত্তর কাশিপুর মেঘনা রেল গেট এলাকায় শামছুন্নাহার মালা (৩৫) নামের এক গৃহবধূর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। গত শনিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(১)/৩০ ধারায় মামলাটি রেকর্ড করেছেন (নং-১৪) খালিশপুর থানা পুলিশ। তবে এখনো পর্যন্ত এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, খালিশপুর থানাধীন উত্তর কাশিপুরের ৫৩, পদ্মা রোডের বাসিন্দা মো. বেলায়েত হোসেনের মেয়ে শামছুন্নাহার মালা’র সাথে মেঘনা রেল গেট এলাকার মোসলেম শিকদারের ছেলে মো. আমিনুল ইসলামের সাথে ২০০৪ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে মালাকে শারীরিক ও মানষিকভাবে নির্যাতন করতো তার স্বামী আমিনুলসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার মিট মীমাংসাও হয়েছে। চার সন্তানের জননী শামছুন্নাহার মালাকে গত ৪ অক্টোবর রাতে তার স্বামীসহ অন্যান্য স্বজনরা গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। গৃহবধূ মালার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। শরীরের অধিকাংশ পুড়ে যাওয়ায় তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইউনিটে প্রেরণ করা হয়। অবশেষে গত ১১ অক্টোবর চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যান গৃহবধূ শামছুন্নাহার মালা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ