ঢাকা, সোমবার 30 October 2017, ১৫ কার্তিক ১৪২8, ৯ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনা-কলকাতা ট্রেন চালু হচ্ছে ৯ নবেম্বর

খুলনা অফিস : খুলনা ও কলকাতার মধ্যে ৫২ বছর পর নিয়মিত চালু হতে যাচ্ছে যাত্রীবাহী ট্রেন। আগামী ৯ নবেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে মৈত্রী ট্রেন-২ পরিষেবা।
ভারতের পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ কর্মকর্তা রবি মহাপাত্র বলেন, ৯ নবেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ট্রেনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা উদ্বোধন করবেন। এই ট্রেন চলবে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে যশোর থেকে খুলনা পর্যন্ত। এর আগে অবশ্য গত ৮ এপ্রিল পরীক্ষামূলক যাত্রীবাহী এই ট্রেন চালানো হয় এই পথে। ওই দিন খুলনা থেকে এই ট্রেনটি ছেড়ে আসে কলকাতায়। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর খুলনা-কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়।
যাত্রী ভোগান্তি কমাতে আগামী ৩ নবেম্বর থেকে কলকাতা-ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের আর পশ্চিমবঙ্গের গেটে ও বাংলাদেশের দর্শনায় অভিবাসন ও ইমিগ্রেশন চেকিং তুলে নেয়া হচ্ছে। এর ফলে দুই সীমান্তে তিন থেকে চার ঘণ্টা যে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হতো, সেটা আর থাকছে না। ফলে ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে ট্রেন চলাচলের সময় অন্তত তিন ঘণ্টা কমে যাবে। বিমানবন্দরের মতো এবার কলকাতা ও ঢাকা স্টেশনে দুই দেশের অভিবাসন দপ্তর যাত্রীদের পরীক্ষা করবে। এই ব্যবস্থা চালু হলে কলকাতা থেকে ঢাকা ছয় ঘণ্টায় পৌঁছে যাবে।
ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে চালু হয়েছিল যাত্রীবাহী আন্তর্জাতিক ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস। গত ২৩-২৫ মে কলকাতায় ভারত ও বাংলাদেশের রেল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে এই মৈত্রী-২ ট্রেনটি চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। প্রথম পর্যায়ে ট্রেনটি সপ্তাহে দুই দিন চলবে বলে জানানো হয়। ট্রেনটিতে মোট ১০টি এসি কোচ থাকছে। থাকছে এসি কেবিন ও চেয়ার কার। থাকছে ৪১৮ যাত্রীর বসার ব্যবস্থা। ট্রেনটি কলকাতা স্টেশন থেকে সকাল ৭-১০ মিনিটে ছেড়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল হয়ে যশোর পথে খুলনায় পৌঁছাবে বেলা ১১টায়। অভিবাসন ও শুল্ক বিভাগের কাজ হবে পেট্রাপোল ও বেনাপোল সীমান্তে। কলকাতা-খুলনার এই ১৮০ কিলোমিটার পথের ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে এসি কেবিন ৮ ডলার ও চেয়ার কার ৫ ডলার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ