ঢাকা, শুক্রবার 20 October 2017, ৫ কার্তিক ১৪২8, ২৯ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রাজধানীতে নিরাপত্তা কর্মীকে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

স্টাফ রিপোর্টার : কেরানীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আটজন নৌ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কোতয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জানে আলম মুন্সি বলেন, ৮ অক্টোবর কদমতলী এলাকায় এক ব্যবসায়ীর প্রায় ২০ লাখ টাকা ছিনতাই হয়। “এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে নৌ ডাকাত দলের একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। সেই সূত্রের ভিতিতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা কেরানীগঞ্জ, বুড়িগঙ্গা নদীর আশপাশে অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের প্রধান মশিউর রহমান লিটনসহ আটজনকে গ্রেফতার করা হয়।”

তাদের কাছ থেকে চারটি বড় ছোরা, একটি ট্রলার, আটটি মোবাইল এবং পৌনে দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা জানে আলম।

নিরাপত্তাকর্মীকে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

ধানমন্ডির ১৩ নম্বর রোডের একটি বাসায় মিনহাজ উদ্দিন (৭০) নামের এক নিরাপত্তারক্ষীকে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আহত মিনহাজ উদ্দিন ধানমন্ডি ১৩ নম্বর (নতুন) রোডের ৮-এ, ৯/১ নম্বর বাসায় নিরাপত্তারক্ষীর দায়িত্বে ছিলেন। 

গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কয়েকজন ছিনতাইকারী ওই বাসায় মোটরসাইকেল ছিনতাই করতে ঢুকে। এ সময় নিরাপত্তারক্ষীর দায়িত্বে থাকা মিনহাজ তাদের বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে আহত করে গেরেজ থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন ম্যানেজার তৌফিক।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, আহত মিনহাজ উদ্দিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার বাম হাতের কব্জি, মাথায় ও মুখে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

সারোয়ার-তামিম গ্রুপের দুই সদস্য গ্রেফতার

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। বুধবার রাতে রাজধানীর সবুজবাগ ও ওয়ারী এলাকা থেকে গিয়াস উদ্দিন (৩৪) ও লিটনকে (৩৪) গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ বন্দর ও রূপগঞ্জ থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাকিল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, র‌্যাব-১১ এর দায়ের করা মামলায় পলাতক দুই আসামি রাজধানীতে বুধবার রাতে দুইটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করে সবুজবাগ থানা এলাকা থেকে মো. গিয়াস উদ্দিন ও ওয়ারী থানা এলাকা থেকে মো. লিটনকে গ্রেফতার করে। সারোয়ার-তামিম গ্রুপের সদস্য মো. গিয়াস উদ্দিন ২০০০ সাল থেকে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে ও বার্বুচির কাজ করে আসছিল। ২০১২ সালের মাঝামাঝি সে জসিম উদ্দিন রাহমানির বাবুর্চি হিসেবে কাজ শুরু করে। জসিম উদ্দিন রাহমানির উগ্রবাদী মতবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হয়। পরে আরিফ হোসেনের মাধ্যমে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপে যোগদান করে। পরে দাওয়াতি কাজ সক্রিয়ভাবে শুরু করে। সে বাবুর্চি কাজের আড়ালে জেএমবির দাওয়াতের কাজ করে আসছিল।

অপর জেএমবি সদস্য মো. লিটন ২০০৫ সালে ঢাকায় এসে প্রথমে নাইটগার্ড এবং পরবর্তীতে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করে। সে ২০১২ সালে জসিম উদ্দিন রাহমানির মসজিদে যাতায়াত শুরু করে এবং জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়। ২০১৩ সালে মুনতাসিরের সঙ্গে তার আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে ২০১৫ সালে মুনতাসিরের মাধ্যমে জেএমবিতে সারোয়ার-তামিম গ্রুপে যোগদান করে দাওয়াতি কাজ শুরু করে। গ্রেফতারকৃত দুই জেএমবি সদস্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ