ঢাকা,বৃহস্পতিবার 15 November 2018, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মাগুরায় মুরগী ফার্ম গড়ে দুলাল এখন স্বাবলম্বী

সংগ্রাম অনলাইন : মুরগী ফার্ম করে সফল্য অর্জন করেছেন মাগুরার দেলোয়ার হোসেন দুলাল নামে এক যুবক। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে বিনিয়োগকৃত পুঁজি ঘরে ওঠার পাশাপাশি তার ফার্মে এখন রয়েছে আট থেকে ১০ লক্ষ টাকার টার্কি জাতের মুরগী। দুলালের সফলতা দেখে এখন মাগুরাসহ আশপাশের জেলার অনেকে যুবকই মুরগী ফার্ম গড়ে তুলতে আগ্রহী হচ্ছে।

মাগুরা শহরের ভায়না এলাকার বাসিন্দা দোলোয়ার হোসেন দুলাল জানান, ১০-১২ বছর ধরে তিনি বাণিজ্যিকভাবে কবুতর পালন করে আসছিলেন। ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে তিনি মাগুরা সদর উপজেলার অবালপুর গ্রামে এক লক্ষ ৭৫ হজার টাকা দিয়ে ভারত থেকে টার্কি জাতের দুইশ’ বাচ্চা এনে ফার্ম গড়ে তোলেন। তিন মাস লালন-পালনের পর বিক্রি করে বিনিয়োগকৃত পুঁজি ঘরে তোলেন। এরপর তিনি ৫০ হাজার টাকা দিয়ে একটি ইনকিউবিটর ম্যাসিন কিনে নিজেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানো শুরু করেন। বর্তমানে তার ফার্মে আরো সাড়ে তিনশ বড় মুরগী রয়েছে। যার বাজার মূল্য আট থেকে ১০ লক্ষ টাকা। এ ছাড়াও তিনি নিয়মিতভাবে ডিম থেকে উৎপাদিত টার্কির বাচ্চা বিক্রি করে আসছেন। শুধু নিজ জেলা মাগুরা নয়, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ আসছেন তার ফার্ম থেকে বাচ্চা কিনতে। তার কাছ থেকে বাচ্চা সংগ্রহ করে ইতিমধ্যে মাগুরা জেলার ৪-৫ টি ছোট টার্কি মুরগী ফার্ম গড়ে উঠেছে।

মধুখালী ও ফরিদপুর থেকে দুলালের ফার্মে মুরগী কিনতে আসা দুই যুবক মোতালেব হোসেন ও সুজন মোল্লা জানান, তারা ইন্টারনেটে দুলালের টার্কি মুরগী পালনের সফলার কথা জানতে পেরে এখান থেকে কয়েকটি বাচ্চা নিয়েছিলেন। তারা আবার এসেছেন টার্কির বাচ্চা কিনতে। আগামীতে তারাও দুলালের মত বড় ফার্ম গড়ে তুলবেন বলে আশা করছেন’।

জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা কানাই লাল স্বর্ণকার বলেন, ‘টার্কি মুরগী পালন করে মাগুরার দেলোয়ার হোসেন দুলাল স্বাবলম্বী হয়েছেন। অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় তার দেখাদেখি আরো অনেকে ছোট-ছোট ফার্ম গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করছে। এতে করে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্ঠির পাশাপাশি জেলার মানুষের পুষ্টির যোগান নিশ্চিত হবে। সূত্র: বাসস। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ