ঢাকা, রোববার 29 October 2017, ১৪ কার্তিক ১৪২8, ৮ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বড়াইগ্রামে চাঁদা না দেয়ায় অধ্যক্ষকে পিটিয়ে জখম 

বড়াইগ্রাম (নাটোর) সংবাদদাতা : নাটোরের বড়াইগ্রামে চাঁদা না দেয়ায় প্রকাশ্যে শত শত লোকের সামনে অধ্যক্ষকে রড ও বাটাম দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। একই সাথে তার মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে জোনাইল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। 

কলেজ সূত্রে জানা যায়, জোনাইল ডিগ্রি কলেজে প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যায়ে ৪ তলা বিশিষ্ট আইসিটি ভবন নির্মাণ কাজ চলছে। এক মাস আগে জোনাইলের গোলজার হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ সরকারদলীয় কয়েক জন যুবক ভবনের ঠিকাদার আবুল হোসেনের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। কিন্তু চাঁদা না দেয়ায় তারা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে দুইদিন আগে গভর্নিং বডির সদস্য ও শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করে অধ্যক্ষ আবুল আসর মোহাম্মদ শফিউজ্জামান ঠিকাদারকে দিয়ে নির্মাণ কাজ আবার শুরু করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার দুপুর বারোটার দিকে অধ্যক্ষ জোনাইল বাজার থেকে মোটর সাইকেলে কলেজে যাবার সময় জাহাঙ্গীরসহ ১০-১২ জন যুবক রড ও কাঠের বাটাম নিয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা করে। এ সময় তিনি মোটর সাইকেল থেকে পড়ে গেলে তাকে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে জখম করে তারা। একই সাথে তারা অধ্যক্ষের মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করে। পরে কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য আবু হেলালসহ স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় সন্ত্রাসীরা আবু হেলালের ঔষধের দোকানে চড়াও হন। পরে খবর পেয়ে কলেজের শিক্ষকেরা এসে তাকে বড়াইগ্রাম হাসপাতালে ভর্তিং করেন। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধান করে ১২ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। 

আহত অধ্যক্ষ আবুল আসর মোহাম্মদ শফিউজ্জামান বলেন, ভবনের কাজ শুরু করার পর থেকেই জাহাঙ্গীরসহ কিছু ছেলেরা চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা না দেয়ায় প্রকাশে যেভাবে আমাকে মারপিট করেছে আমি তাতে বিস্মিত ও হতবাক। আমি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।  

এ ব্যাপারে ওসি শাহরিয়ার খান জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার পারভেজ বলেন, আমি ঢাকায় একটি প্রশিক্ষণে আছি, এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ