ঢাকা, রোববার 5 November 2017, ২১ কার্তিক ১৪২8, ১৫ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ডোকলামে ফের চীনা সেনা, উদ্বিগ্ন ভারত

সংগ্রাম ডেস্ক: ফের কি ডোকলামের আকাশে সংঘাতের মেঘ? অচলাবস্থা কাটলেও এবার ফের একবার ভারত-চীন-ভুটানের বিতর্কিত সংযোগস্থলে মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী। উদ্বেগ জানিয়ে শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রওয়াত।

প্রায় তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ডোকলাম বিবাদে যুদ্ধের মুখে পৌঁছে গিয়েছিল পারমাণবিক শক্তি সম্পন্ন দুই প্রতিবেশী দেশ। তবে দিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যে বিস্তর আলোচনার পর গত আগস্ট মাসে কাটে অচলাবস্থা। ডোকলামে সড়ক নির্মাণের কাজ বন্ধ করে চীন। তারপরই দু'পক্ষ থেকেই সেনাবহিনী প্রত্যাহার করা হয়।

এমনই পরিস্থিতিতে ফের একবার উদ্বেগ সৃষ্টি করে সেনাপ্রধান রাওয়াত জানালেন, ওই এলাকায় এখনও রয়েছে লালফৌজ। আগ্রাসন রুখতে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীও।

তবে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি জানান, দু'পক্ষই 'নন-কমব্যাট' মোডে রয়েছে। অর্থাৎ দুই সেনাদলই সংঘাত এড়িয়ে চলতে চাইছে। শীর্ষনিউজ।

ভারতীয় সেনাদের এক অনুষ্ঠানে কাশ্মীর সমস্যা নিয়েও কথা বলেন দেশটির সেনা প্রধান জেনারেল রাওয়াত।

সেনার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি দাবি করেন, কাশ্মীর উপত্যকায় এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। তবে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে দোষীদের রেহাই দেয়া হবে না। এদিন কাশ্মীরী যুবকদের সন্ত্রাসবাদ পরিহার করার আবেদনও জানান সেনাপ্রধান।

তিনি বলেন, উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়াও খানিকটা দায়ী। এর মাধ্যমেই যুব প্রজন্মের মগজ ধোলাই করছে ইসলামিক সংগঠনগুলো।

সম্প্রতি দিল্লির উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে উপগ্রহ থেকে পাওয়া বেশ কয়েকটি ছবি। ওই ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, ডোকলাম থেকে ১০-১২ কিলোমিটার উত্তরে একটি নতুন সড়ক নির্মাণ করছে চীন। চীন ও ভুটানের মধ্যে একটি বিতর্কিত এলাকা রয়েছে, ইয়াতুং নামে। সম্ভবত সেখানে মোতায়েন চীনা সেনা ছাউনির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য এই রাস্তা বানাচ্ছে তারা।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, থিম্পুর ওপর দিল্লির প্রভাব খর্ব করার চেষ্টা চালাচ্ছে বেইজিং। ভুটানকে নিজের দিক টানতে পারলে চরম বেকায়দায় পড়বে ভারত। ফলে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে দিল্লি। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ