ঢাকা, রোববার 29 October 2017, ১৪ কার্তিক ১৪২8, ৮ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিএনপি চেয়ারপার্সনের গাড়ীবহর এবং গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণ গণতন্ত্রের সংকটকে আরো ঘনীভুত করলো

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের গাড়ীবহর এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের গাড়ীসহ গণমাধ্যমের ওপর এই আক্রমণ বর্তমানে গণতন্ত্রের সংকটকে আরো ঘনীভুত করেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এক জরুরী সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। 

রিজভী বলেন, মিয়ানমারে নিজেদের দেশ ও ঘরবাড়ী থেকে উচ্ছেদ হওয়া দুর্দশাগ্রস্ত ও অসহায় রোহিঙ্গাদেরকে ত্রান ও সাহায্য বিতরণের জন্য আজ সকালে নিজ বাসভবন থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতৃবৃন্দ সহকারে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে বিএনপি চেয়ারপার্সনের এই সফরের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণরুপে মানবিক সহায়তার জন্য। তাদের খাদ্য, চিকিৎসা ও জীবনধারণের জন্য যতটুকু সম্ভব প্রয়োজনীয় সামগ্রীসহ দলের পক্ষ থেকে তিনি ত্রান বিতরণ করবেন। 

কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মানবতা ও মানুষের দু:খ-বেদনাকে পরোয়া করে না। তারা প্রতিহিংসার গজকাঠি দিয়ে সবকিছু পরিমাপ করে। বাংলাদেশে আশ্রিত নি:স্ব ও অবলম্বনহীন রোহিঙ্গাদের জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্রান তৎপরতাকে তারা সহ্য করতে পারছে না। বেগম জিয়ার বিপুল জনপ্রিয়তায় কান্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলে এখন ভোটারবিহীন সরকার জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতেই বরাবরের মতো রক্তাক্ত সন্ত্রাসকে অবলম্বন করে দেশনেত্রীর গাড়ীবহরে বেপরোয়া হামলা চালিয়েছে। আওয়ামী লীগের মহৎ কৃতিত্ব হচ্ছে গণতন্ত্রকে বধ করে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করতে নানা ধরণের নিষ্ঠুর-নির্দয় নির্যাতন করা।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের গাড়ীবহর ফেনী শহরে ঢোকার সময় আকস্মিকভাবে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বহরের ওপর হামলা চালিয়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীসহ গণমাধ্যমের গাড়ীতেও পৈশাচিক হামলা চালায়। এই হামলায় শুধুমাত্র ব্যাপক গাড়ী ভাংচুরই হয়নি, গণমাধ্যমের অসংখ্য সাংবাদিক সন্ত্রাসীদের দ্বারা শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। বিএনপি’র অনেক নেতাকর্মীও আওয়ামী ক্যাডারদের বর্বরোচিত আক্রমণে আহত হয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপার্সনের গাড়ীবহর এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের গাড়ীসহ গণমাধ্যমের ওপর এই আক্রমণ বর্তমানে গণতন্ত্রের সংকটকে আরো ঘনীভুত করলো এবং দেশ থেকে শান্তি, সহাবস্থান, স্থিতি ও পরমতসহিষ্ণুতা ফিরে আসার বদলে জুলুম-সন্ত্রাসের নানা ডাইমেনশনকেই স্বীকৃতি দেয়া হলো। সরকার তাদের অকল্পনীয় দানবীয় শক্তির জোরে বিরোধী দলশুন্য যে সমাজ-রাষ্ট্র সৃষ্টি করতে চাচ্ছে তা আবারো আজকের ঘটনার মধ্য দিয়ে সুষ্পষ্ট হলো। সরকার স্বচ্ছ নির্বাচন, নির্বিঘেœ ভোটাধিকার প্রয়োগ, বাক-স্বাধীনতাকে চিরতরে বন্দী করে রাখার জন্যই সন্ত্রাসের কাছে আত্মনিবেদন করেছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থণা জানাতে পথে পথে মানুষের যে সমুদ্র তৈরী হয়েছে এতেই ইর্ষান্বিত হয়ে সরকারী দল মানসিক ধৈর্য হারিয়ে দলীয় গুন্ডাদের লেলিয়ে দিয়ে চেয়ারপার্সনের গাড়ীবহরে হামলা চালিয়েছে।

তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সনের গাড়ীবহরে, গণমাধ্যমের গাড়ীতে হামলা ও সাংবাদিকদেরকে শারীরিকভাবে আক্রমণসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করার কাপুরুষোচিত, বর্বর, ঘৃন্য, পৈশাচিক, নির্দয় ও নিষ্ঠুর ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানান

বিএনপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের যেসমস্ত গুন্ডারা গণমাধ্যমের সাংবাদিকসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। আহত সাংবাদিক বন্ধুরাসহ বিএনপি নেতাকর্মীরা যারা সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়েছেন তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং তাদের আশু সুস্থতা কামনা করছি। যেসব স্থানে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবী জানাচ্ছি।

আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্বারা বিএনপি চেয়ারপার্সনের গাড়ীবহরের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের কিছু সংক্ষিপ্ত বর্ণনা তুলে ধরে বলেন,নারায়ণগঞ্জ কাচঁপুর ব্রীজে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশনেত্রীর গাড়ী বহরে বাধা দিয়েছে। কুমিল-ায় গতরাতে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ী বাড়ী তল-াসী চালিয়ে ৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। দাউদকান্দি, কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জে আওয়ামী ক্যাডার বাহিনী বিএনপি চেয়ারপার্সনের গাড়ী বহরে হামলা করে ভাংচুর করেছে। চান্দিনার কুটুম্বপুর থেকে শারপাজ, বরকা, নুরীতলা, নুরমানিকচর, বাগৈ এলাকায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে বাধা দিয়েছে। ফেনীর বেকেরবাজার, নোয়াখালীর কো¤ক্সানীগঞ্জে রাস্তায় গাছ কেটে ফেলে রেখে আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা বাধার সৃষ্টি করেছে। ফেনীর পাঁচগাছিয়া রোডের বাসস্ট্যান্ডের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে নেতাকর্মীদের আহত করেছে। চট্রগ্রামের মিরেশ্বরাই থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসেন, করেরহাট ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন ও ছাত্রনেতা মোঃ রানাকে আওয়ামী ক্যাডাররা মারাত্মকভাবে আহত করে। তারা এখন মুমুর্ষ অবস্থায় চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। চান্দিনা কুডুমপুরস্থ’ খাদঘর এলাকায় ফেস্টুন লাগানোর সময় কুমিল-া উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম আবুল কালাম আজাদ এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা খোকন, ইয়াসিন ভূঁইয়া, শরিফ হোসেনসহ ৭জনকে আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীবাহিনী আক্রমণ করে আহত করে। তারা এখন চান্দিনা হাসপাতলে চিকিৎসাধীন আছে। ধানমন্ডি থানা বিএনপির নেতা এমদাদুল হক রিপন, ১৫নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা রুহুল বেপারী, মোঃ সবুজ, নাছির, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ মামুন, যুবদল নেতা মোঃ হাসান ও শ্রমিক দল নেতা ইমামউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চট্রগ্রাম সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মামুনের নেতৃত্বে চট্রগ্রাম সিটি গেটের বিএনপির সকল ব্যানার, ফেস্টুন পুড়িয়ে দিয়েছে এবং বায়েজিদ বোস্তামি টি-বোর্ডের সামনে সৈয়দ মঞ্জুরসহ ১২/১৪ জন আহত হয়। গতকাল ২৭ অক্টোবর শুক্রবার যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় যুবদল নেতা কামাল আহম্মেদ, শওকত আলী, মোঃ আজিম, আরজু রহমান ও নুরুল আজমকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়। ফেনী মহিপাল ব্রীজের নিকট বিএনপি চেয়ারপার্সনের গাড়ী বহরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা করে নবী উল্লাহ নবীর গাড়ীসহ ২টি গাড়ী ভাংচুর করে। ফেনী শহরের আগে ধর্মপাল এলাকায় আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা হামলা চালিয়ে চ্যানেল আই, বৈশাখী এবং ৭১ টেলিভিশনের গাড়ী  এবং মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির ২৫টি গাড়ী ভাংচুর করে। ড্যাবের ২টি গাড়ীতে আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়ে ডাঃ তৌহিদ, আখতারুজ্জামান, শরিফ হোসেন, আবদুল কাদের সজিব, জাভেদ, ডাঃ সোহান, আরিফ, ফারুক, মারুফ, ড্রাইভার ঝন্টু মিয়া, রিপনকে মারাত্মকভাবে আহত করে। গুলশানের যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম শাহীনকে আওয়ামী গুন্ডাবাহিনী পিটিয়ে আহত করেছে এবং ১৮ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি শওকত নিখোঁজ রয়েছে। ফেনীতে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় কাউসার, বাপ্পী, রিজভী মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। কাউসার চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যায়যায় দিন পত্রিকার সাংবাদিক হাসান মোল্লা, নয়াদিগন্তের সাংবাদিক মঈনউদ্দিন খান, প্রথম আলোর সাংবাদিক সেলিম জাহিদ, ফটো সাংবাদিক আশরাফুল আলম, ডেইলী স্টারের সাংবাদিক মাসুম, যুগান্তর পত্রিকার সাংবাদিক হাবিবুর রহমান হাবিব, বিডি নিউজ অন লাইন পত্রিকার সাংবাদিক সুমন মাহমুদ, কালের কন্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক শফিক শাফি, ৭১ টিভির রিপোর্টার শফিক আহমেদ, বৈশাখী টিভির রিপোর্টার মোর্শেদ, সাংবাদিক হাসান শিপলুসহ গণমাধ্যমের গাড়ীত আওয়ামী ক্যাডাররা ব্যাপক হামলা চালিয়ে গাড়ী ভাংচুর করে, ৭১ টিভির ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে ভাংচুর করে এবং সাংবাদিকের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বেশ কয়েকটি গাড়ী আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভাংচুর করে। দেশনেত্রীর বহরে থাকা শ্রমিক দলের একটি গাড়ী আওয়ামী ক্যাডাররা ভাংচুর করে। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনের গাড়ী বহরে ৩টি গাড়ী ভাংচুর করে ৫ জনকে আহত করে এবং হুমায়ুন কবির রাজুকে ধরে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। সে এখন ম্যাক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মোবাইল এবং টাকা পয়সা কেড়ে নিয়ে গেছে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রহমান, সহ-সভাপতি নাজমুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক তুষার ও বিল্লাল আহত হয় এবং তাদের গাড়ী ভাংচুর করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। ঢাকার হাজারীবাগ থানার সাধারণ সম্পাদক আজিজের গাড়ীতে আক্রমণ করে গুলিবর্ষণ করে। ফেনীর বারইরহাটে এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার হাসান মাহমুদ, ক্যামেরাম্যান অজিত আইচ তাপস এবং ব্রডকাষ্ট টেকনিশিয়ান মো: সাঈদ হামলার সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন এবং তাদের গাড়ী ভাংচুর করা হয় ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।   

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল বিকেলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কক্সবাজার যাওয়ার বিষয়টি পূর্বনির্ধারিত। রাস্তায় যেন কোনো সমস্যা না হয়, সে জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল। এরপরও পথিমধ্যে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশে ফেরার পর খালেদা জিয়ার ডান চোখে ব্যান্ডেজ করা ছিল। তিনি লন্ডনে থাকা অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দেশে ফিরে রোহিঙ্গাদের দেখতে যাবেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি আজ কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু ফেনীতে সড়কে গাছ কেটে রাখা হয়েছে, চান্দিনার কুটুম্বপুর ও মুনিতলা এলাকায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা করেছে। চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগের লোকেরা হামলা চালিয়েছেন।

রুহুল কবির রিজভী দাবি করেন, বিএনপির জনপ্রিয়তায় শঙ্কিত হয়ে সরকার ও ক্ষমতাসীন দল এই হামলা করেছে। বিএনপি নেত্রীকে দেখতে পথে মানুষের যে ঢল নামে, সেই ঢল থামাতে সরকার-সমর্থকেরা নিম্ন রুচির পরিচয় দিয়েছেন। এসব হামলা ও বাধা দিয়ে বিএনপির জনপ্রিয়তা কমানো যাবে না। আজ সকালে কক্সবাজার যাওয়ার উদ্দেশে খালেদা জিয়া যখন তাঁর বাসভবন থেকে বের হচ্ছিলেন, তখন কয়েকটি টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করছিল। এই সম্প্রচার সরকারের নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দাবি করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, কয়েকটি টেলিভিশন বিএনপি নেত্রীর বাসভবনের ওখানে সরাসরি দেখাচ্ছিল। সেখানে সেই সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়। এটা আসলে সরকারের নির্দেশেই টেলিভিশন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ লাইভ দেখানো বন্ধ করেছে, সরকারের হুমকিতেই এটা বন্ধ হয়েছে।

তিনি বেগম জিয়ার গাড়িবহরে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নিরাপত্তা দেয়ার আহ্বান জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে দলের সহদফতর সম্পাদক মুনির হোসেন, তাইফুল ইসলাম টিপু, সহপ্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, কেন্দ্রীয় নেতা জেড মোর্তুজা চৌধুরী তুলা, আব্দুল খালেক, জাসাস নেতা সিরাজুল ইসলাম খান, যুবদল দল নেতা গিয়াস উদ্দিন মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ