ঢাকা, শনিবার 4 November 2017, ২০ কার্তিক ১৪২8, ১৪ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কেশবপুরে দুই শিক্ষক দলিল লেখক

কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা: যশোরের কেশবপুরে দুই স্কুল শিক্ষক সরকারি টাকা উত্তোলনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে স্কুল ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে দলিল লেখকের কাজ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষকের অভাবে শ্রেণীকক্ষের লেখাপড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলার মঙ্গলকোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন ও মনিরামপুরের মনোহরপুর ইউনিয়নের রোজিপুর কেএমএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্ম শিক্ষক ও উপজেলার কলাগাছি গ্রমের হায়দার আলী দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতার পাশাপাশি অবৈধভাবে দলিল লেখকের কাজ করে আসছেন। তারা প্রধান শিক্ষককে ম্যনেজ করে স্কুল ফাঁকি দিয়ে কেশবপুর দলিল লেখক সমিতির সদস্য হয়ে দলিল লেখকের কাজ করেছেন। ফলে শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষকের অভাবে শ্রেণীকক্ষের লেখাপড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন দলিল লেখক জানান, যেহেতু ওই দুই শিক্ষক সরকারি বেতনভাতা উত্তোলন করছেন, সেহেতু তারা কখনও দলিল লেখকের কাজ করতে পারবেন না।
ওই দুই শিক্ষক স্কুলের চাকরীর তথ্য গোপন করে দলিল লেখার লাইসেন্স করেছেন। যা সম্পূর্ণ নিয়মবর্হিভূতভাবে করেছেন।
এ ব্যাপারে দলিল লেখক জাহাঙ্গীর হোসেন দলিল লেখার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি অবসর সময়ে এ কাজ করে থাকি।
কেশবপুর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানান, দলিল লেখক জাহাঙ্গীর হেসেনের লাইসেন্স নং-১০৭ ও হায়দার আলীর লাইসেন্স নং-১১৪। তারা শিক্ষক হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ যদি তাদের লাইসেন্স দেয় তাহলে আমাদের করার কিছুই নেই।
যশোর জেলা রেজিস্টার নৃপেন্দ্র নাথ শিকদার বলেন, যেহেতু তারা চাকলী করেন সেহেতু তারা একাজ করতে পারবেন না।
উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রারের সুপারিশে তাদের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ