ঢাকা, বুধবার 25 October 2017, ১০ কার্তিক ১৪২8, ৪ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সৈয়দপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসার নামে হচ্ছেটা কী!

মো: জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী): নীলফামারীর সৈয়দপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রসূতি সেবার নামে চলছে অরাজকতা। চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মায়েরা প্রতিনিয়ত চিকিৎসা অবহেলা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। কেন্দ্রের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ ওঠেছে। ফলে কর্তৃপক্ষ প্রসূতি নারীদের টাকা না দেওয়ার নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছেন।
উপজেলার প্রসূতিদের স্বাস্থ্যসেবা ও প্রসূতি মায়েদের নিরাপদ সন্তান প্রসবের জন্য কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। শহরের নতুন বাবুপাড়া এলাকায় পৌরসভার সামনে ১৯৫৩ সালে তৎকালীন সরকারের তত্বাবধানে স্থাপন করা হয় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি। মোট ২০ শয্যার সরকারি এ প্রতিষ্ঠানে ১ জন মেডিকেল অফিসারসহ ৯ জন কর্মকর্তা- কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে শতাধিক প্রসূতি নারী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। কিন্ত কেন্দ্রের কিছু কর্মকর্তা- কর্মচারী চিকিৎসার নামে অবহেলা ও হয়রানি ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ ওঠেছে।
অবকাঠামো, জনবল ও শয্যা সংখ্যা না বাড়ায় সৈয়দপুরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিতে কোন সুযোগ- সুবিধা বাড়েনি। গর্ভবতী ও শিশু নির্ভর এই কেন্দ্রে কোন মহিলা গাইনী বিশেষজ্ঞ না থাকায় রোগীরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছেন। মাত্র ২০টি শয্যা নিয়েই ওই কেন্দ্রে মা ও শিশুদের সেবা প্রদান চলছে বছরের পর বছর। কেন্দ্রে গর্ভবতী মায়েদের সেবা, স্বাভাবিক প্রসব সেবা, জটিল প্রসব সেবা, নবজাতকের সেবা, ৫ বছর কম বয়সী শিশুদের সেবা, গর্ভপাতজনিত সমস্যা, প্রজননতন্ত্রের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা দেয়ার কথা বিনে পয়সায়।
রোগি পরিবহনের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটি অযত্ন আর কর্ত"পক্ষের সিদ্ধান্তের অভাবে মাটির সাথে মিশে যাচ্ছ। একটি প্রকল্পের মাধ্যমে এই অ্যাম্বুলেন্সটি সরবরাহ করা হলেও প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় এর মেরামত ও তদারকি কাজে ভাটা পড়েছে। আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স সামান্য কিছু যন্ত্রপাতির অভাবে চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এটি তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এতে করে জটিল রোগিদের পরিবহনে নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ