ঢাকা, মঙ্গলবার 7 November 2017, ২৩ কার্তিক ১৪২8, ১৭ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আলোচনায় যখন সিলেট স্টেডিয়াম

স্পোর্টস রিপোর্টার : হোম এন্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে খেলাটা গোটা বিশ্বেই সমাদৃত। তবে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে সেটি এক প্রকার আকাশ কুসুম ভাবনা। অর্থ আর জৌলুসের তকমা নিয়ে ফ্রাঞ্ছাইজি ভিত্তিক হলেও বিপিএলেরও তা সম্ভব হয়নি। তবে এবারের আসরে বিসিবির পরিকল্পনা কার্যকরী হয়েছে দারুণভাবে। প্রথম দিকের বেশ কিছু ম্যাচ সিলেটে দেয়া ঢাকার বাইরের দর্শক উন্মাদনা বোঝা গেছে শতভাগ। দর্শনীয় ভেন্যু আর দেশী-বিদেশী ক্রিকেটারদের সমাগমে রঙিন সিলেটের ক্রিকেটের ক্রিকেট প্রাঙ্গণ। ভবিষ্যতে নিজেদের ভেন্যুতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চায় সিলেটবাসী। কারো কারো চোখে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সেরা স্টেডিয়াম এটি। দারুণ এই স্টেডিয়াম মুগ্ধ করেছে ক্রিকেট বিশ্লেষকদেরও। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, 'এখানে যেহেতু বিপিএল হচ্ছে তাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড হয়তো চিন্তা করবে এখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করার। ক্রিকেটটাকে চারদিকে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এটাকে যদি বিভাগ ভিত্তিক ভাগ করে দেয়া যায় তাহলে আমার মনে হয়ে এলাকাভিত্তিক মানুষেরা খেলা দেখতে পারবে।’ একপাশে পাহাড়ের ছোট টিলা আরেক পাশে চা বাগান। প্রকৃতির পরম আদর নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনে এরিমধ্যে আলোচনা করেছে নীতিনির্ধারকরা। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, 'আমরা এখানে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। দর্শক থেকে শুরু করে এখান যারা সংগঠক আছেন, স্থানীয় আয়োজক যারা সবাই মিলে টুর্নামেন্টটাকে কিন্তু একটা আন্তর্জাতিক মানের রূপ দিয়েছে।’  বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, 'সিলেটের এই স্টেডিয়ামটা ক্রিকেটের জন্য সেরা স্টেডিয়ামগুলোর একটি। এখানে আমরা খেলার পরিকল্পনা করেছিলাম গতবছর কারণ, ঢাকার মধ্যে অনেক চাপ পড়ে যায়। একটা উইকেটে এতো খেলা হলে উইকেটের আচরণও নষ্ট হয়ে যায়।’ আকরাম খান মনে করেন, যেখানে বিপিএলের মতো টুর্নামেন্ট হচ্ছে সেখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়া তো কোন ব্যাপারই না। সামনেই বাংলাদেশ সফরে আসবে শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল। সেই সিরিজেই আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে সিলেটের অভিষেক হবে দর্শকদের এমন আশা হয়তো এখন আর অমূলক নয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ