ঢাকা, মঙ্গলবার 7 November 2017, ২৩ কার্তিক ১৪২8, ১৭ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পাইপলাইনের নবীন পেসারদের নিয়েও আশা চম্পাকার

স্পোর্টস রিপোর্টার : আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখেন রুহেল আহমেদ। রুহেল একাই নন, রকি-রানা-মেহেদীর মতো মোট ১৩ জন তরুণ গত সাত দিন থেকেই নিবিড় অনুশীলন করছেন শ্রীলঙ্কান চম্পাকা রামানায়েকের অধীনে। সবারই একই স্বপ্ন। একদিন জাতীয় দলে খেলবেন। বোলিংটা নিজে নিজেই শিখেছেন। এবার লক্ষ্য লঙ্কান গুরুর কাছ থেকে বাড়তি কিছু শিখে নিয়ে নিজেকে শানিয়ে নেওয়া। আরো তৈরি করা। আর শিষ্যদের এই স্বপ্নপূরণ অসম্ভব কিছু মনে করছেন না চম্পাকা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের পেসারদের নিয়ে কাজ করার কথা চম্পাকার। কিন্তু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খেলার কারণে নেই তারা। নেপালের সঙ্গে খেলার পর গতকাল মালয়েশিয়া উড়ে গেল অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তাই নেই যুবা পেসাররাও। তাই এই ফাঁকে অনূর্ধ্ব-১৮ এর ১৩ জনকে নিয়ে ক্যাম্প করেছেন চম্পাকা। উদ্দেশ্য অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পাইপলাইনে পেসারের যোগান দেওয়া। তরুণ এ পেসারদের নিয়ে বেশ আশাবাদী চম্পাকা, ‘আমি এখানে মেধা অন্বেষণ করছি। এখানে আমার আগের ক্যাম্পে কেউ ছিল কেউ নতুন যোগ হয়েছে। এরা সবাই তরুণ। এখান থেকে ৫/৬ জন খেলোয়াড় আছে যারা পরবর্তী (অনূর্ধ্ব-১৯) বিশ্বকাপ খেলার সামর্থ্য রাখে। এরা সবাই ১৮ বছরের নিচে। আমি কারও নাম উল্লেখ করতে চাই না, তবে এখানে বেশ কিছু মেধাবী ছেলে আছে। আমার কাজ হচ্ছে তাদের স্কিলের উন্নতি করা।’ তবে এখনই এ তরুণদের বাড়তি কোন কিছু শেখাচ্ছেন না চম্পাকা। প্রাথমিকভাবে তাদের সঠিক লেন্থে বোলিং করার কৌশল শেখাচ্ছেন। আর এটা পাড়লেই বাকি কাজ সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করেন এ লঙ্কান। তিনি বললেন, ‘শুরুতে এদের বেসিক জিনিসগুলো শেখাচ্ছি। কারণ বেসিক জানলে বাকি সব কাজ আরও সহজ হয়ে যায়। লেন্থ বোলিংয়ে নজর দিচ্ছি বেশি। একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বোলিং করা। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটা পারলে তাদের কোন কিছু নিয়ে ভাবতে হবে না।’ চম্পাকার প্রিয় ছাত্র রুহেল। সিলেটের এ তরুণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনুসরণ করেন নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্টকে। ইচ্ছে তাকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার। এখন নিয়মিত ঘণ্টায় ১৩৫ কিমি বেগের আশে পাশে বল করছেন। চম্পাকার টিপস পেয়ে এটাকে নিয়ে যেতে চান ১৪০ থেকে ৪৫’য়ে। রুহেলের ভাষায়, ‘স্যারের কাছে অনেক কিছু শিখছি। যেমন রিস্ট পজিশন, রানিং টেকনিক, গুড লাইন লেন্থ এইসব। আগের চেয়ে আমার অনেক উন্নতি হয়েছে। সঠিক লাইন লেন্থে বল করাতেই জোর দিচ্ছি। একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বলা করার নিয়মিত অনুশীলন করছি। এটা অবশ্য বাড়িতে ব্যক্তিগত অনুশীলনে বেশি করা হয়।’ একই কথা বললেন বাকি পেসাররাও। সবারই যে স্বপ্ন বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলা। আর এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন কতটুকু সম্ভব। প্রশ্ন রাখা হয় চম্পাকাকে। জবাবে এ লঙ্কান জানালেন, ‘আপনি বলতে পারবেন না। এরা এখনই অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে বিশ্বকাপ খেলার ক্ষমতা রাখে। একটু দ্রুত উন্নতি করতে পারলে যে কেউ জাতীয় দলেও চলে আসতে পারে। তাদের সে সামর্থ্য আছে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ