ঢাকা, শনিবার 4 November 2017, ২০ কার্তিক ১৪২8, ১৪ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চুয়াডাঙ্গায় গুম হওয়ার ৪ মাস পর জীবিত আটক

চুয়াডাঙ্গা (সদর) সংবাদদাতা  : চুয়াডাঙ্গা আদালতে মামলায় উল্লেখ মৃত কলম আলীকে জীবিত আটক করা হয়েছে । দ্বিতীয় বিয়ে করে শ্বশুর বাড়িতে আত্মগোপন করে থাকা কলম আলীকে শৈলকুপা উপজেলায়র মোহাম্মদপুর গ্রাম থেকে পুলিশ আটক করে । কলম আলী তার প্রথম পক্ষের শ্বশুরদেরকে ফাঁসাতে গুম নাটক করেছিলেন । তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের সাত্তার আলীর ছেলে । পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে,সাত্তার আলীর ছেলে কলম আলী ৮-৯ বছর আগে ঝিনাইদাহ সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মোতালেব বিশ্বাসের মেয়ে সালমা খাতুনকে বিয়ে করেন। এক পর্যায়ে কলম আলী দ্বিতীয় বিয়ে করলে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয় । পরবর্তীতে কলম আলী দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেন। গত ২৬ জুন প্রথম পক্ষের শ্বশুর মোতালেব সহ তাদের লোকজন এসে কলম আলীকে নিয়ে যায় । এরপর থেকে কলম আলী নিখোঁজ ছিলেন । ৯ জুলাই কলমকে অপহরণমুলক খুন করে গুম করা হয়েছে বলে কলমের পিতা সাত্তার আলী চুয়াডাঙ্গা আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন । মামলায় আসামী করা হয় কলমের প্রথম পক্ষের শ্বশুর মোতালেব বিশ্বাস,শাশুড়ি,রুকিয়া খাতুন,স্ত্রী সালমা খাতুন ও শ্যালক তানজিলা বিশ্বাসকে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই শফিকুল ইসলাম জানান,মামলায় উল্লেখ নিহত কলম আলী শৈলকুপা উপজেলাল মোহাম্মদপুর গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রথম পক্ষের শ্বশুর,শাশুড়ি,স্ত্রী ও শ্যালককে ফাঁসানোর জন্য আত্মগোপন করে ছিলেন। ঝিনাইদহ পুলিশের সহযোগিতায় গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সেখান থেকে কলম আলীকে আটক করে।
শ্রমিকনেতা সিরাজ গ্রেফতার
চুয়াডাঙ্গা ট্রাক ও ট্যাঙ্কলরি শ্রমিকনেতা সিরাজকে পুলিশ  গ্রেফতার করেছে। গতরাত ৮টার দিকে সিরাজকে তার ট্রাক বন্দোবস্তকারী কার্যালয় থেকে ১৫ লিটার বাংলা মদসহ  গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ এ তথ্য  জানিয়ে বলেছেন, শ্রমিকনেতা সিরাজ তার দালাল অফিসে  বসে মদ বিক্রি করে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মদসহ তাকে গ্রেফতার করে। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের আরামপাড়ার মৃত এরশাদ আলির ছেলে সিরাজ (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে ট্র্যাক বন্দোবস্তকারী হিসেবে পরিচিত। জেলা শহরের একাডেমি মোড়ের মোহাম্মদী শপিং কমপ্লেক্সের দোতলায়  তার কার্যালয়। নিজের কার্যালয় বসেই মদ বিক্রি করে বলে অভিযোগ পাওয়ার পর চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি অপারেশন  ইন্সপেক্টর আমির আব্বাস ,এসআই মকবুল হোসেন ও শহর পুলিশ ফাঁড়ির  ইনচার্জ ওহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে মদসহ গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ বলছে, সিরাজ ট্রাক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি। গতকাল শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ