ঢাকা, রোববার 5 November 2017, ২১ কার্তিক ১৪২8, ১৫ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নবাবগঞ্জে দেশী প্রজাতির মাছ চাষের নিরাপদ উর্বর ভূমি আশুড়ার বিল

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর), এম রুহুল আমিন প্রধান: মৎস্য সেক্টরের উন্নয়নে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ রয়েছে এগিয়ে। স্থানীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরামর্শ আর প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিয়ে দিনাজপুরের চার উপজেলার পাঁচ শতাধিক বেকার যুবক ফিরিয়েছে ভাগ্যের উন্নয়নের চাকা। উত্তর জনপদের মৎস্য চাষে নিরাপদ উর্বর আশুড়ার বিল। দেশীয় প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া মাছ চাষ হয় এ বিলে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে অপরূপ লীলাভূমি ও নয়নাভিরাম আশুড়ার বিল। বিলের বিশাল এলাকাজুড়ে জলাশয়ে শোভা পাচ্ছে জাতীয় ফুল শাপলা। আর এর মাঝে বিচারণ করছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। বর্ষা মৌসুমে চলে মাছ চাষ। আর শুকনো মৌসুমে ইরি-বোরো ধান চাষ। দিনাজপুরের মাছ চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা নবাবগঞ্জ উপজেলা। সরকারি-বেসরকারি প্রায় ৫ শতাধিক জলাশয় রয়েছে। উপজেলার বেকার যুবকেরা যখন কোথাও কর্মসংস্থানের সুযোগ পান না তখন তারা মৎস্য চাষে আত্মনিয়োগ করে। অনেক যুবক এখন জিরো থেকে হিরো। আধুনিক প্রযুক্তির মাছ চাষ ফিরিয়ে দিয়েছে তাদের উন্নয়নের চাকা। উপজেলার ৯নং কুশদহ ইউনিয়নের কাজিপাড়া গ্রামের সফল মৎস্য চাষী জামিনুর রহমান। দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. শিবলী সাদিকের পরামর্শ এবং দিক নির্দেশনা অনুসরণ করে এলাকায় ৪০টি পুকুরে মাছ চাষ করে সফল মৎস্য চাষী হিসেবে অর্জন করেছে খ্যাতি। মৎস্য চাষ ও কৃষিতে সাফল্য অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন পদক ও প্রত্যয়ন। জানা গেছে, জামিনুর এক সময় বেকার ও অলস সময় অতিবাহিত করতো। বাড়ি সংলগ্ন একটি ছোট্ট পুকুরে মাছ চাষ হাতেখড়ি। এরপর এলাকায় বিভিন্ন ছোট বড় পুকুর বিল দীর্ঘমেয়াদি লীজ গ্রহণ করে শুরু করে মৎস্য চাষ। তার মোরনাই বিলের উৎপাদিত বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ঢাকার রাজধানীর বাজারে বিক্রি করে হয়েছেন তিনি স্বাবলম্বী। অপরদিকে নবাবগঞ্জসহ পার্শবর্তী রংপুর এলাকার শতাধিক মৎস্য চাষীরা জামিনুরের মৎস্য চাষের দৃষ্টান্ত গ্রহণ করে নিজেরা মৎস্য চাষে স্বাবলম্বী হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ