ঢাকা, সোমবার 6 November 2017, ২২ কার্তিক ১৪২8, ১৬ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব  গ্রহণ সুদূরপরাহত ফের  বললেন এটর্নি জেনারেল

 

স্টাফ রিপোর্টার : অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার দায়িত্ব গ্রহণ সুদূরপরাহত বলে ফের মন্তব্য করেছেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আমি আগেও বলেছি প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার দেশে ফিরে আসা এবং দায়িত্ব গ্রহণ সুদূরপরাহত। এখন আবারও তাই বলছি।

গতকাল রোববার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে এ মন্তব্য করেন মাহবুবে আলম।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর এটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করলে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরে এসে দায়িত্ব গ্রহণ সুদূরপরাহত ব্যাপার।

তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে বেঞ্চে বসার ব্যাপারে সরকার বিরত করেনি। বরং তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠায় তার সহকর্মীরা তার সঙ্গে বসতে রাজি হননি বলে তিনি ছুটি নিতে বাধ্য হয়েছেন। এটা দেশবাসীর জানা উচিত।

মাহবুবে আলম বলেন, আমি আগেও বলেছিলাম প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার দায়িত্ব গ্রহণ সুদূরপরাহত। আজকেও বলছি। কারণ অন্য বিচারপতিরা যদি উনার সঙ্গে না বসতে চান তাহলে তিনি কিভাবে বিচার করবেন?

গত ১৩ অক্টোবর রাতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে অস্ট্রেলিয়া যান প্রধান বিচারপতি। এর আগে অবকাশকালীন ছুটি শেষে গত ২ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট খোলার আগের দিন অসুস্থতার কথা জানিয়ে এক মাসের ছুটিতে যান প্রধান বিচারপতি। পরবর্তীত আরও দশ দিনের (২ থেকে ১০ নভেম্বর) ছুটি অনুমোদন করেন রাষ্ট্রপতি।

গত ২ অক্টোবর আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণ বিচারক বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে কার্যভার পালনের দায়িত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। 

অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে হেয়ার রোডের বাসভবনের গেইটে সাংবাদিকদের একটি লিখিত বক্তব্য দিয়ে যান প্রধান বিচারপতি। বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ নাই। সুস্থ আছি।  শিগগির দেশে ফিরে আসবো। তার ছুটি নেয়ার সময় সরকারের আইনমন্ত্রী ও এটর্নি জেনারেল গণমাধ্যমকে বলেছিলেন তিনি অসুস্থ। এর জবাবে বিবৃতিতে তিনি  কথা বলেন। পরদিন এক বিবৃতিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতির ওই বক্তব্যকে বিভ্রান্তিমূলক। বরং রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের দালিলিক তথ্যাদি আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির কাছে দেয়াই তারা একসঙ্গে বসতে অপারগতা জানিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ