ঢাকা, সোমবার 6 November 2017, ২২ কার্তিক ১৪২8, ১৬ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

জেলেদের জালে ২০ মণ ওজনের খটক মাছ

খুলনা অফিস : বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির একটি খটক মাছ ধরা পড়েছে। শনিবার বাগেরহাটের শরণখোলা মৎস্য আড়তে খটক মাছটি কেটে এক হাজার টাকা কেজি দরে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার নবেম্বর বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ওই বিশাল আকৃতির খটক মাছটি ধরা পড়ে। সামুদ্রিক এই খটক মাছ রান্না করে খেলে দুরারোগ্য ব্যধি ক্যান্সার, হৃদ ও যক্ষ্মা রোগ ভাল হয় এমন বিশ^াস স্থানীয়দের। 

সেই বিশ^াসের জায়গা থেকে বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকেরা মাছ কিনতে শরণখোলা মৎস্য আড়তে ছুটে আসেন। জেলেদের জালে ধরা পড়া খটক মাছটির ওজন প্রায় ২০ মণ। লম্বায় ১৮ থেকে প্রায় ২০ ফুট। তবে, খটক মাছ খেলে দুরারোগ্য ব্যাধি নিরাময় হওয়ার বিষয়টিতে বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেছে স্থানীয় মৎস্য বিভাগ।

মাছটির বিক্রেতা ব্যবসায়ী কবির হোসেন আড়তদার বলেন, গত ২ নবেম্বর বৃহস্পতিবার খুলনার জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির একটি খটক মাছ ধরা পড়ে। ওই জেলেদের জালে ধরা পড়া খটক মাছটি আমি দেড় লাখ টাকায় কিনে নেই। 

পরে আমি মাছটি নিয়ে শরণখোলাতে নিয়ে আসলে স্থানীয় লোকজন তা দেখতে ছুটে আসেন। স্থানীয় লোকজনের বিশ^াস এই মাছ রান্না করে খেলে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসার, হৃদ ও যক্ষ্মা রোগ ভাল হয়। খটক মাছ শরণখোলা বাজারে আনা হয়েছে এই সংবাদ মাইকিং করে স্থানীয়দের জানানো হয়।

মাছটি কেটে বর্জ ফেলে দেয়ার পর প্রায় ১৪ মণ মাছ পাওয়া গেছে। শনিবার বিকাল পর্যন্ত প্রায় ২২৫ কেজির মত বিক্রি হয়ে গেছে। বাকি মাছ বিক্রির জন্য ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। গতকাল রোববারের মধ্যে সব মাছ বিক্রি হয়ে গেছে। শরণখোলা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এই মাছ কিনতে ক্রেতারা এসেছিলেন।

শরণখোলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, এ মাছ খেলে ক্যানসার ভালো হয় এমন কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবে, সামুদ্রিক এ মাছে প্রচুর মিনারেল ও খনিজ লবণ রয়েছে। যা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ