ঢাকা, বুধবার 25 October 2017, ১০ কার্তিক ১৪২8, ৪ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রেমিকাকে ৭ টুকরা করে ড্রামে ভরে রাখে কলেজ শিক্ষক

 

সংগ্রাম ডেস্ক : আমতলীর হাসপাতাল সড়কের অ্যাডভোকেট মাঈনুল আহসান বিপ্লব তালুকদারের বাসা থেকে মালা (১৭) নামের এক কলেজছাত্রীর ৭ টুকরা ড্রামভর্তি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ঘাতক আলমগীর হোসেন পলাশ (৪৫)কেও আটক করেছে আমতলী থানা পুলিশ। ঘাতক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। শীর্ষনিউজ।

আমতলী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা সদর উপজেলার ঘুদিঘাটা গ্রামের আব্দুল মন্নান হাওলাদারের মেয়ে এবং কলাপাড়া মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী মালার সঙ্গে পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাসন্ডা গ্রামের মৃত আ: লতিফ হাওলাদারের ছেলে বরগুনার ঘটবাড়িয়া আদর্শ কলেজের প্রভাষক আলমগীর হোসেন পলাশের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ৭ বছর পূর্বে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াকালে মালার সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের জের ধরে ২২শে অক্টোবর পলাশ মালাকে নিয়ে তার ভাগ্নিজামাই আমতলীর হাসপাতাল সড়কের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মোঃ মাঈনুল আহসান বিপ্লব তালুকদারের বাসায় বেড়াতে যায়।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে অ্যাডভোকেট মাঈনুলের স্ত্রী তার ছেলেকে নিয়ে স্কুলে গেলে ওই সুযোগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পলাশ মালাকে ধারালো বটি দিয়ে গলা কাটে। গলা কাটার পর মালার ঘাড় থেকে মাথা বিছিন্ন করে ফেলে এবং হাত পা ও দেহ দুই টুকরাসহ মোট ৭ টুকরা করে দুটি ড্রামে ভরে লাশ ঘরের একটি কক্ষে লুকিয়ে রাখে। ভাগ্নিজামাই বিপ্লবকে এই খুনের কথা জানায়। বিল্পব বিষয়টি আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সহিদ উল্যাহকে জানালে তিনি পুলিশ নিয়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিপ্লবের বাসায় অভিযান চালিয়ে ঘরের বিভিন্ন কক্ষে লুকিয়ে রাখা ড্রামভর্তি মালার ৭ টুকরা লাশ উদ্ধার করে। পরে আলমগীর হোসেন পলাশকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর হোসেন পলাশ খুনের কথা স্বীকার করে।

জানায়, মালা আমাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়ায় আমি তাকে খুন করে লাশ ৭ টুকরা করে ড্রামে ভরে রাখি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ