ঢাকা, রোববার 12 November 2017, ২৮ কার্তিক ১৪২8, ২২ সফর ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাদীর অধিকার ও আইনের শাসন ভূলন্ঠিত কেন?

মো. তোফাজ্জল বিন আমীন : পৃথিবীতে বসবাসরত প্রত্যেকটি মানুষ তার অধিকারের ব্যাপারে সচেতন। সব মানুষই তার অধিকার নিয়ে বাঁচতে চায়। কিন্তু সবার ভাগ্যে তার প্রাপ্য অধিকারটুকু জোটে না। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থায় মানুষের অধিকার ভূলন্ঠিত হচ্ছে। নিবন্ধনের শিরোনামটা দেখে অনেকে হয়তো ভাবতে পারেন বাদীর অধিকার আবার ভূলন্ঠিত হয় কিভাবে? অবিশ্বাস হলেও সত্য যে রাজনৈতিক কারণে অনেকে তার প্রাপ্য অধিকারটুকু পান না। পুলিশ কর্তৃক নির্যাতনে সাতক্ষীরার এক মাদরাসা সুপারের মৃত্যু হয়েছে যা গত ২৩ সেপ্টেম্বরে দৈনিক সংগ্রামে মুদ্রিত হয়েছে। প্রকাশিত খবরটি দেখে সত্যিই মর্মাহত হলাম। কারণ আইনের শাসন রক্ষা করা যাদের দায়িত্ব তারাই যদি আইনের শাসনকে ভূলন্ঠিত করে তখন আর দুঃখের সীমা থাকে না। মানবতার অবক্ষয় সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বত্র বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ক্ষেত্র বিশেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যেও দেশের প্রচলিত আইন না মানার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা মোটেও কাক্সিক্ষত নয়। গত ১৯ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার বাকসা হঠাৎগঞ্জ দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা সাঈদুর রহমান পুলিশের নির্মম নির্যাতনে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। স্বাভাবিক মৃত্যু যেখানে মেনে নেয়া ভার সেখানে আইনপ্রয়োগকারী বাহিনীর নির্যাতনে মৃত্যু হওয়াটা কত যে কষ্টের তা ভুক্তভোগী পরিবার ব্যতীত অন্য কেউ অনুবাধন করতে পারে না। তবে এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৃত মাওলানা সাঈদুর রহমানের বড় ভাই বজলুর রহমান সাতক্ষীরা সদর থানার চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একটি পরিবার একদিকে নিজের প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকাহত। অপরদিকে বিচার প্রার্থী হওয়ার কারণে পরিবারটির উপর নির্যাতনের কালো থাবা নেমে এলো। আল্লাহ ছাড়া ঐ পরিবারটিকে রক্ষা করার কেউ নেই। মামলার বাদীর ভাষ্যমতে ওই দিন রাতে তিনজন পুলিশের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী দুর্বৃত্তরা হামলা ভাংচুর, লুটপাট করে। এমনকি মামলা প্রত্যাহার না করলে বাড়ির সবাইকে হত্যা করার হুমকি পর্যন্ত দেয়। ২২ সেপ্টেম্বর রাতে সাতক্ষীরা সদরের কাথন্ডা গ্রামে মামলার বাদীর বাড়িতে ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। একটি স্বাধীন দেশের জনগণের জীবনে এর চেয়ে দুঃখজনক ঘটনা আর কী হতে পারে? ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন কোথায়?
পৃথিবীর অনেক দেশের পুলিশ জনগণের বন্ধু হিসেবে নিজেদেরকে আত্মনিয়োগ করতে পারলেও বাংলাদেশের পুলিশ এখনও অর্জন করতে পারেনি। যদি পারতো, তাহলে অসহায় মজলুম মানুষের কান্নার আওয়াজ ইথারে ইথারে ভাসতো না। রাষ্ট্রের এ বাহিনীটির মূল দায়িত্ব ছিল মানুষের জীবনের নিরাপত্তার বিধান নিশ্চিত করা। গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবাধিকার নস্যাৎ করা নয়! পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের এটা অনুধাবন করা প্রয়োজন যে গণতান্ত্রিক সমাজে কোনো কিছুই গোপন বা চাপা থাকে না। একটি দেশের সরকার যখন শুধুমাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ভিন্নমতের মানুষের উপর নির্যাতনের স্টিম রোলায় চালায় তখন আর সেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। পুলিশ একটি সেবা প্রদানকারি প্রতিষ্ঠান। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য পুলিশকে ট্রেনিং দেয়া হয়। আইনে বলা আছে স্ত্রী যদি স্বামীকে আশ্রয়ও দেন তা অপরাধ নয়! কিন্তু পুলিশের অতি উৎসাহী কিছু সদস্য মানবতার গুণাবলী বিসর্জন দিয়ে অমানবিকতা অধঃপতনের দিকে ধাবিত হচ্ছে যা মোটেই কাম্য নয়! অমানবিক আচরণের বিচার হওয়া উচিত। অন্যথায় পুলিশের এ ধরনের বাড়াবাড়ি চলতেই থাকবে। এর প্রতিকার না হলে পুলিশের ওপর জনগণের ভরসা থাকবে না। আমরা মনে করি পুলিশের ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে মানবিকতার প্রশিক্ষণ দেয়া প্রয়োজন। একজন আসামী যখন খুবই অসুস্থ থাকে তখন তার পায়ে ডান্ডাবেড়ি পড়ানোটা খুব জরুরী নয়। কাকে আটক করা যাবে, কাকে করা যাবে, কোন পরিস্থিতিতে কি করতে হবে এসব নিয়ম-কানুনের বিস্তারিতভাবে শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। তাহলেই কেবল পুলিশের ভাবমর্যাদা উজ্জ্বল হতে পারে।
আমাদের দুর্ভাগ্যই বলতে হবে পুলিশের সুনামের চেয়ে দুর্নামের কথাই আমরা শুনি। বিভিন্ন অজুহাতে পুলিশ নাগরিকদের উপর বর্বরোচিত নির্যাতন চালিয়েছে। নিকট অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল কাদের ও লিমনের উপর পুলিশী নির্যাতনের কথা মনে হলে এখনো গা শিউরে উঠে। দেশের ক্ষমতাসীন দলগুলো যে দিন থেকে পুলিশকে ক্ষমতার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করছে সে দিন থেকেই পুলিশ বাহিনীর সুনামের চেয়ে দুর্নামের পাল্লা ভারি হতে শুরু হয়েছে। গত ১৮ জুলাই খুলনার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো.শাহজালালকে পুলিশ থানায় ধরে নিয়ে যায়। এরপর তার পরিবারের কাছে দেড় লাখ টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দিতে না পারায় ওই দিন রাতে শাহজালালকে গাড়িতে করে নির্জন স্থানে নিয়ে স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে নির্মমভাবে খুঁচিয়ে তার দুই চোখ তুলে নেয় পুলিশ। এ লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা গতকাল রোববার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে বর্ণনা করেন নির্যাতিত শাহজালাল। গত ২৩ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়া রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে। ওই দিন পুলিশের কাঁদানে গ্যাসের শেলের আঘাতে দুচোখ হারায় সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমান। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারে শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমানের আহত হওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে, মিছিলকারীদের ছোঁড়া ফুলের টবের আঘাতে তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমানের দুই চোখ জখম হয়। এর চেয়ে মিথ্যাচার আর কী হতে পারে? অথচ ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে এক পুলিশ সদস্য দৌড়ে এসে খুব কাছ থেকে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে ঝিনাইদহের মহেশপুর থানায় ১১ মাসের শিশুর ১৯ ঘন্টা হাজতবাসের ঘটনা নিয়ে সমালোচনার ঝড় সবর্ত্র বইছিল। পাঠকের নিশ্চয় মনে থাকার কথা, তিন বছর বয়সী শিশু আয়নালের মৃত্যুর খবর বিশ্বমানবতাকে কাঁদিয়েছিল। তার অন্যতম কারণ হচ্ছে দুনিয়ার সব দেশেই শিশুদেরকে পবিত্র মনে করা হয়। অথচ এই দেশের আইনপ্রয়োগকারী বাহিনী ১১ মাস বয়সের একটি নিষ্পাপ শিশুকে আটকিয়ে রেখে একটা বাহিনীর উপর কলংকের তিলক লেপন করে দিয়েছিল। যা জাতি হিসেবে আমাদের বিবেক আর মানবতাবোধকে লজ্জা দিচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) এর ভাষ্যমতে গত ছয় মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডে অন্যান্য বাহিনীর চেয়ে পুলিশ বাহিনী এগিয়ে রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও ক্রসফায়ারে ৯০ জন নিহত হয়েছেন। পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গত ছয় মাসে আটক ৪৪ জনের মধ্যে মাত্র ৭ জন পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন। ২ জনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ৩ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এখন ও খোঁজ মেলেনি ৩২ জনের। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো আটকের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বলেও আসক জানায়। মহাজোট সরকারের আমলে যেকোন ধরনের প্রতিবাদ বিক্ষোভ দমনে পুলিশের নির্বিচার গুলি মামুলি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ শুধু নয়, সামাজিক সমস্যা নিয়ে বিক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষকে এখন পুলিশ গুলি করে দমন করতে চাইছে। মনে হচ্ছে,শান্তিপূর্ণভাবে মানুষ কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেও এখন নিষ্ঠুরভাবে দমন করার কৌশল নিয়েছে পুলিশ। দেশের সচেতন নাগরিকেরা মনে করে আমাদের পুলিশ বাহিনীকে যদি কোনো সরকার নিজেদের ক্যাডারে পরিণত না করে জনগণের সেবকে পরিণত করে তাহলে কেবল  সমাজ বা রাষ্ট্রে শান্তি বিরাজ করবে। জনসাধারণের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশের এক শ্রেণীর সদস্যের অমানবিক আচরণ নতুন কোন বিষয় নয়। এমনিতে দেশের জনগণ পুলিশ বাহিনীর আচরণে অসন্তুষ্ট। জনগণের পুলিশ কেন জনগণের হয় না এই বিষয়টি রাষ্ট্রের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বাংলাদেশের বিরাজমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। বিশেষ করে গুম,অপহরণ ও থানা হাজতে মৃত্যু হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে জনগণের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের সমাজে এক শ্রেণির পুলিশের বদনামের কথা যখন মুদ্রিত হয় তখন সত্যিই মনে দাগ কাটে। কারণ কিছু সদস্যের অপকর্মের জন্য পুরো বাহিনীর বদনাম করা হয়। আর ঢালাওভাবে কোন পেশার সকল মানুষকে খারাপ বলাটা অন্যায়। সকল পেশায় কমবেশি ভালো মন্দ মানুষ রয়েছেন। তবে বাংলাদেশের মানুষ পুলিশের আচরণে খুব যে খুশি তা জোর গলায় বলা যাবে না।
সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে পুলিশ সম্পর্কে একটা বিরোপ ধারণা আছে যে পুলিশের কাছে সাহায্য চাওয়া মানে নিজের বিপদ নিজে টেনে আনা। সেজন্য মানুষ বাধ্য না হলে পুলিশের দ্বারস্থ হচ্ছে না। তবে এটাও ঠিক সব পুলিশ সদস্যই খারাপ তা কিন্তু নয়! গত ১১ জুলাই কুমিল্লায় পারভেজ মিয়া নামে হাইওয়ে পুলিশের এক কনস্টেবল সাহসিকতা ও মানবসেবায় এক অনন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে ডোবায় পড়ে গেলে যাত্রীদের প্রাণরক্ষায় ছুটে আসেন এই কনস্টেবল। পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ডোবার পানিতে সাধারণত মানুষ নামতে চায় না,সেখানে মৃত্যুপথ যাত্রীদের বাঁচাতে পচা ডোবায় কনস্টেবল পারভেজ জীবনের ঝুকি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। নিমজ্জিত বাসের ভেতর ঢুকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একাই পানির নিচ হইতে একে একে ২২ জন যাত্রীর জীবন বাঁচিয়েছেন। মানুষের জীবন বাঁচানোর এ দৃশ্য ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছিল। আরেকটি ঘটনা ভাইরাল হয়েছিল নারায়ণগঞ্জের সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে।
একজন পুলিশ অফিসার সততার বিরল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছিল। অপরাধ ও অপরাধীর প্রতি কঠোর এবং নিরপরাধ জনসাধারণের প্রতি কোমল এবং তাদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষা করা পুলিশের বিধি বিধানের মধ্যে রয়েছে। দুঃখের বিষয় হচ্ছে নিয়ম-নীতি থাকলেও পুলিশের অনেকেই তা অমান্য করে মানুষের সাথে বর্বর অমানবিক আচরণ করে চলছে, যা মোটেও কাংখিত নয়। পুলিশের আচরণ যদি এই হয় তাহলে সাধারণ মানুষ কার কাছে নিরাপত্তা চাইবে? গুলি করে মানুষ হত্যা করা কোনো সমাধান নয়! পুলিশের কাজও এটা নয়। পুলিশের কাজ মানুষকে বাঁচানো ও রক্ষা করা। একশ্রেণীর বিবেকহীন কিছু পুলিশ সদস্যের অমানবিক আচরণে পুরো পুলিশ বাহিনীর বদনামের ভাগিদার হওয়া মোটেই কাম্য নয়। পুলিশের ভাবমর্যাদা ফিরিয়ে আনতে দোষী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। দেশের ১৬ কোটি মানুষের আশা আকাক্সক্ষার প্রতীক পুলিশ বাহিনী যেন কোন দলের না হয়ে জনগণের হয় এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ