ঢাকা, সোমবার 30 October 2017, ১৫ কার্তিক ১৪২8, ৯ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রি-পেইড মিটারে ভাড়া কেটে নেয়ার প্রতিবাদে খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারি

খুলনা অফিস : বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রি-পেইড মিটারের মূল্য বাবদ ভাড়া কেটে নেয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি খুলনা জেলা শাখা কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি ওজোপাডিকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৪’র ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে দেয়া এক পত্রে এ হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

সমিতির লিখিত পত্রে উল্লেখ করা হয়, গ্রাহকদের নিকট থেকে প্রি-পেইড মিচার ভাড়া বাবদ ক্ষুদ্রশিল্প বাণিজ্য মিটারের ভাড়া প্রতি মাসে ২৫০ টাকা জোর করে আদায় করা শুরু হয়েছে। যা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে বোধগম্য নয়। কারণ প্রি-পেইড মিটারগুলো লাগানোর সময় মূল্য দিতে হবে না মর্মে জানানো হয়। অথচ প্রতিস্থাপনের ৬ থেকে ৯ মাসের মাথায় এসে গ্রাহকদের কাছ থেকে মিটারের মূল্য বাবদ ভাড়া আদায় করার প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়েছে এবং টাকাও কেটে নেয়া হচ্ছে। এতে সকল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা খুবই মর্মাহত।

এতে আরও বলা হয়, এনালগ মিটার যুগ যুগ ধরে ব্যবহার করে আসছিলাম। এ সময়ে তেমন কোন অসুবিধা ছিল না। এরপর বিদ্যুৎ বিভাগের আদেশে অতিনিম্ন মানের প্রি-পেইড মিটার লাগাতে বাধ্য হয়েছি। অল্পদিনের মধ্যে বেশ কিছু মিটার বিকল বা নষ্ট হয়, যার ফলে গ্রাহকদের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। মিটারগুলি প্রতিস্থাপন বা মেরামত করার জন্য বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ টাকা দাবি করেন, যা বহন রা খুবই কষ্টসাধ্য।

লিখিত পত্রে আরও বলা হয়, যা খুশি তাই করা হবে আর গ্রাহকরা তা অসহায় এর মতো মেনে নিবে এটা মনে করা হয়। এ অবস্থায় ক্ষুদ্র শিল্প ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। দেশের ক্ষুদ্র শিল্প বর্তমানে খুবই খারাপ অবস্থায় পতিত হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ বিল এর মূল্য বৃৃদ্ধি আমাদের কাছে এক আতঙ্ক। খুলনা শহরে ক্ষুদ্র শিল্প প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৫ হাজার এবং পরোক্ষভাবে ১০ হাজার নিয়োজিত রয়েছে। গ্রাহকদের নানারূপ হয়রানির থেকে মুক্তি এবং যথাসময়ে প্রি-পেইড মিটারের ত্রুটি সংশোধন করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু না করলে শ্রমঘন শিল্পগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। অথবা আমরা এই সকল ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে জীবন বাঁচাতে কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে সমিতি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ