ঢাকা, শুক্রবার 20 October 2017, ৫ কার্তিক ১৪২8, ২৯ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

দ. কোরিয়ার সাথে ড্র করে জটিল সমীকরণে পাকিস্তান

 

স্পোর্টস  রিপোর্টার : এশিয়া কাপ হকির ফাইনালে যাবার লড়াই জমে উঠেছে। কোন দুটি দল শিরোপার জন্য লড়বে তা জানতে অপেক্ষায় থাকতে হবে সুপার ফোরের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত। সুপার ফোরের লড়াইটি হচ্ছে সমানে সমান। শিরোপার স্বাদ নেয়া আগের তিন দলের (দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান ও ভারত) সাথে এবার যুক্ত হয়েছে মালয়েশিয়া। ১৯৮৫ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়া পাকিস্তান দলের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে যাচ্ছে ফাইনালের পথ। সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-২ গোলে হারার পর গতকাল বৃহস্পতিবার তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা ১-১ গোলে চারবারের চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ড্র করেছে। দুই ম্যাচে পাকিস্তানের পয়েন্ট ১। গাণিতিক হিসেবে পাকিস্তানের সম্ভাবনা এখনো রয়েছে। এজন্য কয়েকটি যদির বাস্তবায়ন ঘটতে হবে। তাহলেই সম্ভব। যার একটি শনিবার ভারতকে হারানো। তবে তার আগে যদি মালয়েশিয়া জেতে ভারতের বিরুদ্ধে। চারবারের চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থাও সুখকর নয়। দুই ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২। টেবিলে এখন তারা দ্বিতীয় স্থানে ভারতের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে। শিরোপা ধরে রাখার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে তাদেরও শেষ ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে জিততে হবে। 

পয়েন্ট টেবিলে এখনো শিরোপা না জেতা মালয়েশিয়াই আছে সুবিধাজনক অবস্থানে। পাকিস্তানকে হারিয়ে তারা আছে সবার উপরে। টুর্নামেন্টের তিন চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান ও ভারত কোনো ম্যাচ জিততে না পারায় মালয়েশিয়ার সামনে তৈরি হয়েছে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলার সুবর্ণ সুযোগ। মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে আগে গোল করে হারতে হয়েছিল পাকিস্তানকে। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধেও আগে গোল করে ধরে রাখতে পারেনি তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা। পিছিয়ে পড়েও ড্র করে গুরুত্বপূর্ণ ১ পয়েন্ট নিয়ে হোটেলে ফিরেছে সর্বশেষ দুইবারের চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়া। সুপার ফোরে নিজেদের শেষ ম্যাচে মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলে তাদের ফাইনালে খেলার সম্ভাবনা টিকে থাকবে।

আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে খেলা শুরু হলেও ১৫ মিনিটে আজাজ আমহেদের গোল এগিয়ে যায় পাকিস্তান। প্রথম কোয়ার্টারের শেষ মিনিটে দেয়া গোলটি তারা ধরে রেখেছিল দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়ার্টারে। রক্ষণটাকে জমাট রেখে গোল ধরে রাখার চেষ্টা অবশ্য কাজে আসেনি পাকিস্তানের। কোরিয়া শেষ কোয়ার্টারের শুরুর দিকেই  লি নামইয়ংয়ের গোলে সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়ে। ম্যাচে ফেরার পর তারা জয়ের জন্য মরণ কামড়ও দিয়েছিল। মাঝ মাঠের খেলাটা ধরে তারা যেমন আক্রমণ শানিয়েছে, তেমন পাকিস্তানের আক্রমণগুলো রুখেছে ঠান্ডা মাথায়। পাকিস্তানও শেষ দিকে দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েকটি আক্রমন থেকে নিজেদের রক্ষা করে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ