ঢাকা, বৃহস্পতিবার 23 November 2017, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২8, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চুয়াডাঙ্গায় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে হিমসিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ

চুয়াডাঙ্গা সদর সংবাদদাতা : চুয়াডাঙ্গায় চাউলের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশচুম্বি। কিছুতেই বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।  গত কয়েক মাস ধরে সবজির অস্থিরতা চলছেই। সে সময় ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি বিক্রয় হয়নি। ১৯ নবেম্বর চুয়াডাঙ্গার বড়বাজার, নতুন বাজার, রেল বাজর, নীলমনিগঞ্জ, ডিঙ্গেদাহ বাজার, আলুকদিয়া  ঘুরে দেখা যায়  সব খানে দ্রব্যমূল্যের উর্দ্বগতি। আবার পাইকারী বাজারের সাথে খুচরা বাজারের কিছুটা পার্থক্য আছে। বড় বাজার পাইকারী  চাউল ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান বকুল জানান, চাউলের বাজার বর্তমানে কিছুটা স্থিতিশীল। কেজি প্রতি বাঁশমতি (১) -৭০ টাকা, বাঁশমতি (২) ৬০ টাকা, আটাশ (১) ৫০ টাকা, আটাশ (২) ৪০ টাকা, নুরজাহান ৪০ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে।
তবে সবখানে সবজির বাজারে  আগুন। বাজার করতে আসা সাধারণ ক্রেতারা বলছেন নতুন সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি। কেজি প্রতি ফুল কপি- ৩৫-৪০ টাকা, সিম ৭০-৮০ টাকা, লাউ ৩০-৩৫ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, পটল ৩৫-৪০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, বাঁধা কপি-২৫-৩০ টাকা, কলা ২৫-৩০টাকা, লাল শাক আটি ১০ টাকা, কেজি ২০ টাকা, পেঁয়াজ ৭০-৮০, রসুন-৮০, গাজর ১২০, কাঁচা মরিচ-১২০, আদা-২০০, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, পেপে ২০-২৫ টাকা, শশা-৩০ টাকা, ঝিঁঙ্গে ৪০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা  দরে বিক্রয় হচ্ছে। খুচরা ডাল ব্যবসায়ী চুয়াডাঙ্গা গুলশানপাড়ার গৃহিনী স্টোরের মালিক আফেন্দি জানান, মসুরির ডাল (মোটা) ৭০ টাকা, মসুরির চিকন ডাল ১০০ টাকা, ছোলার ডাল-৯০ টাকা, মুগের ডাল -১১০ টাকা, কলায়ের ডাল -১০০ টাকা, মটরের ডাল ৪০ টাকা, খেসারী -৭৫ টাকা।
চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের পাইকারী ডাল ব্যবসায়ী  নাজিম উদ্দীন জানান, ডালের বাজার  খুচরা মূল্য থেকে ৮-১০ টাকা  কমে বিক্রিয় হচ্ছে।
 চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের মরহুম জেহের মন্ডলের ছেলে আজিম উদ্দীন জানান, আমাদের ব্যায়ের অনুপাতে জিনিস পত্রের দাম বাড়চ্ছে না।  সুতারাং জীবনযাপন করতে আমরা হিমসিম খাচ্ছি।  তেলের পাইকারী ব্যবসায়ী চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল রোডের বেলগাছি কর্ণারের মালিক  মহিদুল ইসলাম জানান, খোলা সয়াবিন ৮৮ টাকা, পাম ৭০, সুপার পাম ৮০ টাকা, সরিষার তৈল ১২০ টাকা, বর্তমানে মাছের বাজারে আগুন। ইলিশ মাঝারি সাইজের  কেজি প্রতি ৫০০ টাকা, ছোট সাইজের ৩০০ টাকা, রুই, কাতলা, মৃগেল ৪০০ টাকা, পোনা সাইজের ১৬০ টাকা তেলাপিয়া ১২০,পাঙ্গাস বড় সাইজের ২৫০, কাটরা মাছ জিয়েল, চ্যাং, পাকাল, তোড়া, বাম ৬০০ টাকা। গোশের বাজার একই অবস্থা। রেল বাজারে গোশত ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমানের ছেলে রতন জানান, দেশী মুরগি ৩২০-৩৩০, বয়লার ১২০, সোনালী ১৮০ খাশি ৬০০-৬৫০, গরু ৪০০-৪৫০ মহিষ ৪৫০-৫০০ টাকা। রাজমিস্ত্রি সোনা মিয়া জানান, আমরা সল্প আয়ের মানুষ। ঈদ কোরবানী ছাড়া মাংস কেনা ছেড়েই দিয়েছি। এক কেজি মাংস কিনতে আমাদের দেড় দিনের পারিশ্রমিক ব্যায় হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ