ঢাকা, মঙ্গলবার 28 November 2017, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সিংড়ায় খাঁচায় মৎস্য চাষে বেকারত্ব দূর করে সফল সজিব

সিংড়া (নাটোর) : সিংড়ায় খাঁচায় মৎস্য চাষে সফল সজিব

আবু জাফর সিদ্দিকী, সিংড়া (নাটোর) থেকে : নাটোরের সিংড়ায় নাসিমুজ্জামান সজিব নামে এক যুবকের মৎস্য চাষ তাকে সফলতার পথ দেখিয়েছে। বেকারত্ব দূর করে তার জীবনে এনেছে সফলতার আলো। সেই সাথে অল্প খরচ,অল্প শ্রমে খাঁচায় মৎস্য চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নদী তীরবর্তী বেকার যুবকদের মাঝে। সজিবের মৎস্য চাষ দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেছে অনেক বেকার যুবক। সজিব সিংড়া উপজেলার নিংগইন গ্রামের মো: শামসুল হকের পুত্র ।

সরেজমিনে দেখা যায়, গুরনই নদীতে খাঁচায় মৎস্য চাষ করা হয়েছে। ৩৪ টি ড্রামে পানিতে মাছের আবাসস্থল করা হয়েছে। ১৬টি খাঁচায় রয়েছে ১৬ হাজার পোনা। প্রত্যকটি খাঁচায় লাইটিং ব্যবস্থা করা আছে, যাতে করে রাতের বেলা মাছ সহজে পোকামাকড় খেতে পারে। আলো বাতাস সবকিছু সঠিক মত পাওয়ার কারণে মাছগুলো দ্রুত বেড়ে উঠেছে।

সজিব দৈনিক সংগ্রামকে জানান, আমি টিভিতে কৃষি প্রতিবেদন দেখে নিজের এলাকায় করার জন্য সরঞ্জাম সংগ্রহে নামি, তারপর খাঁচা তৈরি করি, প্রথমত ৬ টি খাঁচা তৈরি করতে ৯০ হাজার টাকা লেগেছে। পরে আরো ১০টি খাঁচা করি। পুকুরে মাছ চাষ করতে লিজ নিতে দু’চার লক্ষ লাগে সেখানে ১ লক্ষ টাকা খরচ করে চাষ করতে পারছি। প্রতিদিন দুবার খাবার দেয়া হয়। রাতে পোকামাকড় খেয়ে থাকে।

সে আরো জানায়, তেলাপিয়া মাছ ছাড়ছিলাম, গত ১০০ দিনে মাছ ৬০০ গ্রাম হয়েছে। এ পদ্ধতিতে খরচ কম। সে আরো জানায় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি এটা দেখে খুশি হয়েছেন। তিনি দু লাখ টাকা সরকারীভাবে বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছেন।

মৎস্য অফিসার ওমর আলী জানান, এ পদ্ধতি খুব ভালো। খরচ কম, জনপ্রিয় পদ্ধতি হিসেবে বেকাররা এ চাষে ঝুকছে। মূলত চাঁদপুর এলাকায় এ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তিনি আরো বলে, শুধু নদীর পানি কমলে খাঁচা রাখা সমস্যা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ