ঢাকা, বুধবার 25 October 2017, ১০ কার্তিক ১৪২8, ৪ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

স্বাক্ষরে বাদ রইল যুক্তরাষ্ট্র ও সিরিয়া

২৪ অক্টোবর, বিবিসি : শেষ পর্যন্ত নিকারাগুয়া প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষর করছে। এবার শুধু বাদ রইল যুক্তরাষ্ট্র ও সিরিয়া।
বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো এই চুক্তির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একত্রিত হয়েছে। গত বছর নিকারাগুয়া এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছিল। তাদের যুক্তি ছিল- এটা সমস্যা সমাধানে বেশি দূর যেতে পারেনি।
গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্যারিস চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। তবে আগের চুক্তিটি ২০২০ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তিনি বলেন, এটা আমেরিকাকে রক্ষা করারই একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের ব্যবসায় ক্ষতি না হয়, এমন একটি নতুন চুক্তির কথা বলেছিলেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের ১৮৭টি দেশের ঐকমত্যে প্যারিসে ওই জলবায়ু চুক্তি হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি এমন পর্যায়ে বেঁধে রাখার উদ্যোগে নেওয়া হবে, যাতে তা প্রাক-শিল্পায়ন যুগের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি না হয়।
নিকারাগুয়ার প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল ওর্তেগা গত সপ্তাহে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। গত ২৯ জুলাই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তিনি বলেন, এখনই সময় প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষর করার।
তিনি বলেন, উন্নত দেশের বিজ্ঞানীরা, নাসার বিজ্ঞানীরা, ইউরোপের বিজ্ঞানীরা সবাই একমত হয়েছেন- এই গ্রহকে ধ্বংস করে এমন কার্যক্রম আমাদের থামাতে হবে। ড্যানিয়েল ওর্তেগার সরকার আগে যুক্তি দেখিয়েছিল, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ধনী দেশগুলো পর্যাপ্ত সহযোগিতা করে না।
২০১৩ সালে মধ্য আমেরিকা আঞ্চলকে ‘নবায়নযোগ্য শক্তির স্বর্গ’ বলে উল্লেখ করেছিল বিশ্বব্যাংক।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, প্যারিস চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অলাভজনক। এই চুক্তির মাধ্যমে অন্যান্য দেশের লাভ হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই চুক্তির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫ লাখ লোক চাকরি হারাবে ও ৩ ট্রিলিয়ন জিডিপি কমে যাবে। ভারত ও চীন এই চুক্তি থেকে বেশি সুবিধা নিচ্ছে।
ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও চীন বিশ্বের প্রায় অর্ধেক কার্বন নির্গমণের জন্য দায়ী। সিরিয়াও এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। এর কারণ হতে পারে দেশটির গৃহযুদ্ধ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ