ঢাকা, শুক্রবার 3 November 2017, ১৯ কার্তিক ১৪২8, ১৩ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কেশবপুরে বাঁশবাড়িয়া বাজারে সরকারি জমি উদ্ধারের দায়িত্ব কার?

কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা: যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া বাজারের ১নং সরকারি খাস খতিয়ানের ৭ শতক জমি উদ্ধারের দায়িত্ব কার? জেলা প্রশাসকের না জেলা পরিষদের! ওই জমির ওপর অবৈধভাবে নির্মিত পাকাঘর সাম্প্রতি জেলা পরিষদ তাদের দাবি করে এর দেয়ালে সাইন বোর্ড মেরে দিয়েছে। ফলে জমির মালিকানা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন চলছে। ওই ঘর নির্মাণের শুরুতেই এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের একাধিক দপ্তরে আবেদন করলেও সংশ্লিষ্ট তহশীলদার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নামে সময় ক্ষেপন করে দুই ভূমিদস্যুকে পাকাঘর নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান ওই ভূমিদস্যুরা সিরাজুল ইসলামকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মৃত মজিদ বখস সরদারের ছেলে সিরাজুল ইসলাম ত্রিমোহিনী-সাগরদাঁড়ি সড়কের বাঁশবাড়িয়া বাজারের দক্ষিণ মাথার পশ্চিম পাশের হাল- ২৭১ দাগের ২৮ শতক জমির সত্ত্বাধিকারী হয়ে সরকারি খাস জমি রেখে ২০১৫ সালে ৭/৮টি দোকান ঘর নির্মাণ করেন। ওই দোকান ঘরের আয়ের টাকায় চলে তার সংসার। গত ২০১৬ সালের ২৭ মার্চ সিরাজুল ইসলামের নির্মাণাধীন ঘরের সামনের সরকারি খাস জমি জবর দখল করে পাকাঘর নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন বাঁশবাড়িয়া গ্রামের তমিজউদ্দীনের ছেলে আব্দুল হান্নান ও আমীর আলী সানার ছেলে গোলাম হায়দার। সিরাজুল ইসলামের ঘরের সামনে সরকারি জায়গা দখল করে পাকাঘর নির্মাণ কাজ বন্ধে আবেদন জানিয়ে ২০১৫ সালের ১৯ মে সিরাজুল ইসলাম সহকারি কমিশনারের (ভূমি) কাছে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ অভিযোগের শুনানী শেষে রায় সিরাজুল ইসলামের পক্ষে যায়। কিন্তু এরপরও সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা বন্ধে প্রশাসন অজ্ঞাত কারণে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ওই দুই ভূমিদস্যু নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখে বসতবাড়িসহ ৫/৬টি দোকান ঘর নির্মাণ করেন। ফলে সিরাজুল ইসলামের দোকান ঘর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ