ঢাকা, সোমবার 30 October 2017, ১৫ কার্তিক ১৪২8, ৯ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে -মেনন

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। এটা উদ্বেগজনক। গতকালও নরসিংদীতে পঞ্চম শ্রেণীর এক কন্যা শিশুকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আমাদের দেশের জন্য খুবই ভয়াবহ, ন্যক্কারজক। যা শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্তরায়। এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।
আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘শিশুর অধিকার ও বিশ্ব মানবতা’ শীর্ষক গোল টেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডিআরইউর অর্থসম্পাদক মানিক মুনতাসিরের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করে সংগঠনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়য়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিসেফের কমিউনিকেশন বিশেষজ্ঞ ফারিয়া সেলিম। এতে আরো বক্তব্য দেন ডিআরইউর যুগ্মসম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম সামাদ, ডিআরইউর যুগ্মসম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম সামাদ, ডিআরইউর সাবেক সহ-সভাপতি মাহমুদা চৌধুরী, খায়রুজ্জামান কামাল, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শেখ মামুন  সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জিলানী মিলটন, নারী বিষয়ক সম্পাদক দিনার সুলতানা, কার্যনির্বাহী সদস্য নুরুল ইসলাম হাসিব। সভায় উপস্থিত ছিলেন আপ্যায়ন সম্পাদক কামাল উদ্দিন সুমন, হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, রোহিঙ্গা শিশুদের সুরক্ষা ও তাদের চাহিদা পূরণের দায়িত্ব শুধু বাংলাদেশর নয়, বিশ্ব সম্প্রদায়কেও এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। এবং এসব শিশুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য তাদেরকে নিজ বাসভূমি রাখাইনে ফেরত নিতে মায়ানমারকে বাধ্য করতে হবে। এ জন্য জাতিসংঘকে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, মায়ানমার থেকে আসা শরণার্থীদের মধ্যে প্রায় ষাট হাজার মহিলা সন্তান সম্ভবা। শরণার্থী শিবিরে এসব মহিলাদের পরিচর্যা সম্ভব নয় তাই দ্রুত এসব মহিলাসহ সকল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে দ্রুত ফিরিয়ে না নিলে মানবিক বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী।
ডিআরইউ সভাপতি বলেন, শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সামাজিকভাবে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। শিশু নির্যাতন বন্ধে জনসচেনততা বাড়াতে হবে। ডিআরইউ ও ইউনিসেফ যৌথভাবে সেই কাজটিই করার চেষ্টা করছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ