ঢাকা, শনিবার 28 October 2017, ১৩ কার্তিক ১৪২8, ৭ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আসাদ বাহিনীই সারিন গ্যাস হামলা চালিয়েছে: জাতিসংঘ

২৭ অক্টোবর, বিবিসি : সিরিয়ার সরকারি বাহিনীই গত এপ্রিলে দেশটির বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত একটি শহরে সারিন গ্যাস হামলা চালিয়েছিল বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। বিবিসি জানায়, গত ৪ এপ্রিল আসাদ বাহিনীই ইদলিব প্রদেশের খান শেইখৌন শহরে রাসায়নিক অস্ত্র হামলা চালায় বলে জাতিসংঘ কর্তৃপক্ষ ‘নিশ্চিত’ হয়েছে; হামলায় অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু হয়।
ওই সময় সিরিয়ার বিরোধী দল, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর এ জন্য আসাদ বাহিনীকে দায়ী করে।
রাসায়নিক হামলার জবাব দিতে এপ্রিলের শেষ দিকে ভূমধ্যসাগরে অবস্থানরত দুটি যুদ্ধজাহাজ থেকে সিরিয়ার হামস প্রদেশের শায়রাত বিমান ঘাঁটিতে ৫৯টি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে যুক্তরাষ্ট্র। শায়রাত বিমান ঘাঁটি থেকেই খান শেইখৌন শহরে রাসায়নিক অস্ত্র হামলা চালানো হয়েছিল বলে দাবি ছিল তাদের। যদিও সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ এবং তার মিত্র রাশিয়া শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তাদের দাবি, তারা বিদ্রোহীদের একটি অস্ত্র গুদামে বিমান হামলা চালিয়েছিল। গুদামটি রাসায়নিক অস্ত্র তৈরির উপাদানে পূর্ণ ছিল এবং সেখান থেকেই সারিন গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। হামলার পরপরই ফরাসি গোয়েন্দারা এর পেছনে সিরিয়া সরকারের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছিল।
ফ্রান্সের গোয়েন্দাদের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ অথবা তার ঘনিষ্ঠজনদের কেউ ওই হামলার নির্দেশ দিয়েছিল।
নোবেলজয়ী রাসায়নিক অস্ত্রনিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস (ওপিসিডব্লিউ) এবং জাতিসংঘের জয়েন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজমের (জেআইএম) যৌথভাবে সিরিয়ায় সারিন গ্যাস হামলা নিয়ে সর্বশেষ এ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে যা ধারণা করে আসছিলাম আজকের প্রতিবেদ তা সত্য বলে নিশ্চিত করেছে।”

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ