ঢাকা, মঙ্গলবার 17 October 2017, ২ কার্তিক ১৪২8, ২৬ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আমতলীতে অবৈধভাবে স্কুলের পাশে কৃষি জমিতে ইটভাটা হচ্ছে

আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা : আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের চালিতা বুনিয়া একটি ঘন বসতিপূর্ণ গ্রাম। পাশেই ইব্রাহীমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর ৪-৫শত মিটার দূরে কৃষি জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে ইটের ভাটা। এতে সমতল ভূমি ও কৃষি জমি যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)-এর ১২ ও ৪(২) (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ফসলি জমিতে অথবা ফসলি জমির পাশে ইটভাটা স্থাপন করা দন্ডনীয় অপরাধ। জনৈক হারুন নামের এক ব্যক্তি পরিবেশ অধিদপ্তর ও সরকারি নিতিমালা তোয়াক্কা না করে ইটভাটা তৈরি করছেন। ইটভাটা নির্মাণের পরিপত্রে উল্লেখ্য আছে, ইটভাটা স্থাপন করতে হলে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী হাইব্রিড হফম্যান, জিগ-জ্যাগ, ভার্টিক্যাল শ্যাফট কিলন অথবা পরীক্ষিত নতুন প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব ইটভাটা স্থাপন করার বিধান রয়েছে। কিন্তু এখানে সরকারের নীতিমালা অমান্য করে পরিবেশ অধিপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই ইটভাটাটি নির্মাণ করছেন। অন্যদিকে ইটভাটাতি ফসলের মাঠে ও লোকালয়ের পাশে স্থাপন করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হারুন নামের জনৈক ব্যক্তি ইটভাটাটি তৈরির জন্য টিনসেট ঘর তৈরি করেছেন। ইটভাটাটিতে পোড়ানোর জন্য কাঠ জমা করছেন। এ ব্যাপারে ইটভাটার মালিক হারুন মিয়া বলেন আমতলীতে যতগুলো ইটভাটা আছে কাহারো পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নাই এবং আমারও নাই। ইউপি সদস্য মো. জয়নাল আবেদীন বলেন স্কুলের পাশে কৃষি জমিতে ইটভাটা তৈরি করতে নিষেধ করলেও হারুন কোন কথা না শুনে গায়ের জোরে ইটভাটা তৈরি করছেন। তিনি আরো বলেন এই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটা তৈরি হলে এলাকার পরিবেশ মারাত্মক বিপর্যয় ঘটবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মো. রেজাউল করিম বলেন, অবৈধভাবে ইটভাটা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ