ঢাকা, বুধবার 25 October 2017, ১০ কার্তিক ১৪২8, ৪ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

জিয়া অরফানেজ মামলায় ১১ সাক্ষীর পুনঃজেরা নাকচের বিরুদ্ধে আপিল

 

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় নয়জন সাক্ষীর পুনরায় জেরা করা এবং দু’জনকে নতুন করে জেরার আবেদন নামঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আপিল করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন খালেদার জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী। 

এর আগে গত রোববার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় নয়জন সাক্ষীর পুনরায় জেরা করা এবং দু’জনকে নতুন করে জেরার আবেদন নামঞ্জুর করে খালেদা জিয়ার করা আবেদন নিষ্পত্তি করে দেন হাইকোর্ট। আদেশে আদালত বলেন, এ মামলায় তারেক রহমানের পক্ষে এসব সাক্ষীর গ্রহণ করা জেরা খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা যাবে। 

বিচারপতি শওকত হোসেন ও বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 

গত ২৭ জুলাই এ মামলার নয় সাক্ষীকে জেরা ও দুই সাক্ষীকে পুনরায় জেরার আবেদন নাকচ করে দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত পঞ্চম বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন। এর বিরুদ্ধে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। শুনানি শেষে আগামী ২২ অক্টোবর আদেশের দিন ধার্য করা হয়।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ। এ মামলার অপর আসামিরা হলেন-খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ