ঢাকা, শুক্রবার 20 October 2017, ৫ কার্তিক ১৪২8, ২৯ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রোহিঙ্গাহত্যা বৃহৎ শক্তিগুলোর মুসলিম নিধনের অংশমাত্র

[পাঁচ]

জিবলু রহমান : ইসরাইলের একটি অভ্যন্তরীণ সামরিক শিল্প গড়ে তোলার সিদ্ধান্তটির পেছনে প্রধান কারণ ছিল এর অস্তিত্ব রক্ষা। যেখানে রাষ্ট্রটিই জোর করে অস্ত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় সেখানে প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়ায় নিরাপত্তা। ১৯৫০ সালে সমর সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের ফার্মগুলোর ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে। ১৯৫০-এর দশকের প্রথমার্ধে এসব স্বাধীন ও অন্যান্য কারখানাগুলোকে একক ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণাধীনে নিয়ে আসা হয়। এসবের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ইসরাইল এয়ারক্রাফট ইন্ডাষ্ট্রি যা পরিচিত ছিল জাতীয় যুদ্ধ সরঞ্জাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে। এই দশকের মধ্যেই ইসরাইল তার সব সামরিক ইন্ডাষ্ট্রিগুলোকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রিত সংস্থায় পরিণত করে। এগুলো হলো ওগও, জধভধবষ এবং ওঅও.

“পৃথিবীটা আমার দেশ, সমস্ত মানব জাতি আমার ভাই এবং সবার ভাল করাই আমার কাম্য”-টাইমস পাইনের এই অনুভব আজ হিংস্রতা আর নিষ্ঠুরতার হুংকারে দলিত, মথিত। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উন্নত বিশ্বের একমাত্র সুপার পাওয়ার হিসেবে খ্যাত আমেরিকার সমর্থনে কিভাবে ইসরাইল মানবতা ধ্বংস করতে পারে তার একমাত্র উদাহরণ প্যালেস্টিনিয়ান। ইসরাইলের পরাশক্তির দম্ভ ও অহমিকায় যে দেশ এখন উম্মত্ত, বন্য পশুর আচরণের সাথে যার বিন্দুমাত্র ব্যবধান নেই। তাই প্রশ্ন জাগে গেটসবার্গের ভাষণে আব্রাহাম লিংকন বিশ্ববাসীকে যে জনগণের সরকারের কথা বলেছিলেন, আজ বুঝি সে সরকার ‘রক্ত পিপাসুর’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। সত্যিই সেলুকাস! কি বিচিত্র আমেরিকার গণবিধ্বংসী সামরিক কৌশল। যুদ্ধ মানবজাতির এক বিরাট অভিশাপ, মানব সভ্যতার হুমকিস্বরূপ। নিজ দেশের স্বার্থ ও আধিপত্য বজায় রাখার জন্য আমেরিকা ও অন্য কয়েকটি দেশ নিরস্ত্রীকরণ ও অস্ত্র রহিতকরণের যে কৌশলী ভূমিকা বিভিন্ন সময়ে রেখেছিল তা নিম্নের তথ্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

একদিকে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে বিশ্বের অন্য দেশের উপর আমেরিকার হুমকি, অন্যদিকে নিজের দেশ ও তল্পিবাহক দেশকে সামরিক অস্ত্রে হৃষ্টপুষ্টকরণ-এই হচ্ছে আমেরিকার আসল চেহারা। এদের মুখে কি আজ জেনেভা কনভেনশনের উদ্ধৃতি শোভা পায়? মানবিক মূল্যবোধকে গলাটিপে হত্যা করে, বোমা মেরে আর যাই হোক সভ্য সমাজে মানুষের কল্যাণ হয় না।

ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও আমেরিকা আগাগোড়া নীরবতা পালন করছে। ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচির সূচনা হয় ১৯৫৯ সালে। ১৯৬৮ সালে মার্কিন সহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী পল ওয়ার্নক যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত আইজাক রবিনের কাছ থেকে জানতে পারেন, ইসরাইল পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। রবিন এর ব্যাখ্যা দেন এভাবে-ইসরাইল এ অঞ্চলে পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রথম দেশ নয়। আর যতক্ষণ না এ অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো এবং এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বলা যাবে না ইসরাইল পারমাণবিক বোমা বানিয়েছে।

এরপর প্রশ্ন দেখা দেয় প্রেসিডেন্ট নিক্সনের কাছে কীভাবে ব্যাপারটা তোলা হবে। যদিও নিক্সন ও তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার ইসরাইলের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্খার ব্যাপারে কার্যত সম্মত ছিলেন, কিন্তু পররাষ্ট্র বিভাগ ও পেন্টাগনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল ভিন্ন। সুতরাং তাদের সামাল দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। নিক্সন ও কিসিঞ্জার সেই সামাল ভালভাবেই দিয়েছিলেন। পরে নিক্সন ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী গোলডা মায়ারের মধ্যে এক বৈঠক হয়। এ সম্পর্কে কিসিঞ্জার উল্লেখ করেছেন, প্রেসিডেন্ট নিক্সন মায়ারের সঙ্গে বৈঠকে যে বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়েছেন, তা হলো, ‘ইসরাইল পারমাণবিক অস্ত্রের দৃশ্যমান নির্মাণ বা পারমাণবিক পরীক্ষা কর্মসূচী গ্রহণ করেনি।’ এভাবেই ইসরাইল গোপনে এ সতর্কতার সঙ্গে তার পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ পায়। ইসরাইল ১৯৭৯ সালেই অত্যন্ত গোপনে পারমাণবিক বোমার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে।

ইসরাইলের বিখ্যাত পারমাণবিক প্রকল্প হচ্ছে ডিমোনা পরমাণু স্থাপনা। ১৯৬০ সাল থেকেই এখানে অত্যন্ত গোপনে এবং নিশ্ছিন্দ্র নিরাপত্তার মধ্যে ইসরাইলের পরমাণু কর্মসূচি চলছে। ইসরাইলে একটি শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দেশ এবং তার হাতে কমপক্ষে ২০০টি পারমাণবিক বোমা রয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু বিশ্লেষকরাই এ কথা বলেছে। স্বয়ং ইসরাইলী নাগরিক মারদেশাই ভানুনুই সে কথা প্রকাশ করেছে।

মরদেশাই ভানুন এ পরমাণু প্ল্যান্টে টেকনেশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। ১৯৮৬ সালে তিনি ইসরাইলের হাতে পারমাণবিক বোমা থাকার কথা সর্বপ্রথম প্রচারের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এটাকে ইসরাইল অবহিত করে রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকান্ড হিসেবে এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে মারদেশাই ভানুনুকে ১৮ বছরের কারাদন্ড দেয়। দীর্ঘ ১৮টি বছর কারাদন্ড ভোগ করে তিনি গত ২০০৪ সালে জেল থেকে মুক্তি পান। এ ১৮টি বছরের মধ্যে ১১টি বছরই তাকে কাটাতে হয়েছে এক রুমের ছোট্ট একটি নির্জন কারাগারে। আর এখন মুক্তি দেয়া হলেও তার ওপর রয়েছে প্রচার মাধ্যমে এসব বিষয় সম্পর্কে কেনো কিছু বলার ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং তাকে সার্বক্ষণিক নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। আর এসবই তো বিশ্ববাসীর কাছে দিবালোকের মতোই পরিষ্কার এবং সত্য একটি বিষয়।

১৯৬০ দশকের প্রথমার্ধে ইসরাইল তার ইলেকট্রনিক ইন্ডাষ্ট্রি উন্নয়নে মনোযোগ দেয় এবং ১৯৬৫ সালের মধ্যে ছোট অস্ত্র তৈরিতেই সাফল্য অর্জন করে। সাথে সাথে যুদ্ধবিমান তৈরিতেও সাফলতা পায়। এই দুই দশকেই ইসরাইল আধুনিক সামরিক উৎপাদনের কাতারে পৌঁছে যায়। ইসরাইল তার অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলো কর্তৃক বারবার নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়ে অস্ত্র উন্নয়নে বাধ্য হয়। ১৯৬৭ সালে যুদ্ধের সময় ফ্রান্স কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হবার পর ১৯৬৯ সালে ফ্রান্স আবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। জুলাই ১৯৭১ সালে আমেরিকা তার Phantom এবং Skyhawk বিমান সরবরাহের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। আরব-ইসরাইলী যুদ্ধের সময় বৃটেন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। আবার মার্চ ১৯৭৫ সালে ফোর্ড এ্যাডমিনিষ্ট্রেশন ইসরাইলে অস্ত্র এবং অর্থনৈতিক সহায়তার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। একইভাবে ইসরাইল সমস্যায় পড়ে, ১৯৭৬, ১৯৭৮, ১৯৮১ এবং ১৯৮৩ সালে।

১৯৬৭ সালের যুদ্ধ পর্যন্ত ইসরাইল তার সামরিক উৎপাদন, সংরক্ষণ ইত্যাদি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নিয়মে করে যায় এবং কিছু কিছু উন্নয়নও ঘটায়। যদিও ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে তাদের স্থানীয় উৎপাদিত যুদ্ধ অস্ত্রের ভূমিকা ছিল খুবই কম তবুও ১৯৬৬-৬৭ সালের মধ্যেই বড় উৎপাদনের প্রাথমিক প্রস্তুুতি সম্পন্ন হয়। ইসরাইলের অস্ত্র ইন্ডাষ্ট্রিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন শুরু হয় ১৯৬৭ সালের পর যখন হঠাৎ করে ফ্রান্স অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৭ পর্যন্ত ফ্রান্স ছিল ইসরাইলী ভারী অস্ত্রের প্রধান যোগানদার। ফ্রান্সের কারখানাগুলো ছিল ইসরাইলের জন্য মডেল। ইসরাইলের স্থানীয় অস্ত্র কারখানা জেট প্লেন তৈরি করতো। ফ্রেঞ্চ লাইসেন্সের মাধ্যমে এবং ফ্রাঙ্কো-ইসরেলি সায়েন্টিফিক কো-অপারেশন একাধিক সামরিক বিষয়ে বিস্তৃত ছিল। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনব্যাপী যুদ্ধের পর ফ্রান্সের ইসরাইলী নীতি অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তিত হয়। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট চার্লস দি পল এককভাবে ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, এমনকি যেসব অস্ত্রের জন্য ইসরাইল আগাম অর্থ পরিশোধ করেছিল সেগুলোর চালানও বাতিল করে দেন। ফলস্বরূপ ইসরাইল ব্যাপক মাত্রায় অস্ত্রের দেশীয় উৎপাদন আরম্ভ করে। ১৯৬৯ সালের জানুয়ারীতে ফ্রান্স কর্তৃক দ্বিতীয় নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ইসরাইল অস্ত্র কারখানাতে দেশীয় বিনিয়োগ ব্যাপক বৃদ্ধি করে এবং এ সময়ের মধ্যে তার কর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২০,০০০-এ দাঁড়ায়।

১৯৭২ সালে ইসরাইল দেশীয় ডিজাইনে কমব্যাট জেট প্লেন তৈরি করে। তিন বছর পর কভরৎব-২ যুদ্ধবিমান তৈরি হয়। আকাশ থেকে আকাশ, সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য মিসাইল, নতুন সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল তৈরি হয়। ১৯৮১ সালে নতুন বারাক এ্যান্টি মিসাইল তৈরি হয়। নিজস্ব যুদ্ধ ট্যাঙ্ক 'গবৎশধাধ' তৈরি এবং হালকা অস্ত্রের মধ্যে তারা অনেক অত্যাধুনিক সামরিক গাড়ি, জাহাজ এবং ২০ এমএম ক্যানন অথবা ৫০ ইঞ্চি মেশিনগান ইত্যাদি তৈরি করে।

১৯৭৩ সালের যুদ্ধের পর ইসরাইল অতি উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র উৎপাদনে সক্ষম হয়ে ওঠে। ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে 'এধনৎরবষ ধহঃর-ংযরঢ়' মিসাইল, ১৯৮২ সালের লেবানন যুদ্ধে 'গবৎশধা' যুদ্ধ ট্যাঙ্ক তাদের সাফল্য অর্জনে বিরাট ভূমিকা পালন করে। ১৯৬৬ সালে ইসরাইলী এয়ারক্রাফট কারখানার কর্মী সংখ্যা ৪,৪৬১ থেকে ১৯৮০ সাল নাগাদ তা বেড়ে হয় ২২,৫০০। একই সময়ে সামরিক কারখানাতে বৃদ্ধি পায় ৪,৫২১ থেকে ১৪,৫০০ জনে।

অস্ত্র আমদানি ইসরাইলি অর্থনীতির ওপর এক বিরাট বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে সামরিক আমদানি বেড়ে দাঁড়ায় ১১৬ মিলিয়ন থেকে ৮০০ মিলিয়ন ডলারে। ইসরাইলের প্রতিরক্ষা কারখানার ব্যবস্থা পরিচালক মোশে কাশতি-এর মতে, ১৯৬৮ সালের বাণিজ্য ঘাটতির অর্ধেকই হয়। ১৯৬৭ সালের অস্ত্র এবং এর যন্ত্রাংশ আমদানির কারণে যা তাদের অর্থনীতিকে বিরাট ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়। এ অবস্থার উন্নতির জন্য তারা চার প্রধান নীতির সমন্বয়ে অস্ত্রনীতি প্রণয়ন করে। এর ফলস্বরূপ তাদের অস্ত্র আমদানিজনিত ঘাটতি কমতে থাকে। ১৯৬৮-৭২ সালে ৪২.০৮% থেকে ১৯৭৬-৮০ সাল নাগাদ ঘাটতি কমে দাঁড়ায় ১৩.৪%-এ।

ইসরাইল ১৯৮০ সাল পর্যন্ত ইসরাইলী প্রতিরক্ষা বাহিনী (ওউঋ)-এর প্রয়োজনে সমর শিল্পের বিকাশ ঘটাতে থাকে। ১৯৮০ দশকের প্রথমার্ধে ইসরাইল অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়ে। এর প্রধান দিকগুলো ছিল, প্রথমত, ১৯৮৫ সালে প্রায় ১,০০০ ভাগ মুদ্রাস্ফীতি ঘটে, দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থমকে দাঁড়ায় এবং তৃতীয়ত, এর ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ১৯৮৪ সালে ইসরাইলী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দুই বিলিয়ন আমেরিকান ডলারে নেমে আসে যেখানে ইসরাইলী অর্থনীতিবিদদের মতে এর ন্যূনতম রিজার্ভ থাকা উচিত তিন বিলিয়ন আমেরিকান ডলার। এই মুদ্রাস্ফীতি ঠেকাতে ইসরাইলী সরকার তার প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ কমিয়ে আনে। ১৯৯২ সালে এর পরিমাণ দাঁড়ায় মাত্র ৮২ ভাগ।

 

ইসরাইলী প্রতিরক্ষা সরঞ্জামাদির পাবলিক সেক্টরে চরম মন্দা অবস্থা শুরু হয়। ঞঅঝঝ যেটি ১৯৮০-এর আগে অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠান ছিল ইসরাইলী সরকার ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে সেখানে থেকে ১০০ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার সরিয়ে আনে যার কারণে এর রফতানি ৪০ শতাংশ হ্রাস পায়। জধভধবষ যেটি সরাসরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হতো সেটি তার ৪০ মিলিয়ন আমেরিকান ডলারে মতো রফতানি হারায়। ওঅও যেটা ছিল ইসরাইলী সবচেয়ে বৃহত্তম কর্মসংস্থানকারী সামরিক প্রতিষ্ঠান যার কর্মীবাহিনী ছিল প্রায় ১৭,০০০-এর মতো, ১৯৯২ সালে তাইওয়ানের কাছ থেকে ৪০টি কভরৎ এয়ারক্রাফট এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশ রফতানির অর্ডার হারায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ