ঢাকা, মঙ্গলবার 7 November 2017, ২৩ কার্তিক ১৪২8, ১৭ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কমনওয়েলথ দেশগুলোতে অভিন্ন ভিসা চালুর প্রস্তাব

সংসদ রিপোর্টার: ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে অভিন্ন ভিসাপদ্ধতি, বাণিজ্য উন্নয়ন, ট্যারিফ বিধি-নিষেধ সহজীকরণ এবং অভিন্ন স্বার্থে এক হয়ে কাজ করার প্রস্তাব করা হয়েছে সিপিএ সম্মেলনে।
এছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমস্যা মোকাবেলায় সদস্য দেশগুলোর অবকাঠাম নিশ্চিত করা, কার্বন নিঃসরণে আইনগত সংস্কার, সংসদ ও রাজনীতিতে নারী ও যুবাদের অধিকসংখ্যক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাসহ একগুচ্ছ প্রস্তাব এসেছে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) সম্মেলনে। সম্মেলনের ষষ্ঠ দিন গতকাল সোমবার দিনভর অনুষ্ঠিত চারটি বিষয়ের ওপর ওয়ার্কশপ থেকে এই প্রস্তাবগুলো আসে।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল সোমবার সিপিএর জন্য তৈরি মিডিয়া সেন্টারে এসব তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট কমিটির নেতৃবৃন্দ। সঙ্গে ছিলেন মিডিয়া সেন্টারের তত্ত্বাবধায়ক বাংলাদেশী এমপিরা।
কমনওয়েলথ দেশসমূহের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করার জন্য ‘আইন প্রণেতাদের ভূমিকা, বাণিজ্য, ভিসা সমস্যা ও ট্যারিফ বিধি-নিষেধ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় গতকাল সোমবার ভিসা সংক্রান্ত প্রস্তাব বা সুপারিশ করা হয়। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় মূল আলোচক ছিলেন নাইজেরিয়ার সিনেটর ইকে ই বেরেমাদু, যুক্তরাজ্যের লর্ড ডেভিস এবং গায়ানার জোসেফ এফ হারমান। সঞ্চালক ছিলেন কানাডার এমপি আলেকজান্দ্রা মেন্ডেজ।
কর্মশালায় আরও বলা হয়, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর টিকে থাকতে হলে দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে হবে।
বাংলাদেশের এমপি অ্যাডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি জানান, সকাল ৮টায় শুরু হয়- ‘জেন্ডার সমতা আনয়নে সংসদে পুরুষ সদস্যদের ভূমিকা’ শীর্ষক সি ডাব্লিউপির কর্মশালা হয়।
এ কর্মশালায় যেসব সুপারিশ এসেছে তা হলো- বিশ্বের অর্ধেকের বেশি নারী হলেও তারা নানাভাবে বঞ্চিত। এদের সমতা আনা বিশেষ জরুরি। কেননা, অর্ধেক অংশ বাদ দিয়ে কোনোভাবেই উন্নয়ন সম্ভব নয়। সেকারণে সমাজে বঞ্চিত, অবহেলিত, দরিদ্র নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্য সিপিএ সদস্যদেশগুলোর সংসদে আরও বেশি করে প্রকল্প গ্রহণ করা। নারীদের রাজনীতি ও সংসদে আসার জন্য অনুপ্রেরণা সৃষ্টি ও পরিবেশ নিশ্চিত করা।
সংসদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারীদের জন্য অধিক অর্থ বরাদ্দ ও নারীবান্ধব বাজেট প্রণয়ন, আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সুপারিশ এসেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ