ঢাকা, রোববার 22 October 2017, ৭ কার্তিক ১৪২8, ১ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বোমা ফুটলে মুসলমানদের দায়ী করা হলেও পৃথিবীর কোন গণহত্যায় তারা জড়িত ছিল না

যশোর অফিস : বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল  মান্নান বলেছেন, কোথাও কোন বোমা ফুটলে মুসলমানদের দায়ী করা হচ্ছে। অথচ পৃথিবীতে যতো গণহত্যা ঘটেছে সেখানে মুসলমানরা জড়িত ছিল না। কারণ ইসলাম হচ্ছে শান্তি ও সহিষ্ণুতার ধর্ম। যারা মনে করে মানুষ হত্যা করে ইসলাম কায়েম হবে তারা বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে। তাদের অপপ্রচারের কারণে ইসলাম সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। আলেম সমাজকেই কুরআন-হাদীসের প্রকৃত ব্যাখ্যা ও তাৎপর্য জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।
প্রফেসর মান্নান গতকাল শনিবার বিকেলে যশোর জিলা স্কুল অডিটোরিয়ামে আরবি ভাষা ও ইসলামী জ্ঞান প্রতিযোগিতার খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। নবপ্রতিষ্ঠিত ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় মাদ্রাসার ফাজিল ও কামিল শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্য থেকে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩১ জন শিক্ষার্থী বিজয়ী হন। তাদের মধ্যে আটজনকে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের নির্বাচিত করা হয়েছে এবং প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে নগদ টাকা ও ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়েছে।
প্রধান অতিথি বিভাগীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে বলেন, ইসলাম, জ্ঞান বিজ্ঞানে যে অবদান রেখেছে, অন্য কোন ধর্ম তা রাখেনি। বঙ্গবন্ধু ইসলামের সুমহান আদর্শ ছড়িয়ে দেয়ার জন্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর তার সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠা করলেন ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম পদক্ষেপ আরবি ভাষা ও ইসলামী জ্ঞান প্রতিযোগিতা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর একেএম ফয়েজ উল্লাহ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জমিয়তুল মুদার্রেসিনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা হলেন- মাগুরা সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার আলকামা, ঝিনাইদহ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার মো. ফয়জুল্লাহ, বাগেরহাটের আমতলি কামিল মাদ্রাসার আসলাম হুসাইন, যশোরের ঝিকরগাছা কামিল মাদ্রাসার বেলাল হোসেন, আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসার মাসউদুর রহমান, পুরাতন কসবা মাদ্রাসার মো. আব্দুল্লাহ, সাতক্ষীরার মানিয়া কামিল মাদ্রাসার মুস্তাফিজুর রহমান ও একই জেলার হযরত আবু বকর সিদ্দিক ফাজিল মাদ্রাসার আহম্মদ বিন হাবিব। এর মধ্যে আলকামা প্রথম স্থান, মো. ফয়জুল্লাহ দ্বিতীয় স্থান ও  আসলাম হুসাইন তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ