ঢাকা, শুক্রবার 21 September 2018, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

এমপি শওকত চৌধুরীর জামিন নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত

সংগ্রাম অনলাইন:নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. শওকত চৌধুরীর জামিন বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে এ সময়ের মধ্যে তাঁকে লিভ টু আপিল করতে বলা হয়েছে।

আজ রোববার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে শওকতের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস ও আইনজীবী নুরুল ইসলাম সুজন।

গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্ট ৫০ দিনের মধ্যে ২৫ কোটি টাকা বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে জমা না দিলে এমপি শওকতের জামিন বাতিল হবে বলে রায় দিয়েছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৮ ও ১০ মে শওকত চৌধুরীসহ ওই ব্যাংকের নয় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বংশাল থানায় দুটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন—কমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বংশাল শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মো. হাবিবুল গনি, চাকরিচ্যুত অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার শিরিন নিজামী, সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সফিকুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট পানু রঞ্জন দাস, ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ইখতেখার হোসেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার দেবাশীষ বাউল, এক্সিকিউটিভ অফিসার ও বর্তমানে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার আসজাদুর রহমান।

এর পর আগস্ট মাসে শওকত চৌধুরী হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে নিম্ন আদালতও তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।

অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের বংশাল শাখা থেকে ২০১৬ সালের ৮ মে ৮২ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৫ এবং ১০ মে ৯৩ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ২১৩ টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে এমপি শওকতসহ নয়জনের নামে দুটি মামলা করে দুদক।

২০১২-এর ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ৩৭টি এলসি খুলে মেসার্স যমুনা এগ্রো কেমিক্যাল, মেসার্স এগ্রো কেমিক্যাল লিমিটেড ও উদয়ন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নামে অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে তিনি এ ঋণ জালিয়াতি করেন।-এনটিভি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ